নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের পুঁজিবাজারে কমোডিটি মার্কেট চালুর কার্যক্রম এখন শেষ পর্যায়ের প্রস্তুতিতে রয়েছে। বাজারটি কার্যকরভাবে চালু করতে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের প্রশিক্ষণ, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তিগত দক্ষতা উন্নয়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ পিএলসি (সিএসই)-এর মহাব্যবস্থাপক ও আইটি বিভাগের প্রধান মেজবাহ উদ্দিন। তাঁর মতে, সংশ্লিষ্টদের সমন্বিত ও সক্রিয় অংশগ্রহণ বাড়লে কমোডিটি মার্কেটের সুফল দ্রুত পাওয়া সম্ভব হবে।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) চট্টগ্রামে সিএসইর প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত দুই দিনব্যাপী ‘কমোডিটি ডেরিভেটিভস’ বিষয়ক সার্টিফিকেট প্রশিক্ষণের পঞ্চম ব্যাচের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।
সিএসই এবং ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ পিএলসি (ডিএসই)-এর ট্রেড ও পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেন। সিএসইর জনসংযোগ বিভাগের কর্মকর্তা তানিয়া বেগম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সিএসইর জেনারেল ম্যানেজার ও হেড অব রিস্ক ম্যানেজমেন্ট ডিভিশন মর্তুজা আলম এবং জেনারেল ম্যানেজার ও হেড অব বিজনেস অ্যান্ড মার্কেট ডেভেলপমেন্ট ডিভিশন মনিরুল হকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
মনিরুল হক তাঁর বক্তব্যে বলেন, ইক্যুইটি ও কমোডিটি বাজারের মধ্যে কাঠামোগত পার্থক্য রয়েছে। বিশেষ করে সেটেলমেন্ট প্রক্রিয়া, মার্জিন পদ্ধতি এবং ট্রেডিং ব্যবস্থায় এ ভিন্নতা স্পষ্ট। তিনি বৈশ্বিক বাজার পরিস্থিতি বিশ্লেষণের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, কমোডিটি মার্কেটের অন্যতম আকর্ষণ হলো লিভারেজ সুবিধা এবং তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ। তথ্যভাণ্ডার শক্তিশালী হলে দ্রুত ও কার্যকর সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হয়।
মর্তুজা আলম বলেন, স্বল্প সময়ের প্রশিক্ষণে পুরো কমোডিটি মার্কেট সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ ধারণা পাওয়া কঠিন। তবে এই প্রাথমিক কোর্স ভবিষ্যতের জন্য একটি দৃঢ় ভিত্তি তৈরি করবে। তিনি অংশগ্রহণকারীদের শেখা বিষয়গুলো নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে দক্ষতা বাড়ানোর আহ্বান জানান।
প্রশিক্ষণের মূল পর্বে কমোডিটি এক্সচেঞ্জ সংক্রান্ত নিয়ন্ত্রক কাঠামো, ব্যবসায়িক দিক ও প্রযুক্তিগত বিষয় উপস্থাপন করেন মর্তুজা আলম, কমোডিটি এক্সচেঞ্জ প্রকল্প সদস্য ফয়সাল হুদা ও হাবিবুল্লাহ এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার দিদারুল আলম। এছাড়া ভারতের মাল্টি কমোডিটি এক্সচেঞ্জ অব ইন্ডিয়া লিমিটেড (এমসিএক্স)-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট ও হেড অব রিসার্চ দেবজ্যোতি দে অনলাইনে যুক্ত হয়ে বক্তব্য দেন।


