বাজার স্থিতিশীলতায় সহায়তা: নেগেটিভ ইক্যুইটি মোকাবিলায় বিএসইসির নতুন সিদ্ধান্ত

সময়: মঙ্গলবার, অক্টোবর ২১, ২০২৫ ১১:৫৩:১২ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক: নেগেটিভ ইক্যুইটি ও আনরিয়েলাইজড লসের বিপরীতে প্রভিশন সংরক্ষণ এবং ক্ষতি সমন্বয়ের সুযোগ দিতে দুইটি প্রতিষ্ঠানকে দীর্ঘমেয়াদি সময়সীমা দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। প্রতিষ্ঠান দুটি হলো— জনতা ক্যাপিটাল অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড এবং প্রিমিয়ার ব্যাংক সিকিউরিটিজ লিমিটেড।

মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) বিএসইসির ৯৭৮তম কমিশন সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভা শেষে কমিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে বিষয়টি জানা গেছে।

বিএসইসির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, জনতা ক্যাপিটাল অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড-কে ২০৩০ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, প্রিমিয়ার ব্যাংক সিকিউরিটিজ লিমিটেড-কে আরও দুই বছর বাড়তি সময় অর্থাৎ ২০৩২ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়সীমা দেওয়া হয়েছে।
এই সময়ের মধ্যে প্রতিষ্ঠানগুলোকে নেগেটিভ ইক্যুইটি এবং আনরিয়েলাইজড লসের বিপরীতে প্রভিশন সংরক্ষণ ও ক্ষতি সমন্বয়ের কাজ সম্পন্ন করতে হবে।

এর আগে বিএসইসি দেশের সব স্টক ব্রোকার ও মার্চেন্ট ব্যাংকারদের কাছ থেকে নিজ নিজ বোর্ড অনুমোদিত অ্যাকশন প্ল্যান জমা দিতে বলেছিল— যাতে প্রতিষ্ঠানগুলো কিভাবে নেগেটিভ ইক্যুইটি ও আনরিয়েলাইজড লস মোকাবিলা করবে তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকে।
ওই অ্যাকশন প্ল্যান পর্যালোচনা করেই কমিশন আলোচিত দুই প্রতিষ্ঠানের জন্য বাড়তি সময় মঞ্জুর করেছে।

বিএসইসির পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে,

“স্টক ব্রোকার ও মার্চেন্ট ব্যাংকার কর্তৃক কমিশনের নিকট দাখিল করা বোর্ড অনুমোদিত অ্যাকশন প্ল্যান বিবেচনা করে নেগেটিভ ইক্যুইটি ও আনরিয়েলাইজড লসের বিপরীতে প্রভিশন সংরক্ষণ ও সমন্বয়ের সময়সীমা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।”

এছাড়া কমিশন জানিয়েছে, এই প্রক্রিয়ার সময় নেট ওয়ার্থ ঘাটতি সংক্রান্ত কিছু বিধান পরিপালনে শিথিলতা রাখা হবে, যাতে প্রতিষ্ঠানগুলো আর্থিক ভারসাম্য পুনরুদ্ধারে বাস্তবসম্মত সুযোগ পায়।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, বিএসইসির এই পদক্ষেপটি মূলত দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতিগ্রস্ত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে পুনরুদ্ধারের সুযোগ দেয় এবং শেয়ারবাজারের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

 

Share
নিউজটি ৭৬ বার পড়া হয়েছে ।
Tagged