প্রথম প্রান্তিকে দুরবস্থায় বস্ত্র খাত

বিনিয়োগ কমার আশঙ্কা

সময়: মঙ্গলবার, নভেম্বর ১৯, ২০১৯ ৯:২৬:৩৭ পূর্বাহ্ণ


রিনা আক্তার : চরম দুরবস্থার মধ্যে রয়েছে বস্ত্র খাতের কোম্পানিগুলো। পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির মধ্যে বস্ত্র খাতের কোম্পানির সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। কিন্তু এ খাতের কোম্পানিগুলোর অবস্থা দিন দিন নাজুক হয়ে পড়ছে। প্রথম প্রান্তিকেই (জুলাই-সেপ্টেম্বর,১৯) কমেছে এ খাতের বেশিরভাগ কোম্পানির নিট মুনাফা। পাশাপাশি বাড়ছে লোকসানি কোম্পানির সংখ্যা। অনেক কোম্পানি থেকে বিনিয়োগ সরিয়ে নিচ্ছেন বিনিয়োগকারীরা। ফলে এ খাতে বিনিয়োগ কমার আশঙ্কা রয়েছে। যার নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে সূচক ও লেনদেনে এমনটাই মনে করছেন বাজারসংশ্লিষ্ট ও বিশেষজ্ঞরা।
তারা বলছেন, কয়েক বছর ধরে তৈরি পোশাকখাতে নেতিবাচক প্রভাব রয়েছে। এতে প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ছে বাংলাদেশি রপ্তানি প্রতিষ্ঠানগুলো। তাতে বড় প্রভাব পড়ছে দুর্বল কোম্পানিগুলোর ওপর। পণ্যেও যথাযথ মূল্য না পাওয়ায় আয়ও কমছে এখাতের কোম্পানিগুলোর।
বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোটার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ) সাবেক সহ-সভাপতি শহীদুল্লাহ আজীম ‘দৈনিক শেয়ারবাজার প্রতিদিন’-কে বলেন, বাংলাদেশে তৈরি পোশাক খাতের কোম্পানিগুলোর এমন অবস্থার পেছনে ৩টি কারণ বড় অংশে দায়ী। সেটি হলো- স্থানীয় মুদ্রার অবমূল্যায়ন না হওয়া, সুদের হার সিঙ্গেল ডিজিটে না থাকা, প্রতিযোগী দেশগুলোর সাথে পলিসিতে পিছিয়ে থাকা।
তিনি বলেন, এ পরিস্থিতি থেকে উত্তোরণের জন্য ডলারের বিপরীতে স্থানীয় মুদ্রার অবমূল্যায়ন জরুরি। গত দুই বছরে ভারতে স্থানীয় মুদ্রার ৪৭ শতাংশ, পাকিস্থানে ৩৭ শতাংশ, ভিয়েতনামে ১১ দশমিক ৫ শতাংশ, শ্রীলঙ্কায় ৪২ শতাংশ, চীনে ১৭ শতাংশ অবমূল্যায়ন হয়েছে। সেখানে বাংলাদেশে স্থানীয় মুদ্রার অবমূল্যায়ন হয়েছে দশমিক ০৬ শতাংশ। তাতে তৈরি পোশাক মালিকরা মারাত্মকভাবে পণ্য বিক্রিতে দর হারাচ্ছেন। এদিকে আমরা ১৪ থেকে ১৫ শতাংশ হারে ব্যাংক সুদ দিচ্ছি; সেখানে ভারতের ব্যাংক সুদের হার ৮০৯ শতাংশ, পাকিস্থানে সাড়ে ৭ শতাংশ, ভিয়েতনামে ৫ শতাংশ, চীনে ৪ শতাংশ রয়েছে। এজন্য খাতটিকে আরো এগিয়ে নিতে একটি সময় উপযোগী পলিসি গ্রহণ করতে হবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী বলেন, পলিসিগত কারণে বস্ত্রখাত পিছিয়ে পড়ছে। বিশেষ করে রপ্তানি নির্ভর কোম্পানিগুলোতে এ প্রভাব অনেক বেশি পড়ছে। তাতে পুঁজিবাজারে দর হারাচ্ছে বস্ত্রখাতের বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠান।
জানা যায়, সম্প্রতি বস্ত্রখাতের তালিকাভুক্ত ৫৫টি কোম্পানির মধ্যে ৪৮ কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। এসব কোম্পানির মধ্যে ৩০টির ইপিএস কমেছে, বেড়েছে মাত্র ৭টি কোম্পানির আর লোকসানে রয়েছে ১১ কোম্পানি। নিচে কোম্পানিগুলোর প্রথম প্রান্তিকের ইপিএস তুলে ধরা হলো:
আমান কটন : প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০১৯) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস)হয়েছে ৬১ পয়সা। একই সময়ে আগের বছর শেয়ার প্রতি আয় ছিল ৮৪ পয়সা।
আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজ : প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০১৯) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস)হয়েছে ৪৬ পয়সা। একই সময়ে আগের বছর শেয়ারপ্রতি আয় ছিল ৬৭ পয়সা।
স্কয়ার টেক্সটাইল : প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০১৯) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস)হয়েছে ৪১ পয়সা। একই সময়ে আগের বছর শেয়ারপ্রতি আয় ছিল ৬৯ পয়সা।
দুলামিয়া কটন : প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০১৯) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান (ইপিএস) হয়েছে ৬০ পয়সা। একই সময়ে আগের বছর লোকসান ছিল ১ টাকা ১৭ পয়সা।
আলিফ ম্যানুফ্যাকচারিং : প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০১৯) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১২ পয়সা। একই সময়ে আগের বছর শেয়ারপ্রতি আয় ছিল ১৯ পয়সা।
অলটেক্স : প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০১৯) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৪৪ পয়সা। একই সময়ে আগের বছর লোকসান ছিল ১ টাকা ৮৫ পয়সা।
এইচআর টেক্সটাইল : প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০১৯) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪১ পয়সা। একই সময়ে আগের বছর ছিল ৩৮ পয়সা।
ইভেন্স টেক্সটাইল : প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০১৯) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ২০ পয়সা। একই সময়ে আগের বছর ছিল ৩৭ পয়সা।
আর্গন ডেনিমস : প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০১৯) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৭৫ পয়সা। একই সময়ে আগের বছর ছিল ৮১ পয়সা।
মালেক স্পিনিং : প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০১৯) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ২৪ পয়সা। একই সময়ে আগের বছর ছিল ২৭ পয়সা।
প্রাইম টেক্সটাইল : প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০১৯) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১২ পয়সা। একই সময়ে আগের বছর ছিল ২৭ পয়সা।
ডেলটা স্পিনার্স : প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০১৯) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ০.০৬ পয়সা। একই সময়ে আগের বছর ছিল ০.০৭ পয়সা।
ড্রাগন সোয়েটার : প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০১৯) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩১ পয়সা। একই সময়ে আগের বছর ছিল ৬৮ পয়সা।
ম্যাকসন স্পিনিং : প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০১৯) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ২ পয়সা। একই সময়ে আগের বছর শেয়ার প্রতি আয় ছিল ৯ পয়সা।
জাহিন স্পিনিং : প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০১৯) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১০ পয়সা। একই সময়ে আগের বছর শেয়ার প্রতি আয় ছিল ২৮ পয়সা।
স্কয়ার টেক্সটাইল : প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০১৯) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪১ পয়সা। একই সময়ে আগের বছর শেয়ারপ্রতি আয় ছিল ৬৯ পয়সা।
মেট্রো স্পিনিং : প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০১৯) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৪ পয়সা। একই সময়ে আগের বছর শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ৩ পয়সা।
হামিদ ফ্রেব্রিকস : প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০১৯) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩৩ পয়সা। একই সময়ে আগের বছর শেয়ারপ্রতি আয় ছিল ৩৭ পয়সা।
মতিন স্পিনিং : প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০১৯) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস)হয়েছে ১৮ পয়সা। একই সময়ে আগের বছর শেয়ারপ্রতি আয় ছিল ৫৯ পয়সা।
কুইন সাউথ টেক্সটাইল : প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০১৯) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩৯ পয়সা। একই সময়ে আগের বছর শেয়ারপ্রতি আয় ছিল ৪৮ পয়সা।
ভিএস থ্রেড ডায়িং : প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০১৯) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪৭ পয়সা। একই সময়ে আগের বছর শেয়ারপ্রতি আয় ছিল ৪৬ পয়সা।
রহিম টেক্সটাইল : প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০১৯) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৮৭ পয়সা। একই সময়ে আগের বছর শেয়ারপ্রতি ছিল ২ টাকা ৪ পয়সা।
মেট্রো স্পিনিং : প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০১৯) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৪ পয়সা। একই সময়ে আগের বছর শেয়ারপ্রতি আয় ছিল ৩ পয়সা।
মোজাফফর হোসেন স্পিনিং মিলস : প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০১৯) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৩০ পয়সা। একই সময়ে আগের বছর ছিল ১২ পয়সা।
এনভয় টেক্সটাইল : প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০১৯) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫৬ পয়সা। একই সময়ে আগের বছর শেয়ারপ্রতি আয় ছিল ১ টাকা ৩ পয়সা।
কাট্টলি টেক্সটাইল : প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০১৯) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৬২ পয়সা। একই সময়ে আগের বছর শেয়ারপ্রতি আয় ছিল ৪৬ পয়সা।
এপেক্স স্পিনিং : প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০১৯) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস)হয়েছে ৪২ পয়সা। একই সময়ে আগের বছর শেয়ারপ্রতি আয় ছিল ৪৫ পয়সা।
এস্কয়ার নিটি কম্পোজিট : প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০১৯) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস)হয়েছে ৬৬ পয়সা। একই সময়ে আগের বছর শেয়ারপ্রতি আয় ছিল ৮৯ পয়সা।
সোনারগাঁ টেক্সটাইল : প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০১৯) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৭ পয়সা। একই সময়ে আগের বছর শেয়ারপ্রতি আয় ছিল ৩৩ পয়সা।
প্যাসিফিক ডেনিমস : প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০১৯) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪০ পয়সা। একই সময়ে আগের বছর শেয়ারপ্রতি আয় ছিল ৩৯ পয়সা।
এমএল ডায়িং : প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০১৯) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫১ পয়সা। আগের বছর একই সময় ছিল ৪৩ পয়সা।
প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল : প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০১৯) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৩৪ পয়সা। একই সময়ে আগের বছর শেয়ারপ্রতি আয় ছিল ৫৯ পয়সা।
রিজেন্ট টেক্সটাইল : প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০১৯) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১২ পয়সা। একই সময়ে আগের বছর শেয়ারপ্রতি আয় ছিল ৩৫ পয়সা।
আরএন স্পিনিং মিলস : প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০১৯) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৪০ পয়সা। একই সময়ে আগের বছর ছিল ২১ পয়সা।
স্ট্যাইল ক্রাফট : প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০১৯) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৭৮ পয়সা। একই সময়ে আগের বছর শেয়ারপ্রতি আয় ছিল ১ টাকা ২০ পয়সা।
সায়হাম কটন : প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০১৯) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২৬ পয়সা। একই সময়ে আগের বছর শেয়ারপ্রতি আয় ছিল ৩১ পয়সা।
সায়হাম টেক্সটাইল : প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০১৯) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩১ পয়সা। একই সময়ে আগের বছর শেয়ারপ্রতি আয় ছিল ৫১ পয়সা।
আনলিমা ইয়ার্ন : প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০১৯) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৯ পয়সা। একই সময়ে আগের বছর লোকসান ছিল ৯ পয়সা।
সিমটেক্স : প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০১৯) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪৯ পয়সা। একই সময়ে আগের বছর শেয়ারপ্রতি আয় ছিল ৪৭ পয়সা।
শাশা ডেনিমস : প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০১৯) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩৯ পয়সা। একই সময়ে আগের বছর শেয়ারপ্রতি আয় ছিল ১ টাকা ৭১ পয়সা।
শেফার্ড ইন্ডাস্ট্রিজ : প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০১৯) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২৪ পয়সা। একই সময়ে আগের বছর ছিল ৪২ পয়সা।
নিউ লাইন ক্লথিং : প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০১৯) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪৫ পয়সা। একই সময়ে আগের বছর শেয়ারপ্রতি আয় ছিল ৫৮ পয়সা।
নুরানী ডায়িং : প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০১৯) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২৬ পয়সা। একই সময়ে আগের বছর শেয়ারপ্রতি আয় ছিল ৪৮ পয়সা।
ফারইস্ট নিটিং : প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০১৯) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১০ পয়সা। একই সময়ে আগের বছর শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছিল ২৮ পয়সা।
তসরিফা ইন্ডস্ট্রিজ : প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০১৯) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৭২ পয়সা। একই সময়ে আগের বছর শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছিল ১১ পয়সা।
দেশ গার্মেন্টস : প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০১৯) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৯৮ পয়সা। একই সময়ে আগের বছর শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছিল ১ টাকা ৩১ পয়সা।
হা-ওয়েল টেক্সটাইল : প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০১৯) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ৬৩ পয়সা। একই সময়ে আগের বছর শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছিল ৭১ পয়সা।
জাহিন টেক্সটাইল : প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০১৯) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৪৩ পয়সা। একই সময়ে আগের বছর শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছিল ১৫ পয়সা।
দৈনিক শেয়ারবাজার প্রতিদিন/এসএ/খান

Share
নিউজটি ৩৭৩ বার পড়া হয়েছে ।
Tagged