নিজস্ব প্রতিবেদক : ২০২৫ সালে দেশের শেয়ারবাজারে সূচকের পাশাপাশি টাকার অংকে লেনদেন কমেছে। তবে এই নেতিবাচক পরিস্থিতির মধ্যেও শেয়ারবাজারে প্রায় ৯ লাখ কোটি টাকার নতুন মূলধন যুক্ত হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বার্ষিক বাজার পর্যালোচনায় এসব তথ্য উঠে এসেছে।
সমাপ্ত অর্থবছরে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স প্রায় ৩৫৩ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৮৬৫ পয়েন্টে। বছরের শুরুতে, অর্থাৎ ১ জানুয়ারি ডিএসইএক্সের অবস্থান ছিল ৫ হাজার ২১৮ পয়েন্টে।
এছাড়া অন্যান্য সূচকেও পতনের প্রবণতা দেখা গেছে। ডিএসই শরিয়াহ সূচক (ডিএসইএস) প্রায় ১৬৪ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ হাজার ১ পয়েন্টে, যেখানে বছরের শুরুতে সূচকটি ছিল ১ হাজার ১৬৫ পয়েন্ট। অপরদিকে, ডিএসই-৩০ সূচক প্রায় ৮৮ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৮৫৪ পয়েন্টে, যা বছরের শুরুতে ছিল প্রায় ১ হাজার ৯৪২ পয়েন্ট।
ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, বছরজুড়ে মোট ৪ হাজার ৫২৪ কোটি ৭৪ লাখ ২৯ হাজার ৩৩৯টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এসব শেয়ার ৩ কোটি ৮৮ লাখ ৯৪ হাজার ৮২২বার হাতবদল হয়। এতে মোট লেনদেনের বাজারমূল্য দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ২৫ হাজার ১৪৮ কোটি ৭৬ লাখ ৪৫ হাজার টাকা। আগের বছর ২০২৪ সালে একই সময়ে লেনদেনের পরিমাণ ছিল ১ লাখ ৪৮ হাজার ৫১২ কোটি ১০ লাখ টাকা। ফলে এক বছরের ব্যবধানে শেয়ার লেনদেন কমেছে ২৩ হাজার ৩৬৩ কোটি ৩০ লাখ টাকা।
তবে লেনদেন কমলেও বাজার মূলধনে উল্টো চিত্র দেখা গেছে। ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত ডিএসইর মোট বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ১৬ কোটি ৪১ লাখ ১৭ হাজার ৭২৩ কোটি ৯০ লাখ টাকা, যা আগের বছরের তুলনায় ৮ লাখ ৬৮ হাজার ৫৩১ কোটি ৭০ লাখ টাকা বেশি। ২০২৪ সালে একই সময়ে ডিএসইর বাজার মূলধন ছিল ১৬ কোটি ৩২ লাখ ৪৯ হাজার ১৯২ কোটি ২০ লাখ টাকা।
ডিএসইর বার্ষিক পর্যালোচনায় আরও উল্লেখ করা হয়, ২০২৫ সালে শেয়ারবাজারে মোট ২৪০টি কর্মদিবসে লেনদেন হয়েছে। আগের বছর এ সংখ্যা ছিল ২৩৫ কর্মদিবস।


