নিজস্ব প্রতিবেদক: গতকালের ধারাবাহিকতায় আজও (০৮ জুলাই) পুঁজিবাজারে মিশ্র প্রবণতা দেখা গেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) প্রধান সূচকসহ দুটি সূচক সামান্য হ্রাস পেলেও একটি সূচক বেড়েছে। একইসঙ্গে লেনদেনের পরিমাণও কমেছে এবং অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর পতন হয়েছে।
বাজারবিষয়ক বিশ্লেষকরা বলছেন, বাজারে মাঝেমধ্যে পতন, আবার কখনো উত্থান কিংবা মিশ্র প্রবণতা থাকাটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। তাই বিনিয়োগকারীদের আতঙ্কিত না হয়ে সাবধানতার সঙ্গে লেনদেন করার পরামর্শ দিয়েছেন তারা। তাঁদের মতে, ঝুঁকিপূর্ণ ও দুর্বল কোম্পানির শেয়ার বাদ দিয়ে যাচাই-বাছাই করে শক্ত ভিত্তির শেয়ারে বিনিয়োগ করলে ভাল মুনাফা পাওয়া সম্ভব। ভবিষ্যতে বড় ধসের আশঙ্কা নেই উল্লেখ করে তারা বলেছেন, ভাল শেয়ারে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ থেকেও লাভবান হওয়া যায়। তবে বাজার মনিটরিং জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন তারা, যেন কেউ গুজব ছড়িয়ে বাজারকে অস্থিতিশীল করতে না পারে।
বাজার পরিসংখ্যানে দেখা যায়, সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ১১.০০ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৭৭০.২৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। অপর দুই সূচকের মধ্যে ডিএসইএস ১.৭৫ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ১৮৬.৬৩ পয়েন্ট হয়েছে, আর ডিএসই-৩০ সূচক ১২.৬০ পয়েন্ট কমে ২ হাজার ১৬৯.২৪ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
আজ ডিএসইতে মোট ৩৯৩টি প্রতিষ্ঠান লেনদেনে অংশ নিয়েছে। এরমধ্যে ১৪৫টির শেয়ারদর বেড়েছে, ১৯২টির দর কমেছে এবং ৫৬টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে।
লেনদেনের অঙ্কে আজ ডিএসইতে প্রায় ১ হাজার ১৫৮ কোটি ১১ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে, যা গতকালের ১ হাজার ৩৮৮ কোটি ৩ লাখ টাকার তুলনায় প্রায় ২৩১ কোটি ৯২ লাখ টাকা কম।
অপর পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) লেনদেন কমেছে। আজ সিএসইতে ২৬ কোটি ৮৯ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে, গতকাল যার পরিমাণ ছিল ৩০ কোটি ৭৯ লাখ টাকা।
সিএসইতে লেনদেনে অংশ নেওয়া ২৪৬টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১০৪টির দর বেড়েছে, ১০৩টির দর কমেছে এবং ৩৯টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে। এদিন সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৬০.৬০ পয়েন্ট কমে ১৫ হাজার ৪৭২.১৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে, যেখানে আগের দিন সূচকটি ২৪.৩৫ পয়েন্ট বেড়েছিল।


