নিজস্ব প্রতিবেদক: সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সকাল থেকে অস্থির পরিস্থিতি বিরাজ করলেও দিনশেষে উত্থানে লেনদেন শেষ হয়েছে। এতে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। এর আগে রবিবারের নেতিবাচক লেনদেন চিত্রে অনেকেই আশা করেছিলেন সপ্তাহের শুরুতে বাজার ইতিবাচক থাকবে। তবে সোমবার সকাল ১১টার পর টানা পতনে বাজারে অস্থিরতা তৈরি হলেও শেষ বেলায় সূচক ঘুরে দাঁড়ায়।
সূচকের ওঠানামা
বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, সোমবার লেনদেনের শুরুতে সূচক বাড়লেও কিছুক্ষণ পর তা কমে যায়। তবে বেলা ১১টার মধ্যে সূচক বেড়ে ৫ হাজার ৪০৩ পয়েন্টে পৌঁছায়। এরপর সূচক নেমে তলানিতে ঠেকলেও দুপুর ২টার পর থেকে একটানা বাড়তে থাকে। দিনশেষে সূচকের পাশাপাশি টাকার অঙ্কে লেনদেনও বেড়েছে। একই সঙ্গে লেনদেনে অংশ নেওয়া বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের দর বৃদ্ধি পেয়েছে।
ডিএসইর সূচক ও লেনদেন
দিনশেষে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৯.৭০ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৩৮৯.৭৭ পয়েন্টে। তবে অন্য দুই সূচকের মধ্যে ডিএসইএস ০.৯৬ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৬৩.৭৯ পয়েন্টে এবং ডিএসই-৩০ সূচক ১.২৯ পয়েন্ট কমে ২ হাজার ৮৪.৬৩ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
ডিএসইতে মোট ৩৯৭টি প্রতিষ্ঠান লেনদেনে অংশ নেয়। এর মধ্যে ২১২টির দর বেড়েছে, ১০৫টির দর কমেছে এবং ৮০টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে।
আজকের লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫৯৯ কোটি ৩৩ লাখ টাকা। এর আগের কর্মদিবসে লেনদেন হয়েছিল ৫৬৪ কোটি ১৮ লাখ টাকা। অর্থাৎ একদিনের ব্যবধানে লেনদেন বেড়েছে ৩৫ কোটি ১৫ লাখ টাকা।
সিএসইর লেনদেন ও সূচক
অপরদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচক বেড়েছে, তবে লেনদেন কমেছে। এদিন সিএসইতে ১২ কোটি ৭৩ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়। আগেরদিন লেনদেন হয়েছিল ১৩ কোটি ২৪ লাখ টাকা।
সিএসইতে মোট ১৯৭টি প্রতিষ্ঠান লেনদেনে অংশ নেয়। এর মধ্যে ৭৮টির দর বেড়েছে, ৮৭টির দর কমেছে এবং ৩২টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে।
দিনশেষে সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৪.৪২ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫ হাজার ২৭.৯৩ পয়েন্টে। উল্লেখ্য, আগের কর্মদিবসে সূচক কমেছিল ৬৫.২৩ পয়েন্ট।


