নিজস্ব প্রতিবেদক: শেয়ারবাজারে টানা পতনের পর গত সপ্তাহের শেষদিকে যে পুনরুজ্জীবনের লক্ষণ দেখা গিয়েছিল, তার ধাক্কা সামলে উঠতেই সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে ফের ধাক্কা খেলেন বিনিয়োগকারীরা। রবিবার লেনদেনের শুরুতে সূচক ইতিবাচক থাকলেও শেষ বেলায় ধারাবাহিক পতনের চিত্র স্পষ্ট হয়। দিনশেষে ডিএসইর প্রধান সূচক কমেছে ৩৫ পয়েন্টের বেশি এবং লেনদেন নেমে গেছে ৫৬৫ কোটির নিচে।
সপ্তাহের শুরুতে সূচক পতন
আজ ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৩৫.০৫ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৫,৩৮০.০৭ পয়েন্টে। অন্যদিকে, ডিএসইতে অন্য দুটি সূচকের মধ্যে ডিএসইএস সূচক ৬.৭১ পয়েন্ট কমে ১,১৬৪.৭৫ পয়েন্টে এবং ডিএসই-৩০ সূচক ১৭.০৯ পয়েন্ট কমে ২,০৮৫.৯৩ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
লেনদেনের ধস
আজ ডিএসইতে মোট ৩৯৬টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড লেনদেনে অংশ নেয়। এর মধ্যে ৭০টির দর বেড়েছে, ২৮২টির দর কমেছে এবং ৪৪টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে।
এদিন ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৫৬৪ কোটি ১৮ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৭০৮ কোটি ৯৪ লাখ টাকা। অর্থাৎ একদিনের ব্যবধানে লেনদেন কমেছে ১৪৪ কোটি ৭৬ লাখ টাকা।
বিনিয়োগকারীদের মনোভাব
বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, অল্প সময়ের মধ্যে বাজারে এমন ওঠানামা স্বাভাবিক। দীর্ঘমেয়াদী দৃষ্টিতে এ ধরনের সাময়িক পতন বিনিয়োগকারীদের জন্য নতুন সুযোগও তৈরি করতে পারে। তারা মনে করছেন, ক্ষণস্থায়ী ধসের মাঝেও কিছু শেয়ার দরবৃদ্ধি ও লেনদেনের ধারাবাহিকতা বাজারে সক্রিয় বিনিয়োগকারীদের উপস্থিতির প্রমাণ দিচ্ছে।
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও একই চিত্র
অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) আজ সূচক ও লেনদেন উভয় ক্ষেত্রেই পতন দেখা গেছে। এদিন সিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ১৩ কোটি ২৪ লাখ টাকা, যেখানে আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ২১ কোটি ৭১ লাখ টাকা।
সিএসইতে মোট ২০৬টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৪৮টির দর বেড়েছে, ১৩৬টির দর কমেছে এবং ২২টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে।
আজ সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৬৫.২৩ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১৫,০২৩.৪১ পয়েন্টে। উল্লেখ্য, আগের কার্যদিবসে সূচকটি বেড়েছিল ৬৫.৩৯ পয়েন্ট।


