সূচক কমলেও বেড়েছে লেনদেন

বাজার নিয়ন্ত্রণে শিথিলতা, অস্থিরতায় আস্থা হারাচ্ছেন বিনিয়োগকারীরা

সময়: বুধবার, ডিসেম্বর ৩, ২০২৫ ৪:৩৭:২৫ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক : শেয়ারবাজারে নিয়ন্ত্রক সংস্থার পর্যাপ্ত মনিটরিং না থাকায় বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরে আসছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রায় প্রতিদিনই একই ধরনের দৃশ্য—একদিন সূচক বৃদ্ধি পেলেও দুই দিন পরই আবার পতন নেমে আসে। এই অস্থির পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে সক্রিয় রয়েছে একটি সুযোগসন্ধানী চক্র, যারা নিজেদের স্বার্থে বাজারকে কখনো ঊর্ধ্বমুখী করছে, আবার ইচ্ছামতো নিম্নমুখীও করছে। এর ফলে দীর্ঘমেয়াদে বাজারে স্থিরতা বজায় থাকছে না, আর ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। বাজারসংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এভাবে অস্থিতিশীলতা চলতে থাকলে বাজারে আস্থা সংকট আরও তীব্র হবে।

বাজার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমান বাজার পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে স্থিতিশীলতা ফেরাতে যথাযথ তৎপরতা নেই। বরং সাম্প্রতিক সময়ে নেওয়া একাধিক বিতর্কিত সিদ্ধান্ত বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা বাড়িয়ে দিয়েছে। তাদের মতে, সাধারণ বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষায় দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং বাজার মনিটরিং জোরদার করলে এই সংকট থেকে উত্তরণের সুযোগ তৈরি হবে।

বাজার পর্যালোচনায় দেখা গেছে, বুধবার সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ২৩.৪২ পয়েন্ট কমে ৪ হাজার ৯২৭.৪৯ পয়েন্টে নেমে আসে। একইদিন ডিএসইএস সূচক ৪.৮২ পয়েন্ট হ্রাস পেয়ে দাঁড়ায় ১ হাজার ৩৪.৩৯ পয়েন্টে এবং ডিএসই-৩০ সূচক ৭.৯৬ পয়েন্ট কমে অবস্থান নেয় ১ হাজার ৮৯৮.৩০ পয়েন্টে।

এদিন ডিএসইতে মোট ৩৯৪টি প্রতিষ্ঠান লেনদেনে অংশ নেয়। এর মধ্যে ৯৩টির শেয়ারদর বেড়েছে, কমেছে ২৩৬টির এবং ৬৫টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে। লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪০৫ কোটি ৪১ লাখ টাকা, যা আগের দিনের ৩৭৯ কোটি ৭ লাখ টাকার তুলনায় ২৬ কোটি ৩৪ লাখ টাকা বেশি।

অপরদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) বুধবার লেনদেন হয়েছে ১৩ কোটি ৪ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট। আগের দিনে লেনদেন হয়েছিল ১২ কোটি ৫১ লাখ টাকা।

সিএসইতে লেনদেন হওয়া ১৮১টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৭১টির দর বেড়েছে, কমেছে ৮৪টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৬টির শেয়ারদর। এদিন সিএএসপিআই সূচক ১০.৬৫ পয়েন্ট কমে দাঁড়ায় ১৩ হাজার ৮৪০.৫০ পয়েন্টে, যেখানে আগেরদিন সূচকটি কমেছিল ১.৯২ পয়েন্ট।

Share
নিউজটি ৮৪ বার পড়া হয়েছে ।
Tagged