নিজস্ব প্রতিবেদক: ২৯ জুলাই সূচকের উত্থানে লেনদেন শুরু হলেও দিনের শেষে পতনের মধ্য দিয়েই শেষ হয়েছে দেশের শেয়ারবাজার। সূচকের ইতিবাচক সূচনা বিনিয়োগকারীদের আশাবাদী করলেও দুপুরের পর থেকে একটানা দরপতনে হতাশায় দিন শেষ করেন তারা। বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দ্বিতীয় প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ ও আসন্ন ডিভিডেন্ড মৌসুমে বাজার ঘুরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে।
বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সকাল ১০টায় সূচক উত্থানের মাধ্যমে লেনদেন শুরু হয় এবং দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত সূচক ২৬ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়ায় ৫,৩৫৮ পয়েন্টে। তবে দুপুরের পর থেকে শুরু হয় একটানা দরপতন। দিনশেষে প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৩৩.৫৯ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৫,২৯৮.৪৬ পয়েন্টে।
অন্যান্য সূচকের মধ্যে ডিএসইএস ১১.০৪ পয়েন্ট কমে ১,১৪৭.৩৪ পয়েন্টে এবং ডিএসই-৩০ সূচক ১৭.৬০ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ২,০৪৪.১৩ পয়েন্টে।
এদিন ডিএসইতে মোট ৩৯৬টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়। এর মধ্যে ৮২টির দর বেড়েছে, ২৫০টির দর কমেছে এবং ৬৪টির দর অপরিবর্তিত ছিল। মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়ায় ৭১৭ কোটি ৩২ লাখ টাকা, যা আগের দিনের ৮০৫ কোটি ৩৯ লাখ টাকার চেয়ে প্রায় ৮৮ কোটি টাকা কম।
অপরদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচক কমলেও টাকার অংকে লেনদেন বেড়েছে। সিএসইতে মোট ২৯ কোটি ৫ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে, যা আগের দিনের ৬ কোটি ৫১ লাখ টাকার তুলনায় অনেক বেশি।
সিএসইতে এদিন ২৪৩টি কোম্পানির শেয়ার লেনদেনে অংশ নেয়। এর মধ্যে ৬৬টির দর বেড়েছে, ১৫১টির কমেছে এবং ২৬টির দর ছিল অপরিবর্তিত। দিনের শেষে সিএসইর প্রধান সূচক সিএএসপিআই ৬৫.৬৬ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১৪,৮৫৮.৭৭ পয়েন্টে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, বাজারে মুনাফা সংবেদনশীলতা থাকায় সাময়িক দরপতন স্বাভাবিক। তবে ইতিবাচক আর্থিক প্রতিবেদন ও ডিভিডেন্ড মৌসুম শুরু হলে বাজারে নতুন গতি ফিরতে পারে। বাজার ঘুরে দাঁড়ানোর আশা তাই এখনো বেঁচে আছে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে।


