নিজস্ব প্রতিবেদক, ৩০ এপ্রিল : সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে সামান্য পতনের মধ্য দিয়ে লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই)। পাশাপাশি কমেছে লেনদেনের পরিমাণ ও দর। তবে বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, এই পতন স্বাভাবিক এবং টেকসই স্থিতিশীলতার লক্ষণ বহন করছে।
বৃহস্পতিবার ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৩০.৪৯ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ২৮৬.৮৭ পয়েন্টে। অপর দুই সূচকের মধ্যে ডিএসইএস ২.৬৬ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৫২.৭৯ পয়েন্ট এবং ডিএসই-৩০ সূচক ৩.৮৬ পয়েন্ট কমে ২ হাজার ১৭ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৮৯টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১১৩টির দর বেড়েছে, ২২০টির দর কমেছে এবং ৫৬টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে। মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৮৬৪ কোটি ২ লাখ টাকা, যা আগের দিনের তুলনায় ২৩ কোটি ৭৫ লাখ টাকা কম।
অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) পতন দেখা গেছে। সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৯৩.৯৪ পয়েন্ট কমে ১৪ হাজার ৮০৫.৯৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। সেখানে ১৯৯টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দর বেড়েছে ৬৫টির, কমেছে ১১৪টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২০টির। লেনদেন হয়েছে ৪৮ কোটি ৩৩ লাখ টাকা।
বাজার সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, সূচকের ওঠানামা বাজারের জন্য স্বাভাবিক। একটানা উত্থান বা পতন স্থায়ী স্থিতিশীলতা আনে না, বরং তা নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। আজকের পতন স্বাভাবিক ও সীমিত—যা বাজারকে স্থিতিশীলতার পথে নিয়ে যাচ্ছে বলে মনে করছেন তারা।


