নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রত্যাশা দিয়ে শুরু হলেও হতাশায় শেষ হলো সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসের শেয়ারবাজার। আজ (১৪ সেপ্টেম্বর, রোববার) দিনজুড়ে সূচকের ওঠানামা শেষে শেষ পর্যন্ত একটানা পতনে বাজার নিম্নমুখী হয়ে পড়ে। ফলে শুরুতে বিনিয়োগকারীরা যে আস্থায় ছিলেন, দিনশেষে তা হতাশায় রূপ নেয়।
বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, সকালেই সূচকের ইতিবাচক প্রবণতায় লেনদেন শুরু হয়। দুপুর ১২টা পর্যন্ত সূচক স্বাভাবিক ওঠানামায় থাকলেও এরপর থেকেই শুরু হয় পতনের ধারা। দিনশেষে সূচক, লেনদেনের পরিমাণ এবং বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দর কমে যায়।
ডিএসইর পরিস্থিতি
আজ ডিএসইতে প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৫৫.৪৩ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৫,৪৬৮.৩৫ পয়েন্টে।
এছাড়া:
ডিএসইএস সূচক ১০.৯০ পয়েন্ট কমে ১,১৮৫.৩৯ পয়েন্টে নেমে এসেছে।
ডিএসই-৩০ সূচক ২২.০৩ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ২,১২৯.০৪ পয়েন্টে।
মোট ৩৯৮টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২৭৫টির দর বেড়েছে, ৫৬টির দর কমেছে এবং ৬৫টির দর অপরিবর্তিত ছিল।
লেনদেনের পরিমাণও কমেছে। আজ ডিএসইতে ৭৩২ কোটি ৫৬ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে, যা আগের কার্যদিবসের ৭৭৮ কোটি ৩২ লাখ টাকার চেয়ে ৪৫ কোটি ৭৬ লাখ টাকা কম।
সিএসইর পরিস্থিতি
অপরদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) একই চিত্র দেখা গেছে। আজ লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১২ কোটি ৩ লাখ টাকা, যা আগের কার্যদিবসের ১২ কোটি ৭৬ লাখ টাকার তুলনায় কম।
আজ সিএসইতে ২০৫টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ৬১টির দর বেড়েছে, ১২৭টির দর কমেছে এবং ১৭টির দর অপরিবর্তিত ছিল।
দিনশেষে সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ১৬২.৭৭ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১৫,৩৫৬.২৬ পয়েন্টে। আগেরদিন সূচক ৬৫.৮৯ পয়েন্ট বেড়েছিল।
বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শুরুতে ইতিবাচক প্রবণতা থাকা সত্ত্বেও হঠাৎ পতনের কারণে বিনিয়োগকারীরা আস্থা হারাচ্ছেন। এর ফলে বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে নতুন প্রণোদনা ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগের অংশগ্রহণ বাড়ানো জরুরি হয়ে পড়েছে।


