সূচক কমলেও বেড়েছে লেনদেন

পতনের বৃত্তে শেয়ারবাজার, বিনিয়োগকারীদের আস্থা তলানিতে

সময়: বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ১৩, ২০২৫ ৪:১১:১৫ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক : টানা দরপতনে দিশেহারা দেশের শেয়ারবাজার। দিন দিন বাড়ছে বিনিয়োগকারীদের হতাশা ও আস্থাহীনতা। ডিভিডেন্ড মৌসুমে বাজারে কিছুটা ইতিবাচক পরিবর্তনের আশা করলেও, তার উল্টো চিত্র দেখা যাচ্ছে বাজারে। নিয়ন্ত্রক সংস্থার একের পর এক বিতর্কিত ও বিনিয়োগবান্ধববিরোধী নির্দেশনার ফলে বাজারে নেমে এসেছে ধস। এর নেতিবাচক প্রভাবে বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স একদিনেই কমেছে প্রায় ১২৩ পয়েন্ট।

বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, বর্তমান পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে বাজারকে ইচ্ছাকৃতভাবে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। নিয়ন্ত্রক সংস্থায় দায়িত্বপ্রাপ্ত কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তির স্বার্থান্ধ সিদ্ধান্ত বাজারকে অস্থিতিশীল করে তুলছে। তারা মনে করেন, বাজার পুনরুদ্ধারে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ না নিয়ে বিনিয়োগকারীদের নিরুৎসাহিত করার মতো নীতিই নেওয়া হচ্ছে। এই অবস্থার পরিবর্তনে অন্তর্বর্তী সরকারের উচিত অভিজ্ঞ ও সৎ ব্যক্তিদের দিয়ে সংস্থাটিকে পুনর্গঠন করা।

সূচকের বড় পতন ও লেনদেনের চিত্র
বৃহস্পতিবার সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ১২২.৬৪ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৪,৭০২.৬৮ পয়েন্টে।
অন্যান্য সূচকের মধ্যে ডিএসইএস কমেছে ২৮.৯৮ পয়েন্ট এবং দাঁড়িয়েছে ৯৭৬.৯৫ পয়েন্টে।
এছাড়া ডিএসই-৩০ সূচক কমেছে ৪৭.৭১ পয়েন্ট, অবস্থান করছে ১,৮৫১.২৫ পয়েন্টে।

এদিন ডিএসইতে মোট ৩৮৪টি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়। এর মধ্যে মাত্র ১৫টির দর বেড়েছে, ৩৫২টির দর কমেছে এবং ১৭টির দর অপরিবর্তিত ছিল।

লেনদেনের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৮৩ কোটি ৩৪ লাখ টাকা, যা আগের দিনের ২৯০ কোটি ১৩ লাখ টাকার তুলনায় ৯৩ কোটি ২১ লাখ টাকা বেশি।

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও দরপতনের ধারা অব্যাহত
অন্যদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেনও ছিল নিম্নমুখী। আজ মোট ৭ কোটি ২২ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়, যা আগের দিনের ৯ কোটি ৮০ লাখ টাকার তুলনায় কম।

সিএসইতে ১৬০টি কোম্পানির মধ্যে ১৮টির দর বেড়েছে, ১৩৮টির কমেছে, এবং ৪টির অপরিবর্তিত ছিল।

দিন শেষে সিএএসপিআই সূচক বড় ধসে ২১৮.৯৫ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১৩,৩৯৯.০১ পয়েন্টে। আগের দিনও সূচকটি কমেছিল ১২০.৮৬ পয়েন্ট।

Share
নিউজটি ৫৪ বার পড়া হয়েছে ।
Tagged