নিজস্ব প্রতিবেদক: বিদায়ী সপ্তাহে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত চারটি কোম্পানি তাদের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। কোম্পানিগুলো হলো—ন্যাশনাল হাউজিং ফাইন্যান্স, ইসলামী ইন্স্যুরেন্স, বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি (বিআইএফসি) এবং বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
ন্যাশনাল হাউজিং ফাইন্যান্স : কোম্পানিটি ২০২৬ সালের জানুয়ারি-মার্চ সময়ের প্রথম প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২৩ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ২২ পয়সা।
একই সময়ে শেয়ারপ্রতি নগদ কার্যকরী প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) দাঁড়িয়েছে ৪ টাকা ৭৭ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে এ প্রবাহ ছিল ৮ টাকা ৬১ পয়সা।
২০২৬ সালের ৩১ মার্চ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) হয়েছে ১৭ টাকা ২৯ পয়সা।
ইসলামী ইন্স্যুরেন্স : ২০২৬ সালের জানুয়ারি-মার্চ সময়ের প্রথম প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনও প্রকাশ করেছে ইসলামী ইন্স্যুরেন্স।
প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ২ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে যা ছিল ৮০ পয়সা।
একই সময়ে শেয়ারপ্রতি নগদ কার্যকরী প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) বেড়ে হয়েছে ১ টাকা ৪৮ পয়সা, যেখানে আগের বছরের একই সময়ে তা ছিল ১২ পয়সা।
২০২৬ সালের ৩১ মার্চ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২৪ টাকা ৬৭ পয়সা।
বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি (বিআইএফসি) : বিআইএফসিও ২০২৬ সালের জানুয়ারি-মার্চ সময়ের প্রথম প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
এতে দেখা যায়, প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১ টাকা ৮১ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১ টাকা ৬৫ পয়সা।
একই সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নগদ কার্যকরী প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) ছিল মাইনাস ২ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে এ প্রবাহ ছিল মাইনাস ৬ পয়সা।
২০২৬ সালের ৩১ মার্চ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট দায় দাঁড়িয়েছে ১৩৫ টাকা ৩৯ পয়সা।
বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস : বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস চলতি অর্থবছরের প্রথম, দ্বিতীয় এবং তৃতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
২০২৫ সালের জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ের প্রথম প্রান্তিকে কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫ টাকা ৩০ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে এ আয় ছিল ৩ টাকা ৭৭ পয়সা।
একই সময়ে শেয়ারপ্রতি নগদ কার্যকরী প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) দাঁড়িয়েছে ৬ টাকা ১৪ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৩ টাকা ৮০ পয়সা।
২০২৬ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত প্রথম প্রান্তিক শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) ছিল ১২৪ টাকা ৩৪ পয়সা।
অন্যদিকে, ২০২৫ সালের অক্টোবর-ডিসেম্বর সময়ের দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির সমন্বিত শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫ টাকা ২৮ পয়সা, যেখানে আগের বছরের একই সময়ে তা ছিল ৪ টাকা ১০ পয়সা।
চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই প্রান্তিক (জুলাই-ডিসেম্বর) মিলিয়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১০ টাকা ৫৮ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে যা ছিল ৭ টাকা ৮৭ পয়সা।
একই সময়ে শেয়ারপ্রতি নগদ কার্যকরী প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) বেড়ে হয়েছে ১১ টাকা ১৬ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে তা ছিল ৬ টাকা ১৩ পয়সা।
দ্বিতীয় প্রান্তিক শেষে, অর্থাৎ ২০২৬ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১২৯ টাকা ৬৩ পয়সা।
এদিকে, ২০২৬ সালের জানুয়ারি-মার্চ সময়ের তৃতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪ টাকা ৯৮ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৩ টাকা ৮৬ পয়সা।
চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন প্রান্তিক (জুলাই ২০২৫-মার্চ ২০২৬) মিলিয়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১৫ টাকা ৫৬ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে যা ছিল ১১ টাকা ৭৩ পয়সা।
একই সময়ে শেয়ারপ্রতি নগদ কার্যকরী প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) হয়েছে ১৬ টাকা ৭৪ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ৯ টাকা ৪৬ পয়সা।
আলোচ্য সময় শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৩৪ টাকা।


