নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) আজ সূচকের অস্বাভাবিক পতন লক্ষ্য করা গেছে। বাজার সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, বড় বিনিয়োগকারীরা শেয়ার বিক্রির চাপ সৃষ্টি করে বাজারে আতঙ্ক তৈরি করেছেন, যার ফলে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, মঙ্গলবার লেনদেনের শুরুতে সূচক ও লেনদেন স্বাভাবিক গতিতেই চলছিল। তবে সকাল ১১টার পর থেকে একটানা পতনের ধারা শুরু হয়। সূচক কিছু সময় উর্ধ্বমুখী হওয়ার চেষ্টা করলেও আগের অবস্থানে ফিরতে পারেনি এবং দিনশেষে সূচকের পাশাপাশি লেনদেনও উল্লেখযোগ্য হারে কমে যায়।
আজ ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৮৯.৩৩ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৫,৫৩৮.২৫ পয়েন্টে। অন্য দুই সূচকের মধ্যে ডিএসইএস সূচক ২১.২২ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১,২০৩.৯৮ পয়েন্টে এবং ডিএসই-৩০ সূচক ৯.১৫ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ২,১৫২.৮২ পয়েন্টে।
আজ ডিএসইতে মোট ৪০১টি প্রতিষ্ঠান লেনদেনে অংশ নেয়। এর মধ্যে ৬৮টির দর বেড়েছে, ৩০৫টির দর কমেছে এবং ২৮টির দর অপরিবর্তিত ছিল।
লেনদেনের টাকার অংকেও বড় ধরনের পতন হয়েছে। আজ ডিএসইতে মোট ১,১৭৭ কোটি ২৬ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়, যা আগের কার্যদিবসের ১,৪০০ কোটি ৮৪ লাখ টাকার তুলনায় ২২৩ কোটি ৫৮ লাখ টাকা কম।
বাজার সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, সাম্প্রতিক সময়ে সূচক ও লেনদেন বাড়লেও শেয়ারের দর একই হারে বাড়েনি। ফলে বড় বিনিয়োগকারীরা কৌশলগতভাবে আতঙ্ক সৃষ্টি করে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে কম দামে শেয়ার সংগ্রহের চেষ্টা করছে।
অন্যদিকে, অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচক কমলেও লেনদেনে সামান্য বৃদ্ধি হয়েছে। আজ সিএসইতে মোট ১৯ কোটি ৭৭ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে, যা আগের কার্যদিবসের ১৮ কোটি ৭৫ লাখ টাকার তুলনায় বেশি।
লেনদেনে অংশ নেয়া ২৪৩টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৪৭টির দর বেড়েছে, ১৬৮টির দর কমেছে এবং ২৮টির দর অপরিবর্তিত ছিল। তবে সিএসইর সূচক নিম্নমুখী ছিল। আজ সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ২১৪.১৩ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১৫,৫৫৮.৯৩ পয়েন্টে। আগেরদিন সূচক ৪৫.১১ পয়েন্ট বেড়েছিল।


