ব্যাংক খাতে ক্যাশ ডিভিডেন্ড বেড়েছে

বিনিয়োগ বাড়লে ঘুরে দাঁড়াবে বাজার

সময়: মঙ্গলবার, আগস্ট ১১, ২০২০ ৯:৫০:৪২ পূর্বাহ্ণ

বিশেষ প্রতিবেদক : এক সময় ব্যাংক খাত ছিল বিনিয়োগকারীদের সব চেয়ে আকর্ষণীয়। এ খাতে বিনিয়োগ বাড়লে শেয়ারবাজারের অবস্থা থাকে ইতিবাচক। ২০১০ সালের মহাধসের পর থেকেই এ খাত ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। বেশিরভাগ ব্যাংকের পিই রেশিও বিনিয়োগোপযোগী হলে ধারাবাহিক দরপতনের কারণে বিনিয়োগকারীরা মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। এছাড়া ব্যাংক খাতে নানা অনিয়ম ও দূর্নীতির কারণে এ খাতের অবস্থা শোচনীয় পর্যায়ে রয়েছে। তবে হাতে গোণা কয়েকটি ব্যাংকের অবস্থা ইতিবাচক পর্যায়ে রয়েছে। গত অর্থবছরে এ খাতের বেশিরভাগ কোম্পানিই নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে, যা ইতিবাচক বলে মনে করা হচ্ছে। এ খাতের ৩০টি ব্যাংকের মধ্যে ২৯টি ব্যাংকই ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে গত অর্থবছরে ১৮ ব্যাংকের ডিভিডেন্ড অপরিবর্তিত, ২টির বেড়েছে এবং ৯টির কমেছে। তবে ২৪টি ব্যাংক ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। আগের বছর ১৫টি কোম্পানি ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছিল। ক্যাশ ডিভিডেন্ড দেয়ার প্রবণতাকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে বাজার সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, ক্যাশ ডিভিডেন্ড দেয়াটা যে কোনো কোম্পানির জন্য ইতিবাচক। বিশেষ করে ব্যাংক খাতে বিনিয়োগ বাড়লে আবাও ঘুরে দাঁড়াবে বাজার। কারণ যখন ব্যাংক খাতের বিনিয়োগ ছিল তখন বাজারের অবস্থা রমরমা।
নিচে ব্যাংকগুলোর গত অর্থবছরের ডিভিডেন্ড ও আর্থিক অবস্থা তুলে ধরা হলো:
এবি ব্যাংক লিমিটেড : ব্যাংকটি ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাব বছরে সংশ্লিষ্ট শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৫ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। সর্বশেষ হিসাব বছর অনুযায়ী এবি ব্যাংকের সমন্বিত শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) হয়েছে ১৬ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে ইপিএস ছিল ০৬ পয়সা।
সর্বশেষ হিসাব বছরে সমন্বিত শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ৩১ টাকা ৬৯ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৩১ টাকা ৫১ পয়সা।
আলোচিত হিসাব বছরে সমন্বিত শেয়ারপ্রতি নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ৩৭ টাকা ৭৯ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে ছিল ঋণাত্মক ৯ টাকা ১৪ পয়সা।
আগের বছর কোম্পানিটি নো ডিভিডেন্ড দিয়েছিল।
আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড : ব্যাংকটি গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৯ তারিখে সমাপ্ত হিসাববছরে সংশ্লিষ্ট শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১৩ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষনা করেছে। সর্বশেষ বছরে সমন্বিতভাবে অর্থাৎ সহযোগী প্রতিষ্ঠানের আয়সহ আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের সমন্বিত শেয়ারপ্রতি আয় (কনসোলিডেটেড ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ২৮ পয়সা। আগের বছর সমন্বিত ইপিএস ছিল ২ টাকা ৩০ পয়সা।
আলোচিত বছরে এককভাবে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি আয় (গলো ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ২৭ পয়সা। আগের বছর এককভাবে ব্যাংকটির ইপিএস হয়েছিল ২ টাকা ২৬ পয়সা।
সর্বশেষ বছরে ব্যাংকটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো (এনওসিএফপিএস) ছিল ১১ টাকা ৫৮ পয়সা। আগের বছর তা ছিল মাইনাস ১২ টাকা ৯৮ পয়সা।
এককভাবে সর্বশেষ বছরে ক্যাশ ফ্লো ছিল ১১ টাকা ৭৪ পয়সা, আগের বছর যা মাইনাস ১২ টাকা ৫৯ পয়সা ছিল।
গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৯ তারিখে সমন্বিতভাবে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ২১ টাকা ১৩ পয়সা, আর এককভাবে ছিল ২১ টাকা ০৩ পয়সা।
আগের বছর কোম্পানিটি ১৫ শতাংশ ক্যাশ ও ২ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছিল।
ব্যাংক এশিয়া লিমিটেড : এ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ বিনিয়োগকারীদের ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৯ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য ১০ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষনা করেছে। সমাপ্ত বছরে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.৬৮ টাকা এবং এককভাবে ইপিএস হয়েছে ১.৬৮ টাকা। এর আগের বছর একই সময়ে সমন্বিত ইপিএস ছিল ১.৯২ টাকা এবং এককভাবে ছিল ১.৯৪ টাকা।
একই সময়ে ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি সমন্বিত সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ২১.০৯ টাকা। শেয়ারপ্রতি সমন্বিত নগদ কার্যকর অর্থ প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ২২.৯৪ টাকা।
আগের বছর কোম্পানিটি ৫ শতাংশ ক্যাশ ও ৫ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছিল।
ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড: ব্যাংকটি ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৯ তারিখে সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদেরকে ১৫ শতাংশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে ৭.৫০ শতাংশ ক্যাশ এবং ৭.৫০ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড। আলোচিত বছরে ব্যাংকটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি আয় (কনসোলিডেটেড ইপিএস) হয়েছে ৪.০১ টাকা। গত বছর যা ৪.৫০টাকা ছিল।
অন্যদিকে এককভাবে ব্র্যাক ব্যাংকের ইপিএস (গলো ইপিএস) হয়েছে ৪.৫৮ টাকা, যা আগের বছর ছিল ৪.৫০ টাকা। গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৯ তারিখে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ৩২.৯০ টাকা । আগামী ২৫ জুন ডিজিটাল প্ল্যাটফরমে ব্র্যাক ব্যাংকের বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এর জন্য রেকর্ড তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ২ জুন।
আগের বছর কোম্পানিটি ১৫ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছিল।
সিটি ব্যাংক লিমিটেড : ব্যাংকটি ৩১ ডিসেম্বর ২০১৯ সমাপ্ত হিসাব বছরের বিনিয়োগকারীদের জন্য ১৫ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। সমাপ্ত বছরে কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ৫৯ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে যা ছিল ২ টাকা ১৯ পয়সা।
আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি নেট এ্যাসেট ভ্যালু (এনএভিপিএস) দাড়িয়েছে ২৪ টাকা ১৪ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে যা ছিল ২৪ টাকা ৫২ পয়সা।
আর সমাপ্ত বছরে কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ১৩ টাকা ৪৭ পয়সা। আগে যা ছিল ১৩ টাকা ৬১ পয়সা।
আগের বছর কোম্পানিটি ৬ শতাংশ ক্যাশ ও ৫ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছিল।
ঢাকা ব্যাংক লিমিটেড : ব্যাংকটি ৩১ ডিসেম্বর ২০১৯ সমাপ্ত হিসাব বছরের বিনিয়োগকারীদের জন্য ৫ শতাংশ ক্যাশ ও ৫ শতাংশ বোনাস ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। সমাপ্ত বছরে কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৯০ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে যা ছিল ১ টাকা ৬৫ পয়সা। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি নেট এ্যাসেট ভ্যালু (এনএভিপিএস) দাড়িয়েছে ২০ টাকা ৯৭ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে যা ছিল ২০ টাকা ২২ পয়সা। আর সমাপ্ত বছরে কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ৭ টাকা ৩০ পয়সা। আগে যা ছিল ১ টাকা ৪১ পয়সা।
আগের বছর কোম্পানিটি ৫ শতাংশ ক্যাশ ও ৫ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছিল।
ডাচ-বাংলা ব্যাংক লিমিটেড : ব্যাংকটি ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৯ সমাপ্ত অর্থবছরের জন্য ৩০ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। সমাপ্ত বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৮.৬৮ টাকা। শেয়ারপ্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) হয়েছে ৫৪.৮৯ টাকা। শেয়ারপ্রতি নগদ কার্যকর অর্থ প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ১২.৮৫ টাকা।
আগের বছর কোম্পানিটি ১৫০ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছিল।
ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড: ব্যাংকটি ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৯ তারিখে সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য ২৫ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। বিদায়ী বছরে ইবিএলের এককভাবে শেয়ারপ্রতি আয় (গলো ইপিএস) হয়েছে ৪ টাকা ৯৪ পয়সা (রিস্টেটেড)। সহযোগী প্রতিষ্ঠানের আয়/লোকসান সহ ইপিএস (কনসোলিডেটেড ইপিএস) হয়েছে ৪ টাকা ৯২ পয়সা।
গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৯ তারিখে এককভাবে ইবিএলের শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য ছিল ৩১ টাকা ৪৯ পয়সা। আর সমন্বিতভাবে তা ছিল ৯১ টাকা ৯৮ পয়সা।
আগের বছর কোম্পানিটি ২০ শতাংশ ক্যাশ ও ১০ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছিল।
এক্সিম ব্যাংক লিমিটেড : ব্যাংকটি৩১ ডিসেম্বর, ২০১৯ তারিখে সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য ১০ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষনা করেছে। সর্বশেষ বছরে ব্যাংকটির সমন্বিত অর্থাৎ সহযোগী প্রতিষ্ঠানের আয়সহ শেয়ারপ্রতি আয় (কনসোলিডেটেড ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৬৯ পয়সা। আগের বছর একই সময়ে ছিল ১ টাকা ৬৫ পয়সা।
আলোচিত বছরে সমন্বিতভাবে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থের প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) ছিল ১১ টাকা ৩৭ পয়সা। আগের বছর এনওসিএফপিএস ছিল ঋণাত্মক।
আগের বছর কোম্পানিটি ১০ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছিল।
ফার্স্ট সিকিউরটি ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড : ব্যাংকটি গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৯ তারিখে সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য ১০ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড ঘোষনা করেছে। সমন্বিতভাবে অর্থাৎ সহযোগী প্রতিষ্ঠানের আয়সহ ফার্স্ট সিকিউরিটি ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি আয় (কনসোলিডেটেড ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ৪০ পয়সা। আগের বছর কোম্পানিটির সমন্বিত ইপিএস ছিল ১ টাকা ৮৪ পয়সা (রিস্টেটেড) । অন্যদিকে আলোচিত বছরে এককভাবে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি আয় (গলো ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ৩৮ পয়সা। আগের বছর সলো ইপিএস ছিল ২ টাকা ৮৪পয়সা (রিস্টেটেড)।
এছাড়া ও ব্যাংকটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো (এনওসিএফপিএস) ছিল ৭ টাকা ১৩ পয়সা। আগের বছর ক্যাশ ফ্লো ছিল ঋণাত্মক, যার পরিমাণ ছিল ৪ টাকা ৯২ পয়সা।
অন্যদিকে গত বছর এককভাবে ব্যাংকটির ক্যাশ ফ্লো ছিল ৭ টাকা ৯ পয়সা। আগের বছর ক্যাশ ফ্লো ছিল মাইনাস ৪ টাকা ৯৫ পয়সা। গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৯ তারিখে সমন্বিতভাবে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য ছিল ১৭ টাকা ৮৭ পয়সা, আর এককভাবে ১৭ টাকা ৭৬ পয়সা।
আগের বছর কোম্পানিটি ১০ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছিল।
আইএফআইসি ব্যাংক লিমিটেড : ব্যাংকটি গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৯ তারিখে সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য ১০ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড ঘোষনা করেছে। আলোচিত বছরে সমন্বিতভাবে অর্থাৎ সহযোগী প্রতিষ্ঠানের আয়সহ আইএফআইসি ব্যাংকের সমন্বিত শেয়ারপ্রতি আয় (কনসোলিডেটেড ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৯২ পয়সা। আগের বছর সমন্বিত ইপিএস ছিল ১ টাকা ২৩ পয়সা।
অন্যদিকে সর্বশেষ বছরে এককভাবে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি আয় (গলো ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৬৬ পয়সা।
আলোচিত বছরে ব্যাংকটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ৯ টাকা ৯৩ পয়সা। গতবছর এককভাবে ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো (এনওসিএফপিএস) ছিল ৯ টাকা ৪২ পয়সা। গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৯ তারিখে সমন্বিতভাবে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) হয়েছে ১৮ টাকা ২ পয়সা, আর এককভাবে এনএভিপিএস হয়েছে ১৬ টাকা ৭০ পয়সা।
আগের বছর কোম্পানিটি ১০ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছিল।
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড: ব্যাংকটি ৩১ ডিসেম্বর ২০১৯ সমাপ্ত বছরে শেয়ার হোল্ডারদের জন্য ১০ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। আলোচ্য সময়ে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩.৪০ টাকা।
সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ৩৬.৮৮ টাকা। শেয়ারপ্রতি সমন্বিত নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো হয়েছে ২৯.০৬ টাকা।
আগের বছর কোম্পানিটি ১০ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছিল।
যমুনা ব্যাংক লিমিটেড : ব্যাংকটি গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৯ তারিখে সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য ১৫ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষনা করেছে।আলোচিত বছরে সমন্বিতভাবে যমুনা ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩.৩৮ টাকা। আগের বছর ইপিএস ছিল ৩.৭ টাকা। আলোচিত বছরে ব্যাংকের সমন্বিত শেয়ারপ্রতি নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো (এনওসিএফপিএস) ছিল ৭.৯৩ টাকা। আগের বছর ক্যাশ ফ্লো ছিল ০.২ টাকা (নেগেটিভ)। গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৯ তারিখে সমন্বিতভাবে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য ছিল ২২.৭৭ টাকা।
আগের বছর কোম্পানিটি ২০ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছিল।
মার্কেন্টাইল ব্যাংক লিমিটেড : ব্যাংকটি ৩১ ডিসেম্বর ২০১৯ সমাপ্ত বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১১ শতাংশ ক্যাশ ও ৫ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড দেওয়ার সুপারিশ করেছে। আলোচ্য সময়ে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩.০১ টাকা এককভাবে ইপিএস হয়েছে ২.৯৬ টাকা।। এর আগের বছর একই সময়ে সমন্বিত ইপিএস ছিল ৩.৫৯ টাকা (রিস্টেটেড ৩.১২ টাকা)। সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ২২.৯৬ টাকা। আর শেয়ারপ্রতি সমন্বিত কার্যগরি নগদ প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ২.২৩ টাকা।
আগের বছর কোম্পানিটি ১৫ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছিল।
মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড : ব্যাংকটি ৩১ ডিসেম্বর ২০১৯ সমাপ্ত বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৫ শতাংশ ক্যাশ ৫ শতাংশ স্টকসহ ১০ শতাংশ ডিভিডেন্ড দেওয়ার সুপারিশ করেছে। আলোচ্য সময়ে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ২.০৩ টাকা। সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২৩.১৬ টাকা। আর শেয়ারপ্রতি কার্যগরি নগদ প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ১২.৬২ টাকা।
আগের বছর কোম্পানিটি ১১ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছিল।
ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেড : ব্যাংকটি ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৯ তারিখে সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য ১০ শতাংশ ডিভিডেন্ড ঘোষনা করেছে। এর মধ্যে ৫ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ। সর্বশেষ বছরে সমন্বিতভাবে ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৪১ পয়সা। সর্বশেষ বছরে ব্যাংকটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো (এনওসিএফপিএস) ছিল ৩ টাকা ১৯ পয়সা।
গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৯ তারিখে সমন্বিতভাবে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ১৬ টাকা ৬৮ পয়সা।
আগের বছর কোম্পানিটি ১০ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছিল।
এনসিসি ব্যাংক লিমিটেড : ব্যাংকটি ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৯ তারিখে সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদেরকে ১৫ শতাংশ ক্যাশ ও ২ শতাংশ স্টক সহ মোট ১৭ শতাংশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। আলোচিত বছরে ব্যাংকটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি আয় (কনসোলিডেটেড ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ৩০ পয়সা। গত বছর যা ১ টাকা ৯৭ পয়সা ছিল।
অন্যদিকে এককভাবে এনসিসি ব্যাংকের ইপিএস (গলো ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ৩০ পয়সা, যা আগের বছর ছিল ১ টাকা ৯৬ পয়সা। গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৯ তারিখে সমন্বিতভাবে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ২১ টাকা ২ পয়সা।
আগের বছর কোম্পানিটি ৫ শতাংশ ক্যাশ ও ৫ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছিল।
ওয়ান ব্যাংক লিমিটেড : ব্যাংকটি ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৯ তারিখে সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে ৫ শতাংশ বোনাস ও ৫ শতাংশ নগদ।
এ সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৯৭ পয়সা। একই সময়ে শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) হয়েছে ১৯ টাকা ৪ পয়সা।
আগের বছর কোম্পানিটি ১০ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছিল।
প্রিমিয়ার ব্যাংক লিমিটেড : ব্যাংকটি ৩১ ডিসেম্বর ২০১৯ সমাপ্ত বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৫ শতাংশ ক্যাশ ও ৫ শতাংশ স্টকসহ মোট ১০ ডিভিডেন্ড দেওয়ার সুপারিশ করেছে। আলোচ্য সময়ে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩.৬১ টাকা। সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ২০.২৯ টাকা। আর শেয়ারপ্রতি সমন্বিত কার্যগরি নগদ প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ৩.৫৭ টাকা।
আগের বছর কোম্পানিটি ১৫.৫ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছিল।
প্রাইম ব্যাংক লিমিটেড: ব্যাংকটি ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৯ তারিখে সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য ১৩.৫০ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষনা করছে। সর্বশেষ বছরে ব্যাংকটির সমন্বিত অর্থাৎ সহযোগী প্রতিষ্ঠানের আয়সহ শেয়ারপ্রতি আয় (কনসোলিডেটেড ইপিএস) হয়েছে ১.৪৭ টাকা। আগের বছর একই সময়ে ছিল ২.০১ টাকা।
অন্যদিকে, এককভাবে শুধু প্রাইম ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি আয় (সলো ইপিএস) হয়েছে ১.৭৭ টাকা, যা গত বছের একই সময়ে ছিল ১.৯৩ টাকা। গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৯ তারিখে সমন্বিতভাবে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) হয় ২৩.৪৬ টাকা; আর এককভাবে ২৩.৬৫ টাকা।
আগের বছর কোম্পানিটি ১৩.৫০ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছিল।
পূবালী ব্যাংক লিমিটেড : ব্যাংকটি গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৯ তারিখে সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদেরকে ১০ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নিরীক্ষিত প্রতিবেদন অনুসারে, আলোচিত বছরে সমন্বিতভাবে অর্থাৎ সহযোগী প্রতিষ্ঠানের আয়সহ পূবালী ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি আয় (কনসোলিডেটেড ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ১০ পয়সা। আগের বছর ব্যাংকটির সমন্বিত ইপিএস ছিল ৩ টাকা ৫৩ পয়সা (রিস্টেটেড)।
অন্যদিকে, এককভাবে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি আয় (সলো ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ৮ পয়সা। আগের বছর সলো ইপিএস ছিল ৩ টাকা ৩৩ পয়সা (রিস্টেটেড)।
আলোচিত বছরে পূবালী ব্যাংকের সমন্বিত শেয়ারপ্রতি নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো (এনওসিএফপিএস) ছিল মাইনাস ৩২ পয়সা। আগের বছর ক্যাশ ফ্লো ৩ টাকা ৫৯ পয়সা।
অন্যদিকে গত বছর এককভাবে ব্যাংকটির ক্যাশ ফ্লো ছিল মাইনাস ৪২ পয়সা। আগের বছর ক্যাশ ফ্লো ছিল ৩ টাকা পয়সা।
গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৯ তারিখে সমন্বিতভাবে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য ছিল ২৭ টাকা ৬২ পয়সা, আর এককভাবে ২৭ টাকা ৭৭ পয়সা।
আগের বছর কোম্পানিটি ১০ শতাংশ ক্যাশ ও ৩ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছিল।
রূপালী ব্যাংক লিমিটেড : ব্যাংকটি গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৯ তারিখে সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য ৫ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। সর্বশেষ বছরে সমন্বিতভাবে অর্থাৎ সহযোগী প্রতিষ্ঠানের আয়সহ রূপালী ব্যাংকের সমন্বিত শেয়ারপ্রতি আয় (কনসোলিডেটেড ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৩৮ পয়সা। আগের বছর সমন্বিত ইপিএস ছিল ৯৯ পয়সা। আলোচিত বছরে এককভাবে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি আয় (গলো ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৩২ পয়সা। আগের বছর একক ইপিএস ছিল ৯২ পয়সা।
সর্বশেষ বছরে ব্যাংকটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো (এনওসিএফপিএস) ছিল মাইনাস ৭৫ টাকা ৩০ পয়সা। আর এককভাবে ক্যাশ ফ্লো ছিল মাইনাস ৭৫ টাকা ৪৬ পয়সা।
গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৯ তারিখে সমন্বিতভাবে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ৪১ টাকা ১৪ পয়সা, আর এককভাবে ছিল ৪০ টাকা ৭৫ পয়সা।
আগের বছর কোম্পানিটি ১০ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছিল।
সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড : ব্যাংকটি গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৯ তারিখে সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য ৫ শতাংশ ক্যাশ ও ৫ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। সর্বশেষ বছরে সমন্বিতভাবে অর্থাৎ সহযোগী প্রতিষ্ঠানের আয়সহ সোস্যাল ইসলামী ব্যাংকের সমন্বিত শেয়ারপ্রতি আয় (কনসোলিডেটেড ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৭১ পয়সা। আগের বছর সমন্বিত ইপিএস ছিল ১ টাকা ৭৯ পয়সা।
অন্যদিকে, সর্বশেষ বছরে এককভাবে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি আয় (গলো ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৭০ পয়সা। গত বছর একক ইপিএস ছিল ১ টাকা ৭৭ পয়সা। আলোচিত বছরে ব্যাংকটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো (এনওসিএফপিএস) ছিল ২০ টাকা ৫১ পয়সা। আগের বছর ছিল ঋণাত্মক ১০ টাকা ১৭ পয়সা।
অন্যদিকে এককভাবেও ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো (এনওসিএফপিএস) একইরকম ছিল।
গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৯ তারিখে সমন্বিতভাবে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ১৭ টাকা ৬৩ পয়সা, আর এককভাবে এনএভিপিএস ছিল ১৯ টাকা ৩৩ পয়সা।
আগের বছর কোম্পানিটি ১০ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছিল।
সাউথইস্ট ব্যাংক লিমিটেড : ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৯ তারিখে সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য ১০ শতাংশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে সাড়ে ৭ শতাংশ নগদ ও আড়াই শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ। সর্বশেষ বছরে সমন্বিতভাবে ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ১৬ পয়সা। আগের বছর সমন্বিত ইপিএস ছিল ২ টাকা ১৩ পয়সা।
সর্বশেষ বছরে ব্যাংকটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো (এনওসিএফপিএস) ছিল ১১ টাকা ৬৮ পয়সা। গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৯ তারিখে সমন্বিতভাবে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ২৬ টাকা ২৯ পয়সা।
আগের বছর কোম্পানিটি ১০ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছিল।
স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক লিমিটেড : ব্যাংকটি ৩১ ডিসেম্বর ২০১৯ সমাপ্ত বছরে শেয়ার হোল্ডারদের জন্য ৫ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ স্টকসহ মোট ১০ শতাংশ ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। আলোচ্য সময়ে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ১.৫৭ টাকা। সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১৬.৯৬ টাকা। শেয়ারপ্রতি সমন্বিত কার্যকর অর্থ প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ৯.৯১ টাকা।
আগের বছর কোম্পানিটি ১০ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছিল।
ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড : গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৯ তারিখে সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য ১০ শতাংশ ডিভিডেন্ড ঘোষনা করেছে। এর মধ্যে ৫ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ। সর্বশেষ বছরে সমন্বিতভাবে ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩ টাকা ৩২ পয়সা। আগের বছর সমন্বিত ইপিএস ছিল ৩ টাকা ৪ পয়সা।
সর্বশেষ বছরে ব্যাংকটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি নেট অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো (এনওসিএফপিএস) ছিল ৩২ টাকা ৬৩ পয়সা। আগের বছর তা ছিল ৫ টাকা ৭১ পয়সা। গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৯ তারিখে সমন্বিতভাবে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ২৪ টাকা ৯৪ পয়সা।
আগের বছর কোম্পানিটি ১০ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছিল।
ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড : ব্যাংকটি ৩১ ডিসেম্বর ২০১৯ সমাপ্ত বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৫ শতাংশ ক্যাশ ও ৫ শতাংশ স্টকসহ মোট ১০ ডিভিডেন্ড দেওয়ার সুপারিশ করেছে। আলোচ্য সময়ে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ২.৪৬ টাকা। এর আগের বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ২.১৬ টাকা।
সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ২৮.৭৭ টাকা। আর শেয়ারপ্রতি সমন্বিত কার্যগরি নগদ প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ২.৬১ টাকা।
আগের বছর কোম্পানিটি ১০ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছিল।

উত্তরা ব্যাংক লিমিটেড : ব্যাংকটি ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৯ তারিখে সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য ৭ শতাংশ ক্যাশ ও ২৩ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। সর্বশেষ বছরে ব্যাংকটির সমন্বিত অর্থাৎ সহযোগী প্রতিষ্ঠানের আয়সহ শেয়ারপ্রতি আয় ৪ টাকা ৫৯ পয়সা হয়েছে। গত ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৯ তারিখে সমন্বিতভাবে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি প্রকৃত সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) হয় ৩৮ টাকা ৩৬ পয়সা।
আগের বছর কোম্পানিটি ৭ শতাংশ ক্যাশ ও ২৩ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছিল।

দৈনিক শেয়ারবাজার প্রতিদিন/এসএ/খান

Tagged