নিজস্ব প্রতিবেদক: দীর্ঘ সময়ের পতন শেষে শেয়ারবাজারে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দেখা যাচ্ছে বলে মনে করছেন বাজারসংশ্লিষ্টরা। এমন পরিস্থিতিতে শেয়ারবাজারে সরাসরি বিনিয়োগের উদ্দেশ্যে দেশের প্রধান রাষ্ট্রায়ত্ত বিনিয়োগ সংস্থা ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) সরকার থেকে ১ হাজার কোটি টাকা ঋণ পেয়েছে।
আইসিবির চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবু আহমেদ জানান, অর্থ ছাড় পাওয়ার পরই একটি নতুন বিও অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে এবং ২৪ নভেম্বর সোমবার দুপুর ২টার পর থেকে শেয়ার ক্রয় কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আগামী তিন মাসের মধ্যে বিনিয়োগ অগ্রগতির পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন সরকারকে জমা দেওয়া হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
সরকার প্রদত্ত এই ঋণ ১০ বছরের মেয়াদে ৫ শতাংশ সুদে দেওয়া হয়েছে, যা একমাত্র শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের জন্যই ব্যবহার করতে হবে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সরকারের এ ধরনের বৃহৎ বিনিয়োগ বাজারে স্থিতিশীলতা আনার পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
যদিও আইসিবি মোট ১৩ হাজার কোটি টাকা চাইছিল, তবে প্রথম ধাপে ১ হাজার কোটি টাকার অনুমোদন মিলেছে। ভবিষ্যতে অতিরিক্ত অর্থ বা নতুন ঋণ পাওয়া যাবে কি না, তা নিয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো সিদ্ধান্ত নেই।
বাজার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সরকারি উদ্যোগ শেয়ারবাজারে দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতার ভিত্তি তৈরি করবে। ধীরে ধীরে বিনিয়োগকারীদের মনোবল বাড়ছে এবং তারা নতুন সম্ভাবনার দিকে ইতিবাচক দৃষ্টিতে তাকাচ্ছেন। মধ্যমেয়াদে বাজারে নতুন চাহিদা ও বিনিয়োগ প্রবাহ সৃষ্টি হবে বলেও তাদের প্রত্যাশা।
ঋণের পরিমাণ তুলনামূলকভাবে সীমিত হলেও এটি ইতোমধ্যে বাজারে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। অনেকেই মনে করছেন, এর প্রভাব আগামী দিনে আরও বিস্তৃত হবে এবং শেয়ারবাজারকে নতুন গতিতে এগিয়ে নেবে।


