bangladesh bank

সংকট কাটাতে ১০ হাজার কোটি টাকা ঋণের রূপরেখা মন্ত্রণালয়ে

সময়: বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ৫, ২০১৯ ১১:২১:৪৩ পূর্বাহ্ণ


নিজস্ব প্রতিবেদক : পুঁজিবাজারের সংকট কাটিয়ে উঠতে ১০ হাজার কোটি টাকার ঋণের রূপরেখা প্রস্তাব আকারে অর্থ মন্ত্রণালয়ে দেয়া হয়েছে। গতকাল বুধবার পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংক ও নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সহযোগী ব্রোকারদের পক্ষ থেকে এ প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ে জমা দেয়া প্রস্তাবনায় আলোচ্য অর্থবাজারে কীভাবে ব্যবহার করা হবে তার বিস্তারিত বর্ণনা করা হয়েছে। এর মধ্যে ঋণের মেয়াদ ৬ বছর, সুদ হার ৩ শতাংশ এবং প্রথম ২ বছর গ্রেস পিরিয়ড করার বিষয়ে প্রস্তাব করা হয়েছে। এ সময় প্রাপ্ত অর্থ ফেরত দিতে হবে না। পরবর্তী চার বছরে তা সুদ-আসলে ফেরত দেয়া হবে। এছাড়া শুধু সেকেন্ডারি মার্কেটে বিনিয়োগের জন্য ব্রোকারহাউজ, মার্চেন্ট ব্যাংকসহ সব মধ্যবর্তী প্রতিষ্ঠানের জন্য এ অর্থ ঋণ হিসেবে উন্মুক্ত থাকবে বলেও প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে।
এদিকে, গত ২০ নভেম্বর পুঁজিবাজারে তারল্য সংকট কাটিয়ে উঠতে এবং বাজার স্থিতিশীল করার লক্ষ্যে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব আসাদুল ইসলামের সঙ্গে দেশের শীর্ষ ব্রোকারেজ হাউজ প্রতিনিধিরা বৈঠক করেন। ওই বৈঠকে ব্রোকাররা বাজারে তারল্য বাড়াতে ১০ হাজার কোটি টাকার একটি তহবিল গঠন করার প্রস্তাব দেয়। আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব এ বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়ে লিখিত প্রস্তাবনা দেয়ার আহ্বান জানায়। এর প্রেক্ষিতেই এ প্রস্তাবনাটি মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে দীর্ঘ মন্দা বাজারে গতি ফেরাতে নানা উদ্যোগ নেয় স্টেকহোল্ডাররা। এর মধ্যে সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়, পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) এর সঙ্গে তারা বৈঠক করেন। বৈঠকে পুঁজিবাজারের গতি ফেরাতে নানা সংস্কারের কথা উল্লেখ করেন স্টেকহোল্ডাররা। উল্লেখ্য আইপিও, প্লেসমেন্ট শেয়ার, বোনাস শেয়ার ইস্যুর বিষয়ে পরিবর্তনসহ বিএসইসি নানা পদক্ষেপ নিলেও বাজারে গতি ফিরে আসেনি। আর স্টেকহোল্ডারদের প্রস্তাবিত ১০ হাজার কোটি টাকা ঋণ দানের বিষয়টি আলোচনায় ওঠে আসে। এ ঋণের মাধ্যমে বাজার ঘুরে দাঁড়ানোর পাশাপাশি স্থিতিশীলতা ফিরে পেলে তা হবে ইতিবাচক পদক্ষেপ।
দৈনিক শেয়ারবাজার প্রতিদিন/এসএ/খান

Share
নিউজটি ৪০৫ বার পড়া হয়েছে ।
Tagged