দেশের মর্যাদা বৃদ্ধিতে কাজ করার জন্য নৌবাহিনীর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

সময়: সোমবার, ডিসেম্বর ২৩, ২০১৯ ৮:১৩:৫০ পূর্বাহ্ণ


নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নৌবাহিনীর কর্মকর্তাদের দেশের সুনাম ও মর্যাদা বৃদ্ধির জন্য সততা, নিষ্ঠা এবং একাগ্রতার সঙ্গে ত্যাগের মনোভাব নিয়ে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজকে আপনারা যারা কঠোর প্রশিক্ষণের পর কাজে যোগ দেবেন তাদের আত্মত্যাগের মন্ত্রে উজ্জীবিত হয়ে সততা, নিষ্ঠা এবং একাগ্রতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে দেশের মান-সম্মান আরো উজ্জ্বল করতে হবে।’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গতকাল রোববার পতেঙ্গায় বাংলাদেশ নৌবাহিনী একাডেমীতে ‘মিডশিপম্যান-২০১৭ আলফা’ এবং ‘ডাইরেক্ট এন্ট্রি অফিসার-২০১৯ ব্রাভো’ ব্যাচের শিক্ষা সমাপনী উপলক্ষে বিদায়ী ক্যাডেটদের রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজ, ২০১৯ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে একথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী মনোজ্ঞ কুচকওয়াজ পরিদর্শন ও সালাম গ্রহণ করেন।
এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ নৌবাহিনীর নৌদিবস উপলক্ষে ১৯৭৪ সালের ১০ ডিসেম্বর চট্টগ্রামে জাতির পিতার প্রদত্ত ভাষণের উল্লেখযোগ্য অংশ উদ্ধৃত করেন।
‘আমার দেশের মানুষ আমার কথা শুনেছিল বলেই আজ বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে। আজ তোমরা যদি আমার কথা শোনো, যদি শৃঙ্খলা বজায় রাখো, যদি উপরওয়ালার হুকুম মানো, অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াও এবং সৎ পথে থাকো, ইনশাআল্লাহ, দেখবে সোনার বাংলা সোনার বাংলাই হবে।’
আমাদের সমুদ্র সীমায় থাকা সম্পদের প্রসঙ্গ টেনে একে কাজে লাগানোর ওপরও গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘আমাদের সমুদ্রসীমায় রয়েছে অপার সম্ভাবনা। এ সমুদ্র সম্পদকে দেশের অর্থনীতিতে আমাদের কাজে লাগাতে হবে।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী কোর্স সম্পন্ন করে কমিশন লাভকারী ৭২ জন নবীন কর্মকর্তার মধ্য থেকে কৃতিত্বের অধিকারী কর্মকর্তাদের মাঝে বিভিন্ন পুরস্কার বিতরণ করেন। পাসিং আউট কর্মকর্তাদের মধ্যে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ২০১৭/এ ব্যাচের ৬১ জন মিডশিপম্যান এবং ২০১৯/বি ব্যাচের ১১ জন ডাইরেক্ট এন্ট্রি অফিসার রয়েছেন। যার মধ্যে ৭ জন মহিলা এবং ২ জন মালদ্বীপের কর্মকর্তা রয়েছেন।
মিডশিপম্যান ২০১৭/এ ব্যাচের রাইয়ান রহমান সকল বিষয়ে সর্বোচ্চ মান অর্জন করে সেরা চৌকষ মিডশিপম্যান হিসেবে ‘সোর্ড অব অনার’ লাভ করেন।
এছাড়া মিডশিপম্যান মো. সাইদিস সাকলাইন মিরান প্রশিক্ষণে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মান অর্জনকারী হিসেবে ‘নৌ’ স্বর্ণ পদক’ এবং ডাইরেক্ট এন্ট্রি অফিসার ২০১৯/বি ব্যাচ থেকে অ্যাক্টিং সাব লেফটেন্যান্ট মো. কামরুজ্জামান শ্রেষ্ঠ ফলাফল অর্জনকারী হিসেবে ‘বীর শ্রেষ্ঠ রহুল আমিন স্বর্ণপদক’ লাভ করেন।
প্রধানমন্ত্রী নবীন কর্মকর্তাদের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, ‘দেশ মাতৃকার নিরাপত্তা রক্ষার্থে আপনারাই হবেন এই নৌবাহিনীর ভবিষ্যৎ দিক নির্দেশক। ’
তথ্যমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের নবনির্বাচিত যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ, ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাসির উদ্দিন, আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, মেজর জেনারেল (অব.) মোহাম্মাদ সুবিদ আলী ভূঁইয়া এবং শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল অন্যদের মধ্যে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল আওরঙ্গজেব চৌধুরী, বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবাত, পিএমও সচিব সাজ্জাদুল হাসান, প্রেস সচিব ইহসানুল করিমসহ উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ১৯৯৬ সালে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নৌবাহিনীকে একটি যুগোপযোগী ও অত্যাধুনিক বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার জন্য বিভিন্ন বাস্তবমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
সেসময় তার সরকার অবকাঠামোগত উন্নয়ন, যুদ্ধজাহাজ সংগ্রহ এবং বিদ্যমান জাহাজসমূহের অপারেশনাল সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘সে সময় জাতির পিতার প্রণীত প্রতিরক্ষা নীতির আলোকে ‘ফোর্সেস গোল ২০৩০’ প্রণয়ন করে এর বাস্তবায়ন শুরু করি।’ সেই থেকে একটানা তিনবার সরকার গঠনের ফলে তার সরকারের উদ্যোগে এখন পর্যন্ত নৌবাহিনীতে মোট ২৭টি যুদ্ধ জাহাজ, দক্ষ কমান্ডো ও উদ্ধারকারী দল তথা ‘স্পেশাল ওয়ারফেয়ার ডাইভিং অ্যান্ড স্যালভেজ কমান্ড’ এবং নৌবাহিনীর বৈমানিক দল বা এভিয়েশান উইং সৃষ্টি করা হয়েছে। শেখ হাসিনা বলেন, সরকার ২০১৭ সালে নৌবহরে ২টি অত্যধুনিক সাবমেরিন সংযোজন করার ফলে বাংলাদেশ নৌবাহিনীকে একটি পূর্ণ ত্রিমাত্রিক নৌবাহিনীতে রূপান্তরিত করতে সক্ষম হয়েছে। তিনি বলেন, ‘একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায়, আঞ্চলিক ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায়, নৌবাহিনীতে উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার করে সক্ষমতা অর্জনের লক্ষ্যে আমাদের সরকার এ বাহিনীর উত্তরোত্তর উন্নতি সাধন করে যাচ্ছে।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় বাংলাদেশ নৌবাহিনীর দক্ষ ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড ৫টি পেট্রোল ক্রাফট ও ২টি লার্জ পেট্রোল ক্রাফট নির্মাণের মাধ্যমে দেশে যুদ্ধজাহাজ নির্মাণের ক্ষেত্রে নতুন মাইলফলক স্থাপন করেছে। সেখানে আরও ৫টি পেট্রোল ক্রাফট নির্মাণকাজ চলমান আছে। এছাড়া বাংলাদেশ নৌবাহিনী কর্তৃক পরিচালিত চট্টগ্রাম ড্রাইডক লিমিটেডে ৬টি আধুনিক সমরাস্ত্র সজ্জিত বড় আকারের ফ্রিগেট নির্মাণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। নৌবাহিনী তিন বাহিনীর জন্য আইএফএফ সিস্টেম প্রস্তুত করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সম্প্রতি ঢাকার খিলক্ষেত এলাকায় বানৌজা শেখ মুজিব ঘাঁটি কমিশন করা হয়েছে।
তিনি বলেন, নৌবাহিনীর বৃহৎ দু’টি ঘাঁটি বানৌজা শেরে বাংলা এবং সাবমেরিন ঘাঁটি বানৌজা শেখ হাসিনার কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে এবং নৌসেনা ও নাবিকদের প্রশিক্ষণ ও জীবনমানের উন্নয়নের লক্ষ্যে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনা নৌ-অঞ্চলে মোট ২২টি বহুতল ভবন ও সাভারে নৌবাহিনীর টাউনশিপ প্রকল্প উদ্বোধন করা হয়েছে।
নৌবাহিনীর সকল সদস্যকে শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সামরিক পরিমণ্ডল ছাড়াও নারীর ক্ষমতায়ন, বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের আবাসন প্রকল্পসহ সুনীল অর্থনীতির বিকাশ ইত্যাদি বহুমুখী কার্যক্রমে নৌবাহিনীর ভূমিকা দেশের নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক বিকাশে সহায়ক ভূমিকা রাখছে।
প্রধানমন্ত্রী মুক্তিযুদ্ধে নৌবাহিনীর সদস্যদের বীরত্ব এবং বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ রুহুল আমিনসহ বীর নৌকমান্ডোদের আত্মত্যাগের কথা শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, আমাদের মুক্তিবাহিনীর দুর্ধর্ষ নৌ-কমান্ডোগণ চট্টগ্রাম ও মোংলা সমুদ্রবন্দরসহ চাঁদপুর ও নারায়ণগঞ্জ নদীবন্দর এলাকায় হামলা চালিয়ে পাকিস্তানী শত্রুবাহিনীর বেশ কয়েকটি যুদ্ধজাহাজ ধ্বংস করে দিয়েছিল, যা ইতিহাসে ‘অপারেশন জ্যাকপট’ নামে পরিচিত।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘স্বাধীনতার পর প্রায় শূন্য থেকে বঙ্গবন্ধুর প্রচেষ্টায় ২টি পেট্রোল ক্র্যাফট নিয়ে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। এরপর ১৯৭৪ সালে বঙ্গবন্ধু নৌবাহিনীর সকল প্রধান ঘাঁটিসমূহকে একযোগে কমিশন প্রদান করেন।’ তিনি বলেন, জাতির পিতা তার দূরদর্শী নেতৃত্ব দিয়ে ‘দ্যা টেরিটোরিয়াল ওয়াটারস অ্যান্ড মেরিটাইম জোনস অ্যাক্ট, ১৯৭৪’ প্রণয়ন করেছিলেন, যার ফলে আমাদের বিশাল সমুদ্রসীমা অর্জন সম্ভব হয়েছে। বঙ্গবন্ধু নৌবাহিনীকে বিশ্ব মানের করে গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা একে তাই বিশ্ব মানের করে গড়ে তুলেছি।
শেখ হাসিনা বলেন, দেশের তরুণ প্রজন্মের মধ্য থেকে সামরিক বাহিনীর জন্য যোগ্য নেতৃত্ব গড়ে তোলার লক্ষ্যে আন্তর্জাতিকমানের সামরিক একাডেমি প্রতিষ্ঠা ছিল বঙ্গবন্ধুর লালিত স্বপ্ন। তিনি বলেন, ‘জাতির পিতার সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আধুনিক প্রশিক্ষণ সুবিধা স¤¦লিত ‘বঙ্গবন্ধু কমপ্লেক্স’ ২০১৮ সালের ২১ মার্চ উদ্বোধন করা হয়। এই কমপ্লেক্সের মাধ্যমে নেভাল একাডেমিতে প্রশিক্ষণ সুবিধা আজ আন্তর্জাতিকমানে উন্নীত হয়েছে।’ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও জাতীয় প্রয়োজনে নৌবাহিনীর সদস্যগণ সিভিল প্রশাসনের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে উপকূলীয় অঞ্চলে কাজ করে থাকে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী এজন্য নৌবাহিনীর সদস্যদের ধন্যবাদ জানান।
তিনি বলেন, ‘জাতীয় স্বার্থে সহযোগিতার মনোভাব নিয়ে ভবিষ্যতেও সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাচ্ছি।’
প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানে উপস্থিত অভিভাবকদেরকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, ‘আপনাদের সুযোগ্য সন্তানরা দেশ মাতৃকার সেবায় জীবনপণ শপথ নিয়ে নৌবাহিনীতে অফিসার পদে কমিশন পেয়েছে। এ গৌরবময় ফলাফলের অংশীদার আপনারাও।’ তাদের ছেলেমেয়েরা যেন ‘বীরত্ব এবং দেশপ্রেমের উদাহরণ হতে পারে’ সেজন্য তিনি সকলের কাছে দোয়াও কামনা করেন।
শেখ হাসিনা বলেন, ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তোলার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে সরকার। তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের ক্ষুধা ও দারিদ্র্য মুক্ত সোনার বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে আমরাই বিশ্বে প্রথম শত বছরের ‘ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০’ বাস্তবায়ন শুরু করেছি। প্রজন্মের পর প্রজন্ম একটি উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ এবং সুন্দর জীবন পেতে পারে সেই লক্ষ্য নিয়েই আমরা এই পরিকল্পনা গ্রহণ এবং তা বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছি’।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, অর্থনৈতিকভাবে আজকে বাংলাদেশ যেমন এগিয়েছে তেমনি রাজনৈতিকভাবে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রয়েছে। তিনি বলেন, আমরা ২০২১ সালে স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তি উদযাপন করবো। আর ২০২০ সালে আমাদের মহান নেতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবার্ষিকী উদযাপন করবো। ২০২০ সালের ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন থেকে ২০২১ সালের ২৬ মার্চ পর্যন্ত স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তি পর্যন্ত সময়কে আমরা মুজিব বর্ষ ঘোষণা করেছি।
পরে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ নেভাল একাডেমী প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারা রোপন করেন। তিনি ক্যাডেটদের সঙ্গে নিয়ে শিক্ষা সমাপনী কেক কাটেন এবং নতুন কমিশন লাভকারী ক্যাডেটদের ‘অ্যাপলেট’ পরিধান অনুষ্ঠানে যোগ দেন। তাদের সঙ্গে ফটোসেশনে অংশগ্রহণ করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী পরে দূরবীন দিয়ে নেভাল একাডেমীর পাশে বঙ্গোপসাগরে নোঙর করে রাখা বাংলাদেশ নৌবাহিনীর যুদ্ধ জাহাজ প্রত্যক্ষ করেন। এ সময় এ জাহাজ সম্পর্কে তাকে অবহিত করা হয়।

দৈনিক শেয়ারবাজার প্রতিদিন/এসএ/খান

Share
নিউজটি ৩০৬ বার পড়া হয়েছে ।
Tagged