দেশি-বিদেশি কোম্পানিকে শেয়ারবাজারে আনতে আইনী বাধ্যবাধকতা গড়ছে বিএসইসি

সময়: বুধবার, সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৫ ৮:২৮:০৪ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক: শেয়ারবাজারকে আরও গতিশীল ও গভীর করতে বড় ধরনের উদ্যোগ নিচ্ছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। দেশি ও বিদেশি বৃহৎ কোম্পানিগুলোকে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত করতে এবার আইনি বাধ্যবাধকতা তৈরির উদ্যোগ হাতে নিয়েছে সংস্থাটি। এ লক্ষ্যে জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে তালিকাভুক্তির আওতায় আনতে বিদ্যমান আইন পর্যালোচনা শুরু হয়েছে।

গত মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত বিএসইসির ৯৭১তম কমিশন সভায় এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন কমিশনের চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ।

বিএসইসি জানিয়েছে, গত ১১ মে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে দেশি-বিদেশি বড় কোম্পানিগুলোকে শেয়ারবাজারে আনার বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। সেই নির্দেশনার আলোকে এবার একটি শক্তিশালী আইনগত কাঠামো তৈরি করা হচ্ছে।

কমিশনের মতে, স্বেচ্ছায় অনেক বড় কোম্পানি বাজারে আসতে আগ্রহী নয়। তাই আইনের মাধ্যমে বাধ্যতামূলক করলে প্রতিষ্ঠানগুলোকে তালিকাভুক্ত হতেই হবে। বিশ্বজুড়ে বহু দেশে এই ধরনের আইনি বাধ্যবাধকতা প্রচলিত রয়েছে।

বর্তমান ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং আইন (এফআরএ) অনুযায়ী, ‘জনস্বার্থ সংস্থা’ বলতে বোঝানো হয়—

ব্যাংক,

বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান,

বিএসইসিতে প্রতিবেদন জমাদানকারী প্রতিষ্ঠান,

ক্ষুদ্রঋণ সংস্থা,

এবং নির্দিষ্ট সীমার বেশি সম্পদ, রাজস্ব বা দায়সম্পন্ন প্রতিষ্ঠান।

এফআরসি’র মানদণ্ড অনুযায়ী:

বার্ষিক রাজস্ব ৫০ কোটি টাকা,

মোট সম্পদ ৩০ কোটি টাকা,

এবং মোট দায় ১০ কোটি টাকা।

এই তিনটির মধ্যে যেকোনো দুটি শর্ত পূরণ করলেই কোনো প্রতিষ্ঠান জনস্বার্থ সংস্থা হিসেবে গণ্য হবে। এছাড়া সরকারি মালিকানাধীন কোম্পানি ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোও এই তালিকার আওতায় আসবে।

 

 

Share
নিউজটি ১৪৩ বার পড়া হয়েছে ।
Tagged