সূচক কমলেও বেড়েছে লেনদেন

বিদায়ী সপ্তাহে সূচকের পাশাপাশি লেনদেন কমেছে

সময়: শুক্রবার, মে ২৪, ২০২৪ ৯:০৪:১২ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক : বিদায়ী সপ্তাহেও (১৯-২৩ মে) ধারাবাহিক দরপতন হয়েছে। আলোচ্য সপ্তাহে বৌদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে একদিন বন্ধ ছিল শেয়ারবাজারের লেনদেন। যে কারণে ৪দিন লেনদেন হয়েছে। এই ৪ দিনে ধারাবাহিক দরপতন হয়েছে। এর ফলে সূচকের পাশাপাশি টাকার অংকে লেনদেন কমেছে।

সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ২০৫.০২ পয়েন্ট বা ৩.৭২ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৩১২.৪০ পয়েন্টে।

অপর সূচকগুলোর মধ্যে ডিএসই শরিয়াহ সূচক ডিএসইএস ৫২.৬২ পয়েন্ট বা ৪.৩৪ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে এক হাজার ১৫৯.৫৪ পয়েন্টে।

ডিএসই-৩০ সূচক ৬৬.২৯ পয়েন্ট বা ৩.৩৬ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৯০৭.৭০ পয়েন্টে।

এছাড়া, ডিএসএমইএক্স সূচক ৩৬.৭১ পয়েন্ট বা ২.৩১ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৫৫২.৭০ পয়েন্টে।

বিদায়ী সপ্তাহে ডিএসইতে মোট ৩৮৬টি প্রতিষ্ঠান লেনদেনে অংশ নিয়েছে।

এর মধ্যে দর বেড়েছে ২৮টি, কমেছে ৩৩৮টি এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২০টি প্রতিষ্ঠানের।

বিদায়ী সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ৫৫ কোটি ৬৬ লাখ ২০ হাজার শেয়ার ৪ লাখ ৭৯ হাজার ১৫৪বার হাতবদল হয়।

টাকার অংকে যার বাজার মূল্য দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৭০ কোটি ২ লাখ ৯০ হাজার টাকা।

আর আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল ৩ হাজার ৮২১ কোটি ৪১ লাখ ৫০ হাজার টাকার।

অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইতে লেনদেন কমেছে ১ হাজার ৭৫১ কোটি ৩৮ লাখ ৬০ হাজার টাকা বা ৪৫.৮৩ শতাংশ।

বিদায়ী সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস লেনদেন শুরুর আগে ডিএসইতে বাজার মূলধন ছিল ৭ লাখ ১ হাজার ৮২৪ কোটি ৫৬ লাখ ৯০ হাজার টাকা।

আর সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস লেনদেন শেষে বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৫৩ হাজার ৬৬ কোটি ৭২ লাখ ৬০ হাজার টাকায়।

অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে বাজার মূলধন কমেছে ৪৮ হাজার ৭৫৭ কোটি ৮৪ লাখ ৩০ হাজার টাকা বা ৬.৯৫ শতাংশ।

অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) বিদায়ী সপ্তাহে সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৬০৩.১৬ পয়েন্ট বা ৩.৭৬ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১৫ হাজার ৪০৩.৩৭ পয়েন্টে।

সিএসইর অপর সূচক সিএসসিএক্স ৩৭২.৮৩ পয়েন্ট বা ৩.৮৬ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৯ হাজার ২৬৪.৮৬ পয়েন্টে।

অপর ২টি সূচকের মধ্যে সিএসই-৫০ সূচক ৪২.৮৯ পয়েন্ট বা ৩.৭৮ শতাংশ এবং সিএসআই সূচক ৩৯.৪৯ পয়েন্ট বা ৩.৭৭ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে- এক হাজার ৯১.০৯ পয়েন্টে এবং এক হাজার ৬.৭৫ পয়েন্টে।

এছাড়া সিএসই-৩০ সূচক ৪১২.৭৩ পয়েন্ট বা ৩.৩৭ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১১ হাজার ৮০১.১৮ পয়েন্টে।

সপ্তাহজুড়ে সিএসইতে ৩০৫টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট লেনদেনে অংশ নিয়েছে।

এর মধ্যে দর বেড়েছে ৩৯টি, কমেছে ২৫২টি এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৪টির।

সপ্তাহটিতে টাকার পরিমাণে লেনদেন হয়েছে ১৫৫ কোটি ৮ লাখ ৫৬ হাজার ৪৩৯ টাকার।

আর আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল ২১৩ কোটি ৩০ লাখ ৪৭ হাজার ৭৭৭ টাকার।

অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে সিএসইতে লেনদেন ৫৮ কোটি ২২ লাখ ২১ হাজার ৩৩৮ টাকা বা ২৭.২৯ শতাংশ কমেছে।

সাপ্তাহিক রিটার্নে দর কমেছে ১৯ খাতের
নিজস্ব প্রতিবেদক : বিদায়ী সপ্তাহে (১৯-২৩ মে) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সাপ্তাহিক রিটার্নে ১৯ খাতে দর কমেছে। এর ফলে এই ১৯ খাতের বিনিয়োগকারীরা লোকসানে রয়েছে। একই সময়ে দর বেড়েছে ২ খাতের। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা যায়, আলোচ্য সপ্তাহে সবচেয়ে বেশি দর কমেছে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে। এ খাতে বিদায়ী সপ্তাহে দর কমেছে ৫২.৭২ শতাংশ। ৮.৪৬ শতাংশ দর কমে তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে সেবা ও আবাসন খাত। একই সময়ে ৮.৩৪ শতাংশ দর কমে তালিকার তৃতীয় স্থানে অবস্থান করছে আর্থিক খাত।

তালিকায় থাকা অন্য খাতগুলোর মধ্যে- সিরামিক খাতে ৭.৩৮ শতাংশ, তথ্য প্রযুক্তি খাতে ৭.২০ শতাংশ, লাইফ ইন্স্যুরেন্স খাতে ৭.০৫ শতাংশ, কাগজ ও প্রকাশনা খাতে ৬.৯১ শতাংশ, প্রকৌশল খাতে ৬.১৭ শতাংশ, ভ্রমণ ও অবকাশ খাতে ৫.৮৬ শতাংশ, জেনারেল ইন্স্যুরেন্স খাতে ৫.৮২ শতাংশ, চামড়া খাতে ৫.৭৬ শতাংশ, সিমেন্ট খাতে ৫.৫৩ শতাংশ, খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতে ৪.৪৯ শতাংশ, বস্ত্র খাতে ৫.১০ শতাংশ, ওষুধ ও রসায়ন খাতে ৩.৯৩ শতাংশ, মিউচ্যুয়াল ফান্ড খাতে ২.২১ শতাংশ, ব্যাংক খাতে ২.০৯ শতাংশ, বিবিধ খাতে ২.০৮ শতাংশ এবং কর্পোরেট বন্ড খাতে ১.৩৬ শতাংশ দর কমেছে।

এদিকে, সাপ্তাহিক রিটার্নে সবচেয় বেশি দর বেড়েছে টেলিকমিউনিকেশন খাতে। এই খাতে দর বেড়েছে ০.৩১ শতাংশ এবং ০.১৪ শতাংশ দর বেড়েছে পাট খাতে।

 

 

Share
নিউজটি ৩২৪ বার পড়া হয়েছে ।
Tagged