নিজস্ব প্রতিবেদক: বিদায়ী সপ্তাহে (২৬-৩০ জুলাই, ২০২৬) দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে তিন কার্যদিবসে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। এর ফলে বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। একই সঙ্গে বেড়েছে প্রধান মূল্যসূচক এবং প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা যোগ হয়েছে ডিএসইর বাজার মূলধনে।
ডিএসইর সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনা অনুযায়ী, সপ্তাহজুড়ে লেনদেনে অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ২৬৪টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। অন্যদিকে ৩৫টি প্রতিষ্ঠানের দাম কমেছে এবং ৮৯টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম অপরিবর্তিত ছিল।
এর ফলে সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস শেষে ডিএসইর মোট বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ ৫ হাজার ১৩৩ কোটি টাকা, যা আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ছিল ৭ লাখ ১ হাজার ২৭০ কোটি টাকা। অর্থাৎ এক সপ্তাহের ব্যবধানে বাজার মূলধন ৩ হাজার ৯৬৩ কোটি টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে।
মূল্যসূচকের দিক থেকেও ইতিবাচক ধারা বজায় ছিল। সপ্তাহজুড়ে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ৯১ দশমিক ২৮ পয়েন্ট, যা শতাংশের হিসাবে ১ দশমিক ৫৭ শতাংশ। এর আগের সপ্তাহে সূচকটি ৯৬ দশমিক ০৬ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ৬৩ শতাংশ কমেছিল।
এ ছাড়া ইসলামি শরিয়াহভিত্তিক কোম্পানিগুলোর সমন্বয়ে গঠিত ডিএসই শরিয়াহ সূচক সপ্তাহের ব্যবধানে ১২ দশমিক ১৮ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ০৩ শতাংশ বেড়েছে। এর আগের সপ্তাহে সূচকটি ২৩ দশমিক ৮০ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ৯৭ শতাংশ হ্রাস পেয়েছিল।
অন্যদিকে, ভালো মৌলভিত্তির কোম্পানিগুলো নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক বিদায়ী সপ্তাহে ২৪ দশমিক ৫০ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ১২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। আগের সপ্তাহে সূচকটি ৩৪ দশমিক ৯১ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ৫৭ শতাংশ কমেছিল।
তবে মূল্যসূচক ও বাজার মূলধন বাড়লেও লেনদেনের গতি কিছুটা শ্লথ হয়েছে। বিদায়ী সপ্তাহে ডিএসইতে প্রতিদিন গড়ে ১ হাজার ৫৯ কোটি ৯২ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। আগের সপ্তাহে দৈনিক গড় লেনদেন ছিল ১ হাজার ৬৩ কোটি ২৬ লাখ টাকা। সে হিসাবে সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতিদিনের গড় লেনদেন ৩ কোটি ৩৪ লাখ টাকা বা দশমিক ৩১ শতাংশ কমেছে।


