নিজস্ব প্রতিবেদক : স্বাভাবিক দর সংশোধনের মধ্য দিয়ে বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি, ২০২৬) সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসের লেনদেন শেষ হয়েছে শেয়ারবাজারে। এদিন প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচকের পাশাপাশি লেনদেনের পরিমাণ টাকার অংকে কমেছে। একই সঙ্গে লেনদেনে অংশ নেওয়া অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দর হ্রাস পেয়েছে। এর আগে টানা তিন কার্যদিবস সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় লেনদেন হয়েছিল।
বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সূচক ও লেনদেনে ওঠানামা বাজারের স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য এবং এটিকে নেতিবাচক হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। বরং এটি সুস্থ বাজারের লক্ষণ। তাদের মতে, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের পর শেয়ারবাজার আগের দুরবস্থায় ফিরে যাওয়ার সম্ভাবনা নেই। ফলে বর্তমান সময়কে বিনিয়োগের জন্য উপযুক্ত বলে মনে করছেন তারা। বিশেষ করে ভালো মৌলভিত্তির শেয়ার কিনে দীর্ঘমেয়াদে ধরে রাখতে পারলে ভবিষ্যতে উল্লেখযোগ্য মুনাফা পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, সপ্তাহের শেষ কর্মদিবসে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ২০.০৯ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ১৫৪.৩০ পয়েন্টে। একই দিনে শরিয়াহ সূচক ডিএসইএস ৪.৩৭ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৩৪.৪৮ পয়েন্টে এবং ব্লু-চিপ সূচক ডিএসই-৩০ সূচক ৭.০৫ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১ হাজার ৯৮৬.৫৪ পয়েন্টে।
এদিন ডিএসইতে মোট ৩৯৩টি প্রতিষ্ঠান লেনদেনে অংশ নেয়। এর মধ্যে ৯২টির শেয়ারের দর বেড়েছে, ২৪৩টির দর কমেছে এবং ৫৮টির দর অপরিবর্তিত ছিল।
ডিএসইতে মোট প্রায় ৫৫০ কোটি ২০ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। আগের দিন লেনদেন হয়েছিল প্রায় ৬৩৩ কোটি ৯১ লাখ টাকা। ফলে এক দিনের ব্যবধানে লেনদেন কমেছে প্রায় ৮৩ কোটি ৭১ লাখ টাকা।
অন্যদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) এদিন ৮ কোটি ৫৭ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে, যেখানে আগের দিন লেনদেন হয়েছিল ৮ কোটি ৫৯ লাখ টাকা।
সিএসইতে লেনদেন হওয়া ১৯৩টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৬২টির দর বেড়েছে, ১০৯টির দর কমেছে এবং ২২টির দর অপরিবর্তিত ছিল।
এদিন সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৩৯.৭৭ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১৪ হাজার ৪৬৬.৩১ পয়েন্টে। আগের দিন এই সূচক ৯৯.৬২ পয়েন্ট বেড়েছিল।


