৮ কোটি টাকার অনিরাপদ ঋণসহ নানা অভিযোগে কেএইচবি সিকিউরিটিজ তদন্তের আওতায়

সময়: বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ৪, ২০২৫ ২:০৯:৩০ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সদস্যভুক্ত ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠান কেএইচবি সিকিউরিটিজ লিমিটেড (ট্রেক-১৪৩)–এর বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন অনিয়ম ও বিধিভঙ্গের অভিযোগ যাচাইয়ে আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এ জন্য কমিশন তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে, যাদের ৬০ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, কোনো আনুষ্ঠানিক চুক্তি ছাড়াই ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স লিমিটেড থেকে ৮ কোটি টাকার অনিরাপদ ঋণ গ্রহণের বিষয়টি তদন্তের মূল কেন্দ্রবিন্দু বলে বিবেচিত হচ্ছে। এ নিয়ে বিএসইসির মার্কেট ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন ডিভিশন থেকে আদেশ জারি করে কেএইচবি সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বা প্রধান নির্বাহীর কাছে পাঠানো হয়েছে।

গঠিত কমিটিতে রয়েছেন—বিএসইসির অতিরিক্ত পরিচালক মো. ইউসুফ ভূঁইয়া, সহকারী পরিচালক মো. কামাল হোসেন, এবং ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ ইকরাম হোসেন। তারা ব্রোকারেজ হাউসটির সার্বিক কার্যক্রম পর্যালোচনা করবেন।

বিএসইসি জানায়, শেয়ারবাজারের স্থিতিশীলতা এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষার স্বার্থে কেএইচবি সিকিউরিটিজের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো গভীরভাবে খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। এজন্য সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অর্ডিন্যান্স, ১৯৬৯–এর সেকশন ২১ এবং বিএসইসি আইন, ১৯৯৩–এর ধারা ১৭(ক) অনুযায়ী তদন্ত কমিটিকে প্রয়োজনীয় ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে।

তদন্ত টিমের যাচাই-বাছাইয়ের অন্তর্ভুক্ত বিষয়গুলো হলো— কোনো চুক্তি ছাড়া নেওয়া ৮ কোটি টাকার অনিরাপদ ঋণ, যাচাইযোগ্য নয় এমন লিজ অ্যাকাউন্ট সমন্বয়, ২০ কোটি ৩০ লাখ টাকার অ-উদ্ধৃত শেয়ারে অনিরাপদ বিনিয়োগ, শেয়ারহোল্ডার পি অ্যান্ড এল ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য নিয়ন্ত্রক ঝুঁকি, ২০১৯ সালের মার্চ থেকে আরজেএসসিতে ফাইলিং–সংক্রান্ত বিভিন্ন নন-কমপ্লায়েন্স, এবং অন্যান্য আর্থিক অনিয়ম ও ঝুঁকি।

Share
নিউজটি ৯২ বার পড়া হয়েছে ।
Tagged