নিজস্ব প্রতিবেদক: চলতি সপ্তাহে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচকের গুরুত্বপূর্ণ বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। এতে সপ্তাহজুড়ে ডিএসইর বাজার মূলধন ৮ হাজার ৯৬১ কোটি টাকা বেড়ে ৭ লাখ ৬ হাজার ৯১২ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। এর আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে এই বাজার মূলধন ছিল ৬ লাখ ৯৭ হাজার ৯৫১ কোটি টাকা, যা নির্দেশ করে এক সপ্তাহে ১.২৮ শতাংশের উন্নতি হয়েছে।
ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স এই সময়ে ১২৭.৫৬ পয়েন্ট বা ২.৪২৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ডিএসই-৩০ সূচক বেড়েছে ৫৪.৭৪ পয়েন্ট বা ২.৭২ শতাংশ, আর ডিএসইএস সূচক উত্থিত হয়েছে ৩০.৭০ পয়েন্ট বা ২.৯৩ শতাংশ। তবে লেনদেনের পরিমাণ কমেছে। সপ্তাহজুড়ে মোট লেনদেন হয়েছে ২,৬৫৬ কোটি ৮২ লাখ টাকা, যা আগের সপ্তাহের ৩,৪৮২ কোটি ৪৫ লাখ টাকার তুলনায় ৮২৫ কোটি ৬৩ লাখ টাকা কম। দৈনিক গড় লেনদেন কমে ১৬৫ কোটি ১৩ লাখ টাকা বা ২৩.৭১ শতাংশ হয়েছে, এবং চলতি সপ্তাহে প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয়েছে ৫৩১ কোটি ৩৬ লাখ টাকা।
সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে ৩৮৯টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিটে লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ৩২৪টির দাম বেড়েছে, ৩৮টির দাম কমেছে, এবং ২৭টির দাম অপরিবর্তিত ছিল।
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও সূচক বৃদ্ধি
চট্টগ্রামের শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সপ্তাহজুড়ে প্রধান সূচক সিএএসপিআই ও সিএসসিএক্স যথাক্রমে ১.০৪ শতাংশ ও ১.০৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা নিয়ে অবস্থান করছে যথাক্রমে ১৪,৯৮০.০৭ পয়েন্ট ও ৯,১৫৯.৮০ পয়েন্টে। এছাড়া সিএসই-৫০ সূচক ১.৪০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১,১৫০.১৮ পয়েন্টে, সিএসই-৩০ সূচক ০.৮৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১৩,৩০৭.৭১ পয়েন্টে, আর সিএসআই সূচক ১.৬৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৯০৪.৬২ পয়েন্টে পৌঁছেছে।
চলতি সপ্তাহে সিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ১৬৬ কোটি ৫২ লাখ টাকা, যা আগের সপ্তাহের ১০৬ কোটি ২ লাখ টাকার তুলনায় ৬০ কোটি ৫০ লাখ টাকা বেশি। সপ্তাহজুড়ে এখানে ২৭১টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিটে লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ১৪৩টির দাম বেড়েছে, ১০৩টির দাম কমেছে, এবং ২৫টির দাম অপরিবর্তিত ছিল।


