নিজস্ব প্রতিবেদক : আগের দিনের ধারাবাহিকতায় আজও (৬ মে) পতনের মুখে পড়েছে শেয়ারবাজার। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সবগুলো সূচকের পাশাপাশি কমেছে টাকার অংকে লেনদেন। অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদরও হ্রাস পেয়েছে।
তবে বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, টানা পতন আতঙ্কের কারণ নয়। গত দুই দিনে সূচক কমেছে মাত্র ৩০ পয়েন্ট, যা উদ্বেগজনক নয়। অতীতে একদিনেই ২০০ পয়েন্ট পর্যন্ত পতন দেখা গেছে। লেনদেন কমাটিও ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়ে থাকে—বিনিয়োগকারীরা পতনের সময় শেয়ার ধরে রাখছেন, যা সতর্ক অবস্থানের লক্ষণ। তারা মনে করছেন, বাজার চিরস্থায়ীভাবে পতিত থাকবে না; আগামীতে সূচক ও লেনদেন—উভয়ই উল্লেখযোগ্য হারে বাড়বে। বর্তমান অস্থিরতা মূলত মধ্য প্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে সৃষ্টি হয়েছে।
বাজার পর্যালোচনায় দেখা গেছে, বুধবার ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ১৮.৮৫ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ২৪৮.৩৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। অপর দুই সূচকের মধ্যে ডিএসইএস ১.৯২ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৫৮.৫১ পয়েন্ট এবং ডিএসই-৩০ সূচক ৮.০৭ পয়েন্ট কমে ২ হাজার ৯.০৮ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
এদিন ডিএসইতে মোট ৩৯১টি প্রতিষ্ঠান লেনদেনে অংশ নেয়। এর মধ্যে ১০৮টির দর বেড়েছে, ২১৬টির দর কমেছে এবং ৬৭টির দর অপরিবর্তিত ছিল।
ডিএসইতে প্রায় ৭৬৭ কোটি ৬৮ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে, আগের দিন যা ছিল ৮৩২ কোটি ২৯ লাখ টাকা। সে হিসেবে লেনদেন কমেছে প্রায় ৬৪ কোটি ৬১ লাখ টাকা।
অপর বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) আজ ২০ কোটি ৭২ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের দিন এ পরিমাণ ছিল ১৫ কোটি ১৭ লাখ টাকা।
সিএসইতে লেনদেন হওয়া ২০০ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৬৯টির দর বেড়েছে, ১০৪টির কমেছে এবং ২৭টির অপরিবর্তিত রয়েছে। আজ সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ১৪ পয়েন্ট কমে ১৪ হাজার ৮০৪.৫৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে, যদিও আগের দিন সূচকটি ২০.৯৭ পয়েন্ট বেড়েছিল।


