নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ বলেছেন, “নেগেটিভ ইক্যুইটি শেয়ারবাজারের জন্য ক্যান্সারের মতো ক্ষতিকর” এবং এই সমস্যার সমাধানে বিকল্প কোনো পথ নেই।
বুধবার (২৫ জুন) ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিবিএ) আয়োজিত ‘বাংলাদেশ ক্যাপিটাল মার্কেটের বর্তমান অবস্থা’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায়) ড. আনিসুজ্জামান চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন আইসিবির চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবু আহমেদ, ডিএসই চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলাম, সিডিবিএল চেয়ারম্যান তপন চৌধুরী এবং এফআইসিসিআই সভাপতি জাভেদ আক্তার।
চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ বলেন, “বাজারের সূচক ওঠানামা করানো বিএসইসির দায়িত্ব নয়। কমিশনের দায়িত্ব হচ্ছে নীতিমালা প্রণয়ন ও বাজারকে কার্যকরভাবে পরিচালনায় সহায়তা করা।”
তিনি আরও জানান, চলতি অর্থবছরের বাজেটে পুঁজিবাজারকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে এবং বিএসইসি এমন সংস্কার কার্যক্রম হাতে নিয়েছে, যা দীর্ঘমেয়াদে বাজারে টেকসই ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
বিএসইসি চেয়ারম্যান জানান, চলমান সংস্কার প্রক্রিয়ার আওতায় মিউচুয়াল ফান্ড, আইপিও এবং মার্জিন রুলস সংশোধনের মাধ্যমে প্রায় ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ কাঠামোগত সংস্কার বাস্তবায়ন সম্ভব হবে।
তিনি অতীতের অনিয়মের উদাহরণ টেনে বলেন, “একসময় এমনও ঘটনা ঘটেছে, যেখানে মাত্র ১০ কোটি টাকার কোম্পানি শেয়ারবাজারে নিজেদের মূল্য ২৭৫ কোটি টাকা দেখিয়ে অর্থ তুলেছে—যা বাজারে স্বচ্ছতা ও সুশাসনের অভাব স্পষ্ট করে।”
তার এ বক্তব্য বাজার সংশ্লিষ্টদের প্রতি নিয়মনীতি মেনে চলা, জবাবদিহি ও আস্থার পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর জোর দেয়।


