ব্যাংকিং খাতের অর্ধবার্ষিক প্রকাশ : ইতিবাচক অবস্থানে ২৪ ব্যাংক

সময়: বুধবার, আগস্ট ৭, ২০১৯ ৫:৩১:০৭ পূর্বাহ্ণ


তাকী মোহাম্মদ জোবায়ের : পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ৩০টি ব্যাংকের অর্ধবার্ষিক (জানুয়ারি-জুন ২০১৯) আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। প্রকাশিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী ইতিবাচক অবস্থানে রয়েছে ২৪ ব্যাংক। অর্থাৎ আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) বেড়েছে ২৪ ব্যাংকের। বাকি ছয় ব্যাংকের ইপিএস কমেছে। এর মধ্যে ২ শতাংশের ওপরে ইপিএস এসেছে ছয়টি ব্যাংকের। ব্যাংক খাতের খারাপ অবস্থার মধ্যেও ইপিএস বৃদ্ধির খবর বিনিয়োগকারীসহ বাজার সংশ্লিষ্টদের আশান্বিত করেছে।
চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন সময়ে যে ব্যাংকগুলোর ইপিএস বেড়েছে সেগুলো হলো: আল-আরাফাহ, ব্যাংক এশিয়া, দি সিটি, ঢাকা, ডাচ্্-বাংলা, ইস্টার্ন, এক্সিম, ফার্স্ট সিকিউরিটি, আইএফআইসি, ইসলামী, যমুনা, মার্কেন্টাইল, মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট, এনসিসি, ওয়ান, প্রিমিয়ার, প্রাইম, পূবালী, শাহজালাল, স্যোসাল ইসলামী, সাউথইস্ট, ট্রাস্ট, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ও উত্তরা ব্যাংকের। আর এবি, রূপালী, ব্র্যাক, স্টান্ডার্ড, আইসিবি ইসলামী ও ন্যাশনাল ব্যাংকের ইপিএস কমেছে। আর ২ টাকার ওপরে ইপিএস থাকা ব্যাংকগুলো হলো: ডাচ্্-বাংলা, উত্তরা, সাউথইস্ট, পূবালী, ইসলামী ও ব্র্যাক ব্যাংক।
এদিকে বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, জুন মাসে ব্যাংকের উদ্যোক্তা পরিচালকরা যে পরিমাণ শেয়ার বিক্রি করেছেন তার চেয়ে প্রায় ২৪৫ কোটি শেয়ার বেশি কিনেছেন। এ সময়ে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ব্যাংক খাতের শেয়ারধারণ ২৫৮ কোটি কমেছে। বাজার বিশ্লেষকদের ধারণা, ব্যাংকের ইপিএস বাড়ছেÑ এমন আগাম তথ্যের ভিত্তিতেই হয়তো উদ্যোক্তা পরিচালকরা শেয়ারধারণ বাড়িয়েছেন। আর এই সময়ে আতঙ্কিত সাধারণ বিনিয়োগকারীরা শেয়ার ছেড়ে দিয়েছেন ব্যাপক হারে। ইপিএস বৃদ্ধির খবরে এখন হয়তো অনেকেই আবার ব্যাংক খাতের বিষয়ে আগ্রহী হবে। এতে ব্যাংক খাতের শেয়ারের সূচক ঘুরে দাঁড়াবে। আর ‘ব্যাংক খাতটি শেয়ারবাজারের সবচেয়ে বড় খাত হওয়ায় পুরো পুঁজিবাজারেই চাঙ্গাভাব ফিরে আসবে’Ñ ‘দৈনিক শেয়ারবাজার প্রতিদিন’র কাছে এমন আশা প্রকাশ করেছেন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সাবেক প্রেসিডেন্ট শাকিল রিজভী।
২ টাকার ওপরে ইপিএস যেসব ব্যাংকের :
ডাচ্্-বাংলা ব্যাংক : ব্যাংক খাতের মধ্যে সবচেয় বেশি ইপিএস এসেছে বেসরকারি খাতের ডাচ্্-বাংলা ব্যাংকের। ২০১৯ আর্থিক বছরের ৬ মাসের (জানুয়ারি-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী ব্যাংকটির ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ৮৩ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছরের একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ৩ টাকা ২৫ পয়সা। কোম্পানিটির ২০১৯ আর্থিক বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের (এপ্রিল-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৮৮ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছরের একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ১ টাকা ৯৭ পয়সা।
উত্তরা ব্যাংক : দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ইপিএস উত্তরা ব্যাংকের। ২০১৯ আর্থিক বছরের ৬ মাসের (জানুয়ারি-জুন) অ-নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী ব্যাংকটির ইপিএস ২ টাকা ৫০ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ১ টাকা ৩৫ পয়সা। এদিকে কোম্পানিটির ২০১৯ আর্থিক বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের (এপ্রিল-জুন) অ-নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) ১ টাকা ৫৮ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ৯৮ পয়সা।
সাউথইস্ট ব্যাংক : ২০১৯ আর্থিক বছরের ৬ মাসের (জানুয়ারি-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী ব্যাংক খাতে তৃতীয় সর্বোচ্চ ইপিএস সাউথইস্ট ব্যাংকের। চলতি বছরের জানুয়ারি-জুন মেয়াদে ব্যাংকটির ইপিএস ২ টাকা ২৫ পয়সা। গতবছরের একই সময়ে ইপিএস ছিল ১ টাকা ৩৫ পয়সা।
পূবালী ব্যাংক : ২০১৯ আর্থিক বছরের ৬ মাসের (জানুয়ারি-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী ব্যাংক খাতে চতুর্থ সর্বোচ্চ ইপিএস পূবালী ব্যাংকের। চলতি বছরের ৬ মাসের (জানুয়ারি-জুন) ইপিএস ২ টাকা ১৬ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছরের একই সময়ে যা ছিল ২ টাকা ১১ পয়সা। ২০১৯ আর্থিক বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের (এপ্রিল-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) ১ টাকা ৩৪ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ১ টাকা ৪৩ পয়সা।
ইসলামী ব্যাংক : ২০১৯ আর্থিক বছরের ৬ মাসের (জানুয়ারি-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী পঞ্চম সর্বোচ্চ ইপিএস ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের। ব্যাংকটির ইপিএস ২ টাকা ৫ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ১ টাকা ৮৮ পয়সা। কোম্পানিটির ২০১৯ আর্থিক বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের (এপ্রিল-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) ১ টাকা ৬৪ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ১ টাকা ৫২ পয়সা।
ব্র্যাক ব্যাংক : ২০১৯ আর্থিক বছরের ৬ মাসের (জানুয়ারি-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী ব্র্যাক ব্যাংকের ইপিএস ষষ্ঠ সর্বোচ্চ। তবে এই সময়ে ব্যাংকটির ইপিএস কমেছে। আলোচ্য সময়ে ব্যাংকটির ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৫ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছরের একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ২ টাকা ১৭ পয়সা। এদিকে কোম্পানিটির ২০১৯ আর্থিক বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের (এপ্রিল-জুন) অ-নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা। ২০১৮ আর্থিক বছরের একই সময়ে আয় হয়েছিল ১ টাকা ৬ পয়সা।
আরো যে ব্যাংকগুলোর ইপিএস বেড়েছে :
প্রিমিয়ার ব্যাংক : ২০১৯ আর্থিক বছরের ৬ মাসের (জানুয়ারি-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী ব্যাংকটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৩৪ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছরের একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ৮৪ পয়সা। চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের (এপ্রিল-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী ইপিএস হয়েছে ৮৪ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছরের একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ৫০ পয়সা।
ট্রাস্ট ব্যাংক : ২০১৯ আর্থিক বছরের ৬ মাসের (জানুয়ারি-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছি ১ টাকা ৭৭ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছরে একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ৯৮ পয়সা। কোম্পানিটির ২০১৯ আর্থিক বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের (এপ্রিল-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৮ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছরের একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ২৩ পয়সা।
আইএফআইসি ব্যাংক : ২০১৯ আর্থিক বছরের ৬ মাসের (জানুয়ারি-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ১ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছরে একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ৩৯ পয়সা। কোম্পানিটির ২০১৯ আর্থিক বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের (এপ্রিল-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫৮ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছরের একই সময়ে ইপিএম হয়েছিল ১৫ পয়সা।
ব্যাংক এশিয়া : ২০১৯ আর্থিক বছরের ৬ মাসের (জানুয়ারি-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৬ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছরের একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ১ টাকা ৪ পয়সা। কোম্পানিটির ২০১৯ আর্থিক বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের (এপ্রিল-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪৭ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছরের একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ৫৪ পয়সা।
মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক : ২০১৯ আর্থিক বছরের ৬ মাসের (জানুয়ারী-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৪১ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছরের একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ১ টাকা ৩৬ পয়সা। কোম্পানিটির ২০১৯ আর্থিক বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের (এপ্রিল-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ৭৫ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছরের একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ৭৮ পয়সা।
মার্কেন্টাইল ব্যাংক : ২০১৯ আর্থিক বছরের ৬ মাসের (জানুয়ারী-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপএিস) ১ টাকা ৭৯ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছররে একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ১ টাকা ৬৯ পয়সা। কোম্পানিটির ২০১৯ আর্থিক বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের (এপ্রিল-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) ১ টাকা ১৬ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ৮৮ পয়সা।
এনসিসি ব্যাংক : ২০১৯ আর্থিক বছরের ৬ মাসের (জানুয়ারী-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপএিস) ১ টাকা ৩১ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ১ টাকা। কোম্পানিটির ২০১৯ আর্থিক বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের (এপ্রিল-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) ৮৮ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ৬১ পয়সা।
ঢাকা ব্যাংক : ২০১৯ আর্থিক বছরের ৬ মাসের (জানুয়ারি-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপএিস) ৭৬ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ৭০ পয়সা। কোম্পানিটির ২০১৯ আর্থিক বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের (এপ্রিল-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) ২৬ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ২৪ পয়সা।
আল-আরাফা ইসলামী ব্যাংক : ২০১৯ আর্থিক বছরের ৬ মাসের (জানুয়ারি-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপএিস) ৫১ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ৪২ পয়সা। কোম্পানিটির ২০১৯ আর্থিক বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের (এপ্রলি-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদেন অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) ৭ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছররে একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ৩ পয়সা।
প্রাইম ব্যাংক : ২০১৯ আর্থিক বছরের ৬ মাসের (জানুয়ারি-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপএিস) ৯০ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছররে একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ৭০ পয়সা। কোম্পানিটির ২০১৯ আর্থিক বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের (এপ্রিল-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) ৫৩ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ৪০ পয়সা।
সিটি ব্যাংক : ২০১৯ আর্থিক বছরের ৬ মাসের (জানুয়ারি-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) ১ টাকা ৯১ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ১ টাকা ৪৪ পয়সা। কোম্পানিটির ২০১৯ আর্থিক বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের (এপ্রিল-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) ১ টাকা ১২ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছরের একই সময়ে লোকসান হয়েছিল ১ টাকা ৫ পয়সা।
ইস্টার্ন ব্যাংক : ২০১৯ আর্থিক বছরের ৬ মাসের (জানুয়ারি-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) ১ টাকা ৯৫ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ১ টাকা ৫৫ পয়সা। কোম্পানিটির ২০১৯ আর্থিক বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের (এপ্রিল-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) ৮৯ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ১ টাকা ২ পয়সা।
সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক : সোস্যাল ইসলামী ব্যাংকের ২০১৯ আর্থিক বছরের ৬ মাসের (জানুয়ারি-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) ৩৯ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ৩৭ পয়সা। এদিকে কোম্পানিটির ২০১৯ আর্থিক বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের (এপ্রিল-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) ১০ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ৭ পয়সা।
ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক : ব্যাংক খাতের ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের ২০১৯ আর্থিক বছরের ৬ মাসের (জানুয়ারি-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) ৯৫ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ৪২ পয়সা। এদিকে কোম্পানিটির ২০১৯ আর্থিক বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের (এপ্রিল-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) ৪১ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ৫ পয়সা।
যমুনা ব্যাংক : ব্যাংক খাতের ২০১৯ আর্থিক বছরের ৬ মাসের (জানুয়ারি-জুন) অ-নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী যমুনা ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৭৮ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছরের একই সময়ে আয় হয়েছিল ১ টাকা ৫২ পয়সা। এদিকে কোম্পানিটির ২০১৯ আর্থিক বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের (এপ্রিল-জুন) অ-নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৪ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছরের একই সময়ে আয় হয়েছিল ১ টাকা ৬ পয়সা।
এক্সিম ব্যাংক : ২০১৯ আর্থিক বছরের ৬ মাসের (জানুয়ারি-জুন) অ-নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী ব্যাংক খাতের মধ্যে সবচেয়ে বেশি হারে ইপিএস বেড়েছে এক্সিম ব্যাংকের। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় তুলনায় ব্যাংকটির ইপিএস বেড়েছে ৩৩১ শতাংশ। বছরের প্রথম ছয় মাসে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ৫৬ পয়সা। ২০১৮ সালের একই সময়ে ছিল মাত্র ১৩ পয়সা।
ওয়ান ব্যাংক : ২০১৯ আর্থিক বছরের ৬ মাসের (জানুয়ারি-জুন) অ-নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী ওয়ান ব্যাংকের ইপিএস হয়েছে ৫১ পয়সা। গত বছরের একই সময় যা ছিল ৪০ পয়সা।
ইউনাইটেড কমার্শিয়াল : ২০১৯ আর্থিক বছরের ৬ মাসের (জানুয়ারী-জুন) অ-নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী ইউনাইটেড কামার্শিয়াল ব্যাংকের (ইউসিবি) ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ১৫ পয়সা, গত বছরের একই সময়ে যা ছিল ১ টাকা ৫ পয়সা।
শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক : ২০১৯ আর্থিক বছরের ৬ মাসের (জানুয়ারি-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী ব্যাংকটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ২৪ পয়সা। ২০১৮ সালের প্রথম ছয় মাসে ইপিএস ছিল ৯২ পয়সা।
ইপিএসে খারাপ করা ব্যাংকগুলো :
এবি ব্যাংক : ২০১৯ আর্থিক বছরের ৬ মাসের (জানুয়ারি-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী এবি ব্যাংকের ইপিএস কমেছে। আলোচ্য সময়ে ইপএিস হয়েছে ১৫ পয়সা। ২০১৮ সলের একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ৩৯ পয়সা। দ্বিতীয় প্রান্তিকেও ইপিএস কমেছে ব্যাংকটির। কোম্পানিটির ২০১৯ আর্থিক বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের (এপ্রিল-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছরের একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ২৪ পয়সা।
রূপালি ব্যাংক : ২০১৯ আর্থিক বছরের ৬ মাসের (জানুয়ারি-জুন) অ-নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী একমাত্র তালিকাভূক্ত সরকারী ব্যংক রূপালীর ইপিএস কমেছে। আলোচ্য সময়ে ব্যাংটির ইপিএস হয়েছে ২৮ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছরের একই সময়ে যা ছিল ৩৫ পয়সা। জনা গেছে, সরকারের ৬-৯ সুদহার বাস্তবায়ন করায় গতবছরের তুলনায় মুনাফা কমেছে ব্যাংকটির। এর প্রভাব পড়েছে ব্যাংটির ইপিএসে।
স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক : ২০১৯ আর্থিক বছরের ৬ মাসের (জানুয়ারী-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী স্টান্ডার্ড ব্যাংকের ইপিএস কমেছে। আলোচ্য সময়ে ইপিএস হয়েছে ৯ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছরের একই সময়ে যা ছিল ১০ পয়সা। এদিকে কোম্পানিটির ২০১৯ আর্থিক বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের (এপ্রিল-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি সমন্বিত লোকসান (ইপিএস) ৩ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ৩ পয়সা।
ন্যাশনাল ব্যাংক : ২০১৯ আর্থিক বছরের ৬ মাসের (জানুয়ারি-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী ন্যাশনাল ব্যাংকের ইপিএস কমেছে। আলোচ্য সময়ে ইপিএস হয়েছে ৪২ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছরের একই সময়ে যা ছিল ৫০ পয়সা।
আইসিবি ইসলামী ব্যাংক : এ ব্যাংকটির ইপিএসও কমেছে চলতি বছরের প্রথমার্ধে। ২০১৯ আর্থিক বছরের ৬ মাসের (জানুয়ারী-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী আইসিবি’র ইপিএস এসেছে ২৯ পয়সা। গত বছরের একই সময়ে যা ছিল ৩১ পয়সা।

দৈনিক শেয়ারবাজার প্রতিদিন/এসএ/খান

Share
নিউজটি ৩১২ বার পড়া হয়েছে ।
Tagged