এক্সিম ব্যাংকের ঘোষিত ডিভিডেন্ডে সম্মতি

সময়: মঙ্গলবার, এপ্রিল ১১, ২০২৩ ১:৩৩:৩০ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক: ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২২ অর্থবছরের জন্য এক্সিম ব্যাংকের ঘোষিত ডিভিডেন্ডে সম্মতি দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এ-সম্পর্কিত সম্মতিপত্র পাওয়ার পর সোমবার (১০ এপ্রিল) ডিএসইর মাধ্যমে পরিচালনা বোর্ডের সভার তারিখ জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

এ ব্যাংকের বোর্ড সভা ১৮ এপ্রিল বেলা ২টা ৩০ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে। সভা থেকে সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২২ অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুমোদনের পাশাপাশি শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ডিভিডেন্ড ঘোষণা করা হবে।

সমাপ্ত ২০২২ অর্থবছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) এক্সিম ব্যাংকের সমন্বিত শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৫৭ পয়সা।

আগের অর্থবছরের একই সময়ে যা ছিল ১ টাকা ১৮ পয়সা। আর সর্বশেষ তৃতীয় প্রান্তিকে ব্যাংকটির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ৪৩ পয়সা, আগের অর্থবছরের একই সময়ে যা ছিল ৩২ পয়সা।

গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর শেষে ব্যাংকটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২২ টাকা ৩২ পয়সায়, আগের অর্থবছরের একই সময় শেষে যা ছিল ২১ টাকা ৫৭ পয়সা।

৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২১ অর্থবছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড দিয়েছে এক্সিম ব্যাংক।

আলোচ্য অর্থবছরে ব্যাংকটির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৪৯ পয়সা, আগের অর্থবছরের একই সময়ে যা ছিল ১ টাকা ৯৪ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)।

সে হিসাবে আলোচ্য সময়ে ব্যাংকটির ইপিএস কমেছে ৪৫ পয়সা বা ২৩.২০ শতাংশ।

৩১ ডিসেম্বর ২০২১ শেষে ব্যাংকটির সমন্বিত এনএভিপিএস দাঁড়ায় ২১ টাকা ৭২ পয়সায়, আগের অর্থবছর শেষে যা ছিল ২১ টাকা ১৩ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)।

২০২০ অর্থবছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০ শতাংশ ডিভিডেন্ড দিয়েছে ব্যাংকটি। এর মধ্যে ৭.৫০ শতাংশ ক্যাশ ও ২.৫০ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড।

এছাড়া ২০১৯ ও ২০১৮ অর্থবছরে শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ করে ক্যাশ ডিভিডেন্ড দিয়েছিল এক্সিম ব্যাংক। ২০১৭ অর্থবছরে ১২.৫ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড পেয়েছিলেন ব্যাংকটির শেয়ারহোল্ডাররা।

২০০৪ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত এক্সিম ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন ২ হাজার কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১ হাজার ৪৪৭ কোটি ৫৬ লাখ টাকা।

রিজার্ভে রয়েছে ১ হাজার ৬৯৬ কোটি ৪৯ লাখ টাকা। ব্যাংকটির মোট শেয়ার সংখ্যা ১৪৪ কোটি ৭৫ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪। এর মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে রয়েছে ৩২.৬১ শতাংশ শেয়ার।

এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ২৮.৮০, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে দশমিক ৯৩ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৩৭.৬৬ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

 

Share
নিউজটি ৩৩৯ বার পড়া হয়েছে ।
Tagged