নিজস্ব প্রতিবেদক: কোনো উদ্যোগেই যেন স্থিতিশীলতা ফিরছে না দেশের শেয়ারবাজারে। টানা দরপতন এখন যেন নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনায় পরিণত হয়েছে। মাঝে মধ্যে একদিন সূচক কিছুটা বাড়লেও পরদিনই ফের নামতে থাকে বাজার। নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বাজার উন্নয়নে নানা পদক্ষেপ নিলেও তা কার্যকর হচ্ছে না বলে মনে করছেন বিনিয়োগকারীরা।
এমন পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীরা পড়েছেন চরম দুরবস্থায়। মুনাফার আশায় যেই কোম্পানিতে বিনিয়োগ করা হচ্ছে, পরবর্তীতে সেখান থেকেই গুনতে হচ্ছে লোকসান। দীর্ঘমেয়াদি ধারাবাহিক পতনের ফলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে তৈরি হয়েছে আস্থার সংকট। অনেকেই বলছেন, বাজারে স্থিতিশীলতা না ফেরা পর্যন্ত নতুন করে বিনিয়োগে তারা আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাজারে আস্থা ফেরাতে এবং স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে এখন বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থাসমূহ।
সূচকের উত্থান ও লেনদেন বেড়েছে ডিএসইতে
বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, দুইদিন পতনের পর মঙ্গলবার (২০ মে) দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচক কিছুটা বেড়েছে। একই সঙ্গে বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারদর বেড়েছে। তবে অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচক সামান্য বাড়লেও লেনদেনের পরিমাণ কমেছে।
ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, আজ ডিএসইএক্স সূচক ১৮.৭১ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪,৭৯৫.৬৪ পয়েন্টে। ডিএসইএস সূচক বেড়েছে ৫.৩৪ পয়েন্ট, অবস্থান করছে ১,০৪১.৯৩ পয়েন্টে। আর ডিএসই-৩০ সূচক ৮.৩০ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১,০৪৮.২৮ পয়েন্টে।
ডিএসইতে আজ ৩৯০টি কোম্পানি লেনদেনে অংশ নেয়। এর মধ্যে ২১১টির দর বেড়েছে, ১০৪টির দর কমেছে, আর ৭৫টির দর অপরিবর্তিত ছিল।
ডিএসইতে আজ মোট ২৯৭ কোটি ৭১ লাখ ৪৩ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে, যা আগের দিনের তুলনায় ৮ কোটি ৯৩ লাখ ২ হাজার টাকা বেশি।
সিএসইতে সূচক বাড়লেও লেনদেন কমেছে
অপরদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) আজ লেনদেন হয়েছে ৬ কোটি ৬৫ লাখ ৬৬ হাজার টাকার, যা আগের দিনের ৯ কোটি ৪৬ লাখ ২ হাজার টাকা থেকে কম।
সিএসইতে আজ লেনদেনে অংশ নেওয়া ১৮৯টি কোম্পানির মধ্যে ৭৪টির দর বেড়েছে, ৬৯টির দর কমেছে এবং ৬৫টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে।
সিএসইর প্রধান সূচক সিএএসপিআই আজ ৭.৯৮ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১৩,৩৭০.৪৫ পয়েন্টে। আগের দিন এই সূচক কমেছিল ২৫.০৭ পয়েন্ট।


