২০২৪ অর্থবছরে বিএসইসি’র আয়ে ৫০% প্রবৃদ্ধি, নিট আয় ২৬ কোটি টাকা

সময়: সোমবার, আগস্ট ২৫, ২০২৫ ৭:১৮:৩৫ অপরাহ্ণ

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ২০২৩-২৪ অর্থবছরে রেকর্ড আয় করেছে। সদ্য প্রকাশিত বার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির নিট আয় ৫০ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৬ কোটি ৬ লাখ টাকা।

গত ১২ আগস্ট প্রকাশিত এই প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বিএসইসি’র মোট আয় ৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ১২২ কোটি ৬০ লাখ টাকা। সমস্ত ব্যয় বাদ দেওয়ার পর নিট আয় হয়েছে ২৬ কোটি ৬ লাখ টাকা, যা আগের বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি নির্দেশ করে।

বিএসইসি’র আয়ের মূল উৎস হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে— নিবন্ধন ফি, বার্ষিক ও নবায়ন ফি, অনুমোদন ও আবেদন চার্জ, জরিমানা ও দণ্ড, বিও হিসাব রক্ষণাবেক্ষণ ফি এবং আমানত থেকে প্রাপ্ত সুদ। জুন ২০২৪ শেষে সংস্থাটির মোট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪৪০ কোটি টাকা।

বিএসইসি চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছেন, “বাংলাদেশের দ্রুত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সত্ত্বেও শেয়ারবাজার প্রত্যাশিত হারে বৃদ্ধি পায়নি। দেশের দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের জন্য শক্তিশালী চাহিদা থাকলেও তা এখনো বাজারের আকারে প্রতিফলিত হয়নি। অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে শেয়ারবাজারের উন্নয়ন অত্যন্ত জরুরি।”

তিনি আরও বলেন, শেয়ারবাজারকে দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের অন্যতম উৎস হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে এবং এটিকে নির্ভরযোগ্য বিনিয়োগ ক্ষেত্র বানাতে কমিশন বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। তবে ২০২৪ অর্থবছরে দৈনিক লেনদেন হ্রাস এবং বাজারে অস্থিরতা লক্ষ্য করা গেছে বলে তিনি স্বীকার করেন।

বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে এবং মূলধন সরবরাহে বাজারের কার্যকারিতা বাড়াতে বিএসইসি কিছু অগ্রাধিকারমূলক পদক্ষেপ গ্রহণের কথা জানায়। এর মধ্যে রয়েছে—
✔ অন্যান্য আর্থিক নিয়ন্ত্রক সংস্থার সাথে সমন্বয়
✔ বাজার কাঠামো ও ব্যবস্থাপনাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা
✔ স্বয়ংক্রিয়তার মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন নিশ্চিত করা
✔ নজরদারি জোরদার করা
✔ মানবসম্পদকে আরও কার্যকরভাবে ব্যবহার করা।

বিএসইসি চেয়ারম্যান বলেন, “একটি আধুনিক, স্থিতিস্থাপক এবং বিনিয়োগকারী-বান্ধব শেয়ারবাজার গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় সংস্কার সাধনে কমিশন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

 

Share
নিউজটি ১১৫ বার পড়া হয়েছে ।
Tagged