editorial

সূচক বৃদ্ধির নাটক আর কয়দিন : বিনিয়োগকারীরাতো শেষ!

সময়: বুধবার, সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৪ ১০:২৪:৩০ অপরাহ্ণ

সরকার পতনের পর শেয়ারবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা প্রধান হিসেবে নাটকীয়ভাবে দায়িত্ব পান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ। দায়িত্ব নেওয়ার পর শেয়ারবাজারের দুর্নীতি ও অনিয়মরোধে কঠোর অবস্থানও ব্যক্ত করেন।
পাশাপাশি শেয়ারবাজারকে টেনে তুলতে কোন ভূমিকা পালন করতে দেখা যাচ্ছে না।

সূচক বাড়লেও প্রতিদিন বেশিরভাগ শেয়ারের দরপতন হচ্ছে। লোকসান গুণতে গুণতে বিনিয়োগকারীদের এক প্রকার চাপা ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। শেয়ারবাজারে বর্তমান দায়িত্ব প্রাপ্তরা যোগ্য নয় তাই পরিবর্তন জরুরি বলেও মন্তব্য করছেন কেউ কেউ। মাত্র কয়েকদিনের ব্যবধানে বিনিয়োগকারীরা ধৈর্য্য হারিয়ে ফেলছেন। যদিও যেকোন সংস্কারে সময় নেয়া অত্যন্ত প্রয়োজন। কিন্তু বিষয় যখন অস্তিত্ব রক্ষা, পুঁজি হারানো- সেখানে ধৈর্য্য হারানোটা অস্বাভাবিক নয়।

হয়তো বিএসইসির দায়িত্ব যারা পালন করছেন তাদের ব্যক্তিগত বা ফ্যামিলির কারো বিও অ্যাকাউন্ট নেই। তাই বিও অ্যাকাউন্টে প্রতিদিন নেট গেইন/লসের চিত্রের দিকে তাকানোর প্রয়োজন হয় না। যাদের বিও অ্যাকাউন্ট রয়েছে তাদের ৫০% ইতিমধ্যে পুঁজি হারিয়ে নি:স্ব হয়ে গেছেন। যদি মার্কেট ভালো থাকতো- হয়তো লোকসান কিছুটা কমতো। কিংবা বাজারের গতিশীলতা থাকলে নতুন বিনিয়োগ করে দর সমন্বয় করা যেতো। কিন্তু কোন রাস্তাই বিনিয়োগকারীরা খুঁজে পাচ্ছেন না। দিন যত যাচ্ছে তত চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে।

এভাবে বেশিদিন হয়তো বিনিয়োগকারীরা চলতে দেবে না। কারণ আন্দোলন, মানববন্ধন এখন নিত্য-নৈমিত্তিক ঘটনা। যেকোন সময় বিনিয়োগকারীরা যে বিএসইসি ঘেরাও করবে না তার কোন নিশ্চয়তা নেই। বাজারকে সংস্কার করতে কারো কোন বাধা নেই। কিন্তু পুঁজিবাজার যদি ভালো না থাকে এই সংস্কার কেউই চাইবে না। বিএসইসির এই পর্ষদকেও কেউ চাইবে না। দিনশেষে বাজারকে গতিশীল দেখতে চায় বিনিয়োগকারীরা। একটা দিক নির্দেশনা চায়- যাতে আস্থা রেখে আবারও তারা বিনিয়োগ করতে পারে।

Share
নিউজটি ২৪৫ বার পড়া হয়েছে ।
Tagged