সূচক কমলেও বেড়েছে লেনদেন

বাজারে চাপ থাকলেও মূলধন ও লেনদেনে শক্ত অবস্থান

সময়: শনিবার, ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬ ৪:৩৫:৫৮ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর গত সপ্তাহে দেশের শেয়ারবাজারে মিশ্র চিত্র দেখা গেছে। পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে চার দিনই দরপতন হলেও সপ্তাহ শেষে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)-এর বাজার মূলধন এক হাজার কোটির বেশি বেড়েছে। একই সঙ্গে উর্ধ্বমুখী ছিল প্রধান মূল্যসূচক এবং দৈনিক গড় লেনদেন।

নির্বাচনের পর প্রথম লেনদেন অনুষ্ঠিত হয় রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি)। ভোটগ্রহণ-পরবর্তী প্রথম কার্যদিবসে বাজারে বড় উত্থান দেখা যায়। অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিটের দাম বাড়ায় ডিএসইর প্রধান সূচক একদিনেই প্রায় ২০০ পয়েন্ট লাফিয়ে ওঠে। তবে পরবর্তী চার কার্যদিবসে টানা দরপতন হয়।

তারপরও সপ্তাহের শুরুতে বড় উত্থানের প্রভাবে সামগ্রিকভাবে সূচক ও বাজার মূলধনে ইতিবাচক প্রবণতা বজায় থাকে। গত সপ্তাহে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ২০৩টির শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। বিপরীতে ১৫৩টির দর কমেছে এবং ৩৩টির দর অপরিবর্তিত ছিল। অর্থাৎ মোট লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানের ৫২ দশমিক ১৮ শতাংশের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।

সপ্তাহ শেষে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ ১০ হাজার ৩৭ কোটি টাকা, যা আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ছিল ৭ লাখ ৮ হাজার ৯৭৭ কোটি টাকা। অর্থাৎ এক সপ্তাহের ব্যবধানে বাজার মূলধন বেড়েছে ১ হাজার ৬০ কোটি টাকা বা দশমিক ১৫ শতাংশ।

প্রধান সূচক ডিএসইএক্স সপ্তাহজুড়ে বেড়েছে ৬৫ দশমিক ৯৯ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ২২ শতাংশ। একই সময়ে ব্লু-চিপ কোম্পানিগুলো নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক বেড়েছে ৩৮ দশমিক ৯৩ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ৮৯ শতাংশ। তবে শরিয়াহভিত্তিক কোম্পানিগুলোর সমন্বয়ে গঠিত ডিএসই শরিয়াহ সূচক কমেছে ১ দশমিক ৮৭ পয়েন্ট বা দশমিক ১৭ শতাংশ।

লেনদেনের গতি বিবেচনায়ও ছিল ইতিবাচক ধারা। সপ্তাহজুড়ে প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ৫০ কোটি ৪ লাখ টাকা, যেখানে আগের সপ্তাহে দৈনিক গড় লেনদেন ছিল ৬৩৮ কোটি ২৮ লাখ টাকা। অর্থাৎ প্রতি কার্যদিবসে গড় লেনদেন বেড়েছে ৪১১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা বা ৬৪ দশমিক ৫১ শতাংশ।

সব মিলিয়ে, টানা চার কার্যদিবস পতন সত্ত্বেও সপ্তাহের শুরুতে বড় উত্থান বাজারের সার্বিক চিত্রকে ইতিবাচক রেখেছে।

 

Share
নিউজটি ৩ বার পড়া হয়েছে ।
Tagged