দুই ব্রোকারেজ হাউজের মূলধন ঘাটতি ধরা পড়ল, বিএসইসির নির্দেশনায় ব্যবস্থা নিচ্ছে ডিএসই

সময়: মঙ্গলবার, আগস্ট ২৬, ২০২৫ ৮:২৬:৪২ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক: শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) তদন্তে দুটি ব্রোকারেজ হাউজের মূলধন ঘাটতি শনাক্ত করেছে। প্রতিষ্ঠান দুটি হলো মোনার্ক হোল্ডিংস এবং কলম্বিয়া শেয়ারস অ্যান্ড সিকিউরিটিজ। এর পরিপ্রেক্ষিতে বিএসইসি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে (ডিএসই) আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছে।

বর্তমানে মোনার্ক হোল্ডিংসের ট্রেডিং কার্যক্রম স্থগিত রয়েছে। তবে কলম্বিয়া শেয়ারস মূলধন ঘাটতি থাকা সত্ত্বেও এখনও কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

বিএসইসি সূত্র জানায়, চলতি মাসের শুরুতে আটটি ব্রোকারেজ হাউজের আর্থিক অবস্থার ওপর তদন্ত শুরু হয়। এর মধ্যে ছয়টি ব্রোকারেজ হাউজ ইতোমধ্যে মূলধন ঘাটতি পূরণ করলেও মোনার্ক ও কলম্বিয়া এখনও সংকটে রয়েছে।

বিএসইসি’র মুখপাত্র মো. আবুল কালাম বলেন, “রুটিন পর্যবেক্ষণের অংশ হিসেবে আমরা ব্রোকারেজ হাউজগুলোর আর্থিক দুর্বলতা শনাক্ত করছি। তদন্তে মোনার্ক হোল্ডিংস ও কলম্বিয়া শেয়ারস অ্যান্ড সিকিউরিটিজে ঘাটতি পাওয়া গেছে। এজন্য ডিএসইকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”

আইন অনুযায়ী, প্রতিটি ব্রোকারেজ বা স্টক ডিলারকে তাদের পরিশোধিত মূলধনের কমপক্ষে ৭৫% সমপরিমাণ নিট মূলধন রাখতে হয়। এ নিয়ম না মানলে তাদের লাইসেন্স বাতিল বা স্থগিত হতে পারে। মূলধন ঘাটতি বিনিয়োগকারীদের জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করে।

নিয়মে আরও বলা হয়েছে:

নতুন ব্রোকারেজ হাউজের ন্যূনতম পরিশোধিত মূলধন ৫০ মিলিয়ন টাকা

যৌথ উদ্যোগের জন্য ৮০ মিলিয়ন টাকা

বিদেশি প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ১০০ মিলিয়ন টাকা।

মোনার্ক হোল্ডিংসের প্রতিষ্ঠাতা আবুল খায়ের হিরু। এ প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান হিসেবে রয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের তারকা খেলোয়াড় সাকিব আল হাসান। এছাড়া হিরুর স্ত্রী কাজী সাদিয়া হাসান ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্বে আছেন। হিরু ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে একাধিক শেয়ার কারসাজির অভিযোগ রয়েছে এবং তাদের ওপর বিপুল অঙ্কের জরিমানা আরোপ করেছে বিএসইসি।

 

Share
নিউজটি ১০৬ বার পড়া হয়েছে ।
Tagged