১৭ কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ

সময়: বুধবার, জুলাই ৩১, ২০১৯ ২:০৩:১৫ অপরাহ্ণ


পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ১৭ কোম্পানির দ্বিতীয় প্রান্তিক আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। কোম্পানগিুলো হলো- কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্স, ফিনিক্স ফাইন্যান্স, জনতা ইন্স্যুরেন্স, বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স, ডাচবাংলা ব্যাংক, প্রিমিয়ার ব্যাংক, এবি ব্যাংক, ট্রাস্ট ব্যাংক, আইএফআইসি ব্যাংক, রেকিট বেনকিজার, লংকাবাংলা ফাইন্যান্স, উত্তরা ফাইন্যান্স, মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্স, ঢাকা ইন্স্যুরেন্স, রূপালি লাইফ ইন্স্যুরেন্স ও ব্যাংক এশিয়া।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্স: কোম্পানিটির ২০১৯ আর্থিক বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের (এপ্রলি-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদেন অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২৫ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছরের একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ২৫ পয়সা। ২০১৯ আর্থিক বছরের ৬ মাসের (জানুয়ারী-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৬৩ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছরের একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ৬২ পয়সা। ২০১৯ আর্থিক বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ২০ টাকা ৫৯ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছরের একই সময়ে এনএভি ছিল ১৯ টাকা ৭৮ পয়সা।

ফিনিক্স ফাইন্যান্স: কোম্পানিটির ২০১৯ আর্থিক বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের (এপ্রলি-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২৩ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছরের একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ৩৩ পয়সা। ২০১৯ আর্থিক বছরের ৬ মাসের (জানুয়ারী-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৬৩ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছরের একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ৭৬ পয়সা। এদিকে ২০১৯ আর্থিক বছরের ৩০ জুন র্পযন্ত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ২১ টাকা ২৫ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে এনএভি ছিল ২০ টাকা ৬২ পয়সা।

জনতা ইন্স্যুরেন্স: কোম্পানিটির ২০১৯ আর্থিক বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের (এপ্রলি-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২৩ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছরের একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ২৪ পয়সা। ২০১৯ আর্থিক বছরের ৬ মাসের (জানুয়ারী-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছিল ৪৭ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছররে একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ৪৬ পয়সা। এদিকে ২০১৯ আর্থিক বছররে ৩০ জুন র্পযন্ত সময়ে কোম্পানটির শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য দাঁড়িয়েছে (এনএভি) ১৪ টাকা ৭৭ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে এনএভি ছিল ১৪ টাকা ৩০ পয়সা।

বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স: কোম্পানিটির ২০১৯ আর্থিক বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের (এপ্রিল-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪৯ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছরের একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ৫০ পয়সা। ২০১৯ আর্থিক বছরের ৬ মাসের (জানুয়ারী-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৯৩ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছররে একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ১ টাকা ২ পয়সা। এদিকে ২০১৯ আর্থিক বছরের ৩০ জুন র্পযন্ত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১৮ টাকা ৯৯ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে এনএভি ছিল ১৮ টাকা ২ পয়সা।

ডাচবাংলা ব্যাংক: কোম্পানিটির ২০১৯ আর্থিক বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের (এপ্রিল-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ৮৮ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছরের একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ১ টাকা ৯৭ পয়সা। ২০১৯ আর্থিক বছরের ৬ মাসের (জানুয়ারী-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩ টাকা ৮৩ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছরের একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ৩ টাকা ২৫ পয়সা। এদিকে ২০১৯ আর্থিক বছরের ৩০ জুন র্পযন্ত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ৪৯ টাকা ৯৭ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছরের একই সময়ে এনএভি মূল্য ৪১ টাকা ১ পয়সা।

প্রিমিয়ার ব্যাংক: কোম্পানিটির ২০১৯ আর্থিক বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের (এপ্রিল-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ৮৪ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছরের একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ৫০ পয়সা। ২০১৯ আর্থিক বছরের ৬ মাসের (জানুয়ারী-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৩৪ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছরের একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ৮৪ পয়সা। এদিকে ২০১৯ আর্থিক বছরের ৩০ জুন র্পযন্ত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১৭ টাকা ৯৮ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছরের একই সময়ে এনএভি ছিল ১৫ টাকা ৯ পয়সা।

এবি ব্যাংক : কোম্পানিটির ২০১৯ আর্থিক বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের (এপ্রিল-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছরের একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ২৪ পয়সা। ২০১৯ আর্থিক বছরের ৬ মাসের (জানুয়ারী-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপএিস) হয়েছে ১৫ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছররে একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ৩৯ পয়সা। এদিকে ২০১৯ আর্থিক বছরের ৩০ জুন র্পযন্ত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ৩১ টাকা ৬৬ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছরের একই সময়ে এনএভি ছিল ৩২ টাকা ২ পয়সা।

ট্রাস্ট ব্যাংক: কোম্পানিটির ২০১৯ আর্থিক বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের (এপ্রিল-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৮ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছরের একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ২৩ পয়সা। ২০১৯ আর্থিক বছরের ৬ মাসের (জানুয়ারী-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছি ১ টাকা ৭৭ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছররে একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ৯৮ পয়সা। এদিকে ২০১৯ আর্থিক বছরের ৩০ জুন র্পযন্ত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ২৩ টাকা ৩৫ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছরের একই সময়ে এনএভি ১৯ টাকা ৫২ পয়সা।

আইএফআইসি ব্যাংক: কোম্পানিটির ২০১৯ আর্থিক বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের (এপ্রিল-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫৮ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছরের একই সময়ে ইপিএম হয়েছিল ১৫ পয়সা। ২০১৯ আর্থিক বছরের ৬ মাসের (জানুয়ারী-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপএিস) হয়েছে ১ টাকা ১ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছররে একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ৩৯ পয়সা। এদিকে ২০১৯ আর্থিক বছরের ৩০ জুন র্পযন্ত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১৭ টাকা ১২ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছরের একই সময়ে সম্পদ মূল্য ছিল ১৫ টাকা ৩৬ পয়সা।

রেকিট বেনকিজার: কোম্পানিটির ২০১৯ আর্থিক বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের (এপ্রিল-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২১ টাকা ৮২ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছরের একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ১২ টাকা ৩ পয়সা। ২০১৯ আর্থিক বছরের ৬ মাসের (জানুয়ারী-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩৭ টাকা ২৮ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছরের একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ১৯ টাকা ৩৭ পয়সা। এদিকে ২০১৯ আর্থিক বছরের ৩০ জুন র্পযন্ত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ৪৮ টাকা ৯০ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছরের একই সময়ে এনএভি ছিল ৩২ টাকা ১৫ পয়সা।

লংকাবাংলা ফাইন্যান্স : কোম্পানিটির ২০১৯ আর্থিক বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের (এপ্রিল-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪১ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছরের একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ৩৫ পয়সা। ২০১৯ আর্থিক বছরের ৬ মাসের (জানুয়ারী-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫২ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছরের একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ৫১ পয়সা। এদিকে ২০১৯ আর্থিক বছরের ৩০ জুন র্পযন্ত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১৮ টাকা ৭ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে এনএভি ছিল ১৯ টাকা ১৪ পয়সা।

উত্তরা ফাইন্যান্স: কোম্পানিটির ২০১৯ আর্থিক বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের (এপ্রিল-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩ টাকা ৪৩ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছরের একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ৪ টাকা ১ পয়সা। ২০১৯ আর্থিক বছরের ৬ মাসের (জানুয়ারী-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৬ টাকা ৫ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছরের একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ৫ টাকা ৮১ পয়সা। এদিকে ২০১৯ আর্থিক বছরের ৩০ জুন র্পযন্ত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ৬১ টাকা ৫ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে এনএভি ছিল ৫৫ টাকা।

মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক: কোম্পানিটির ২০১৯ আর্থিক বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের (এপ্রিল-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ৭৫ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছরের একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ৭৮ পয়সা। ২০১৯ আর্থিক বছরের ৬ মাসের (জানুয়ারী-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৪১ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছরের একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ১ টাকা ৩৬ পয়সা। এদিকে ২০১৯ আর্থিক বছরের ৩০ জুন র্পযন্ত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ২২ টাকা ৩০ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে এনএভি ছিল ১৯ টাকা ৮২ পয়সা।

রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্স: কোম্পানিটির ২০১৯ আর্থিক বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের (এপ্রিল-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৬৮ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছরের একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ১ টাকা ৫৮ পয়সা। ২০১৯ আর্থিক বছরের ৬ মাসের (জানুয়ারী-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি আয় (ইপএিস) হয়েছে ২ টাকা ৬৯ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছরের একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ২ টাকা ৩২ পয়সা। এদিকে ২০১৯ আর্থিক বছরের ৩০ জুন র্পযন্ত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ৫৪ টাকা ৩৬ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে এনএভি ছিল ৫৫ টাকা ২৯ পয়সা।

ঢাকা ইন্স্যুরেন্স: কোম্পানিটির ২০১৯ আর্থিক বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের (এপ্রিল-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪৯ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছরের একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ৪৫ পয়সা। ২০১৯ আর্থিক বছরের ৬ মাসের (জানুয়ারী-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ২ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছরের একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ৮৫ পয়সা। এদিকে ২০১৯ আর্থিক বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ২৩ টাকা ৫৪ পয়সা।
২০১৮ আর্থিক বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে এনএভি ছিল ২৪ টাকা ৬ পয়সা।

রূপালি লাইফ ইন্স্যুরেন্স: কোম্পানিটির ২০১৯ আর্থিক বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের (এপ্রিল-জুন) অ-নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, লাইফ ইন্স্যুরেন্স ফান্ড বেড়েছে ১ কোটি ৪২ লাখ ৪০ হাজার টাকা ও মোট লাইফ ইন্স্যুরেন্স ফান্ডের আকার দাঁড়িয়েছে ৪৫২ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। গত আর্থিক বছরের একই সময়ে কোম্পানির লাইফ ইন্স্যুরেন্স ফান্ড বেড়েছিল ১০ লাখ ৪০ হাজার টাকা ও মোট লাইফ ইন্স্যুরেন্স ফান্ডের আকার ছিল ৪২৭ কোটি ৮৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা। ২০১৯ আর্থিক বছরের ৬ মাসের (জানুয়ারী-জুন) অ-নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, লাইফ ইন্স্যুরেন্স ফান্ড বেড়েছে ১ কোটি ৯৯ লাখ ১০ হাজার টাকা ও মোট লাইফ ইন্স্যুরেন্স ফান্ডের আকার দাঁড়িয়েছে ৪৫২ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। গত আর্থিক বছরের একই সময়ে কোম্পানির লাইফ ইন্স্যুরেন্স ফান্ড বেড়েছিল ১ কোটি ৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও মোট লাইফ ইন্স্যুরেন্স ফান্ডের আকার ছিল ৪২৭ কোটি ৮৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা।

ব্যাংক এশিয়া: কোম্পানিটির ২০১৯ আর্থিক বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের (এপ্রিল-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪৭ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছরের একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ৫৪ পয়সা। ২০১৯ আর্থিক বছরের ৬ মাসের (জানুয়ারী-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৬ পয়সা। ২০১৮ আর্থিক বছরের একই সময়ে ইপিএস হয়েছিল ১ টাকা ৪ পয়সা। এদিকে ২০১৯ আর্থিক বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ২০ টাকা ৪৬ পয়সা।

দৈনিক শেয়ারবাজার প্রতিদিন/রী

Share
নিউজটি ৪০৬ বার পড়া হয়েছে ।
Tagged