editorial

পুঁজিবাজারে আসতে সিকিউরিটিজ আইন শিথিল চায় ছোটো কোম্পানিগুলো

বিষয়টি ভেবে দেখা দরকার

সময়: সোমবার, নভেম্বর ১৮, ২০১৯ ৫:৫২:৫৮ অপরাহ্ণ


কোনো কোম্পানি পুঁজিবাজারে আসতে চাইলে অর্থাৎ পুঁজিবাজার থেকে মূলধন বা অর্থ সংগ্রহ করতে চাইলে সিকিউরিটিজ আইন অনুযায়ী কোম্পানিটিকে বিভিন্ন বিধি-বিধান পরিপালন করে কমপ্ল্যায়েন্স অর্জন করতে হয়। এটিই স্বাভাবিক নিয়ম। কিন্তু বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে চাহিদা অনুযায়ী আইপিও সরবরাহ না থাকায় বাজার বিকাশের স্বার্থে ছোটো ছোটো কোম্পানিগুলো যাতে পুঁজিবাজারে আসতে পারে অর্থাৎ পুঁজিবাজার থেকে মূলধন সংগ্রহ করতে পারে সেজন্য একটি ‘স্মলক্যাপ প্ল্যাটফর্ম’ গঠন করেছে দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জ। কিন্তু স্মলক্যাপ কোম্পানিগুলোর পুঁজিবাজারে আসার জন্য আলাদা কোনো বিধি-বিধান নেই। মূল মার্কেটে আসতে ইচ্ছুক কোম্পানিগুলোর মতো তাদেরও একই বিধি-বিধান পরিপালন করতে হবে। কিন্তু স্বল্প পরিমাণ মূলধন সংগ্রহে এতো ঝক্কি-ঝামেলা পোহাতে রাজি নয় স্মলক্যাপ কোম্পানিগুলো। এক্ষেত্রে কমপ্ল্যায়েন্স অর্জনে সিকিউরিটিজ আইনে কিছুটা ছাড় বা শিথিলতা চায় কোম্পানিগুলো। আইনগত ঝক্কি-ঝামেলার কারণে সম্প্রতি স্মলক্যাপ প্ল্যাটফর্মের আওতায় পুঁজিবাজারে আসতে ইচ্ছুক একটি কোম্পানি তাদের আবেদন প্রত্যাহার করে নিয়েছে।
জানা যায়, পুঁজিবাজার থেকে মাত্র ১ কোটি তুলতে আইপিও’র বিধি-বিধান শতভাগ পরিপালনে আগ্রহী নয় কোম্পানিটি। কারণ এতো বিধি-বিধান মেনে অনুমোদন পেতে অনেক সময় লেগে যাবে। এর ফলে কোম্পানিটির ব্যবসায়িক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।
অন্যদিকে স্মলক্যাপ প্ল্যাটফর্মে কোম্পানি আনার ক্ষেত্রে আগ্রহী নয় মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোও। কারণ এতে ‘ইস্যু ফি’ কম। স্মলক্যাপ প্লাটফর্মে স্থির মূল্য পদ্ধতিতে ৩ লাখ টাকা এবং বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে ৫ লাখ টাকা পাওয়া যাবে একটি কোম্পানি তালিকাভুক্তির ফি হিসাবে। এই একই পরিশ্রমে মূল মার্কেটে একটি কোম্পানি আনতে পারলে অনেক বেশি ফি পাবে মার্চেন্ট ব্যাংকগুলো। এমতাবস্থায় স্মলক্যাপ প্লাটফর্মে তালিকাভুক্তিতে যদি আইনের ধারা কিছুটা শিথিল করা সম্ভব হয়, তাহলে কোম্পানিগুলো এ বাজারে আসতে আগ্রহী হতো বলে মনে করেন মার্চেন্ট ব্যাংকাররা।

Share
নিউজটি ৩১৭ বার পড়া হয়েছে ।
Tagged