ডরিন পাওয়ারের নরসিংদীর ২২ মেগাওয়াট কেন্দ্রের সম্পদ বিক্রির সিদ্ধান্ত

সময়: বুধবার, ডিসেম্বর ১০, ২০২৫ ১১:৩২:৩৮ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক : জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠান ডরিন পাওয়ার জেনারেশন অ্যান্ড সিস্টেমস লিমিটেড নরসিংদীর ২২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সব স্থায়ী (নন-কারেন্ট) সম্পদ বিক্রির সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে জানা যায়, এর আগে কোম্পানিটি টাঙ্গাইল ও ফেনীর ২২ মেগাওয়াট করে দুটি কেন্দ্রের স্থায়ী সম্পদ বিক্রি করেছে।

ডিএসই জানায়, নরসিংদী কেন্দ্রের সঙ্গে বাংলাদেশ রুরাল ইলেকট্রিফিকেশন বোর্ড (বিআরইবি)-এর ১৫ বছরের বিদ্যুৎ সরবরাহ চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়েছে এবং প্রতিষ্ঠানটি চুক্তি নবায়নে আগ্রহী নয়। ফলে কেন্দ্রটি আর চালু রাখার প্রয়োজন নেই বলে সম্পদ বিক্রির সিদ্ধান্ত নেয় ডরিন পাওয়ার।

এর আগেও বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) পিপিএ নবায়ন না করায় টাঙ্গাইল ও ফেনী কেন্দ্রের সম্পদ বিক্রি হয়েছিল।

কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদনে দেখা যায়, ২০২৫–২৬ অর্থ বছরের প্রথম প্রান্তিকের (জুলাই–সেপ্টেম্বর) শেষে ডরিন পাওয়ারের সমন্বিত শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়িয়েছে ১ টাকা ৮১ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১ টাকা ৪৮ পয়সা। আর ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ শেষে শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) রয়েছে ৫৪ টাকা ২৪ পয়সা।

সর্বশেষ ২০২৪–২৫ অর্থ বছরে, উদ্যোক্তা পরিচালকদের বাদ দিয়ে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য কোম্পানিটি ১০% নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। ওই সময় কোম্পানির ইপিএস ছিল ৩ টাকা ১৯ পয়সা, আগের অর্থ বছরে যা ছিল ১ টাকা ৮১ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে এনএভিপিএস দাঁড়ায় ৫২ টাকা ৪৩ পয়সা।

এর আগের ২০২৩–২৪ অর্থ বছরেও ডরিন পাওয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য ১০% ক্যাশ ডিভিডেন্ড দিয়েছিল, এবং তার আগের বছর ছিল ১১% ক্যাশ ডিভিডেন্ড।

ডরিন পাওয়ার জেনারেশন অ্যান্ড সিস্টেমস লিমিটেড ২০০৮ সালের নভেম্বরে বিদ্যুৎ উৎপাদন খাতে কার্যক্রম শুরু করে। ২০১০ সালে কোম্পানির ৫৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার নর্দার্ন ও সাউদার্ন কেন্দ্রের বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হয়। প্রতিষ্ঠানটি ২০১৬ সালে মূলধনবাজারে তালিকাভুক্ত হয়।

কোম্পানির বর্তমান অনুমোদিত মূলধন ২০০ কোটি টাকা, পরিশোধিত মূলধন ১৮১ কোটি ১১ লাখ ৯০ হাজার টাকা এবং রিজার্ভে রয়েছে ৬৭২ কোটি ৭১ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১৮ কোটি ১১ লাখ ১৮ হাজার ৯০১টি। এর মধ্যে ৬৬.৬১% উদ্যোক্তা পরিচালক, ১৯.৪৩% প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী, এবং ১৩.৯৬% সাধারণ বিনিয়োগকারীর হাতে রয়েছে।

 

Share
নিউজটি ৮৯ বার পড়া হয়েছে ।
Tagged