নিজস্ব প্রতিবেদক: বিদায়ী সপ্তাহে (১০-১৪ মে) দেশের শেয়ারবাজারে মূল্যসূচকের ইতিবাচক প্রবণতা দেখা গেলেও কমেছে বিনিয়োগকারীদের পোর্টফোলিও বা বিনিয়োগের পরিমাণ। আলোচিত সপ্তাহে উভয় শেয়ারবাজারের সূচক বাড়লেও বাজার মূলধন কমেছে ২ হাজার ৬৫৮ কোটি টাকা। একই সময়ে লেনদেন বেড়েছে প্রায় ৬ শতাংশ।
তথ্য অনুযায়ী, সপ্তাহের শুরুতে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বাজার মূলধন ছিল ৬ লাখ ৭৯ হাজার ৯৯৪ কোটি টাকা। তবে সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস শেষে তা কমে দাঁড়ায় ৬ লাখ ৭৭ হাজার ৩৩৬ কোটি টাকায়। ফলে এক সপ্তাহের ব্যবধানে বিনিয়োগকারীদের পোর্টফোলিও কমেছে ২ হাজার ৬৫৮ কোটি টাকা, যা শতাংশের হিসাবে ০ দশমিক ৩৯ শতাংশ।
বিদায়ী সপ্তাহে ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৪ হাজার ৩৯৭ কোটি ৩৫ লাখ টাকার। এর আগের সপ্তাহে লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৪ হাজার ১৫১ কোটি ২৩ লাখ টাকা। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে লেনদেন বেড়েছে ২৪৬ কোটি ১২ লাখ টাকা বা প্রায় ৬ শতাংশ।
সূচকের দিক থেকেও সপ্তাহটি ইতিবাচক ছিল। সপ্তাহ শেষে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ১১ পয়েন্ট বা ০ দশমিক ২১ শতাংশ বেড়ে ৫ হাজার ২৪৫ পয়েন্টে অবস্থান করছে। পাশাপাশি শরিয়াহভিত্তিক সূচক ডিএসইএস বেড়েছে ৮ পয়েন্ট বা ০ দশমিক ৭৫ শতাংশ, যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৬৬ পয়েন্টে।
সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে মোট ৩৯০টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট লেনদেনে অংশ নেয়। এর মধ্যে দর বেড়েছে ২০৫টির বা ৫২ দশমিক ৫৬ শতাংশের, কমেছে ১৪৫টির বা ৩৭ দশমিক ১৭ শতাংশের এবং অপরিবর্তিত ছিল ৪০টির বা ১০ দশমিক ২৫ শতাংশের।
অন্যদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) বিদায়ী সপ্তাহে মোট ১০৯ কোটি ৬৩ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। একই সময়ে সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ১৩ পয়েন্ট বা ০ দশমিক ০৮ শতাংশ বেড়ে ১৪ হাজার ৭১৫ পয়েন্টে উন্নীত হয়েছে।
সপ্তাহজুড়ে সিএসইতে মোট ৩১৫টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়। এর মধ্যে ১৬৮টির দর বেড়েছে, ১২৫টির দর কমেছে এবং ২২টির দর অপরিবর্তিত ছিল।


