নিজস্ব প্রতিবেদক: টানা চার কার্যদিবস ধরে সূচকের পতন হলেও দীর্ঘমেয়াদে বাজার এখনো উত্থানের ধারা ধরে রেখেছে। বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত ১৫ কার্যদিবসে সূচক যতোটা কমেছে, তার চেয়ে বেশি বেড়েছে, যা বাজারের স্বাভাবিক ইতিবাচক প্রবণতাকে ইঙ্গিত করছে।
তথ্য অনুযায়ী, ৪ আগস্ট থেকে আজ পর্যন্ত ৪ দিনে সূচক কমেছে ১৮৫.১১ পয়েন্ট। এর আগে ৩০ জুলাই থেকে ৩ আগস্ট পর্যন্ত মাত্র ৩ কার্যদিবসে সূচক বেড়েছিল ২৩৭.৬৭ পয়েন্ট। আরও আগে ১৫ জুলাই থেকে ২৪ জুলাই পর্যন্ত টানা ৮ কর্মদিবসে সূচক বেড়েছিল ৩৩০.২০ পয়েন্ট। তবে ২৭ থেকে ২৯ জুলাই পর্যন্ত ৩ কার্যদিবসে সূচক কমেছিল ৯৩.৫৭ পয়েন্ট। অর্থাৎ, ১১ কার্যদিবসে সূচক বেড়েছে মোট ৫৬৭.৮৭ পয়েন্ট, আর ৭ কার্যদিবসে কমেছে ২৭৮.৬৮ পয়েন্ট।
আজ (১০ আগস্ট) রবিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচকের উত্থানে লেনদেন শুরু হয়। লেনদেনের প্রথম ৩ মিনিটেই সূচক ১৮ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়ায় ৫ হাজার ৪২৬ পয়েন্টে। পরে সূচকে সামান্য পতন হলেও বাজার আবার ঘুরে দাঁড়ায়। দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত স্বাভাবিক ওঠানামা চললেও শেষ ঘণ্টাগুলোতে সূচকের পতন অব্যাহত থাকে। দিনশেষে সূচক কমলেও লেনদেনের পরিমাণ বেড়েছে।
অপরদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচক পতন হলেও লেনদেন টাকার অংকে বেড়েছে। তবে দুই বাজারেই বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দর কমেছে।
ডিএসইতে আজ ডিএসইএক্স সূচক ৫৭.০৩ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৩৫১.০৩ পয়েন্টে। ডিএসইএস সূচক ৮.০৭ পয়েন্ট কমে হয়েছে ১ হাজার ১৬২.৩৫ পয়েন্ট এবং ডিএসই-৩০ সূচক ৩১.০৫ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৬৬.৬৪ পয়েন্টে।
আজ ডিএসইতে মোট ৪০১টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ১০৯টির দর বেড়েছে, ২৪৭টির দর কমেছে এবং ৪৫টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে। বাজারে মোট লেনদেন হয়েছে ৭৬০ কোটি ৬৪ লাখ টাকার শেয়ার, যা আগের দিনের ৭০৬ কোটি ৪০ লাখ টাকার তুলনায় ৫৪ কোটি ২৩ লাখ টাকা বেশি।
সিএসইতে আজ মোট লেনদেন হয়েছে ২৫ কোটি ৯২ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট, যা আগের দিনের ২৫ কোটি ১৬ লাখ টাকার তুলনায় বেশি। এদিন সিএসইতে ২২২টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৫৬টির দর বেড়েছে, ১৪০টির দর কমেছে এবং ২৬টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে।
সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই আজ ১৭১.৪৬ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১৫ হাজার ২১.৫৬ পয়েন্টে। আগেরদিন এই সূচক কমেছিল ১৮৬.৩৩ পয়েন্ট।


