নিজস্ব প্রতিবেদক : সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস সোমবার (২০ এপ্রিল) শেয়ারবাজারে সূচকের পতন হয়েছে। তবে আগের দিনের তুলনায় লেনদেনের পরিমাণ কিছুটা বেড়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে অংশ নেওয়া বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের দর কমেছে।
বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে বাজারে লেনদেন কিছুটা ঢিলেঢালা হয়ে পড়লেও বড় ধরনের ধস নামার আশঙ্কা নেই। তারা মনে করছেন, বর্তমান প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও সূচক তেমন উল্লেখযোগ্য হারে কমেনি। বাজারে যখন উত্থান হয়, তখন কয়েকদিনের পতন কাটিয়ে তা আবার ঊর্ধ্বমুখী হয়—যা শেয়ারবাজারের জন্য ইতিবাচক সংকেত। এতে বিনিয়োগকারীদের আস্থাও বাড়ে। তবে এই মুহূর্তে বিনিয়োগকারীদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন বিশ্লেষকরা। তাঁরা বলেছেন, ভালো শেয়ার বাছাই করে বিনিয়োগ করতে হবে।
বাজার পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ১৫.০৪ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ২৩২.৪৯ পয়েন্টে। অপর দুই সূচকের মধ্যে ডিএসইএস ২.৫১ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৫৯.৬৯ পয়েন্টে এবং ডিএসই-৩০ সূচক ১০.৩০ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৯৮০.০০ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
ডিএসইতে মোট ৩৮৯টি প্রতিষ্ঠান লেনদেনে অংশ নিয়েছে। এর মধ্যে ১২০টির দর বেড়েছে, ২০৭টির দর কমেছে এবং ৬২টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে।
লেনদেনের পরিমাণ আগের দিনের চেয়ে বেড়েছে। ডিএসইতে সোমবার প্রায় ৮২৪ কোটি ৭৬ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে, যা আগের দিন ছিল প্রায় ৮১৯ কোটি ২০ লাখ টাকা। অর্থাৎ লেনদেন বেড়েছে প্রায় ৫ কোটি ৫৬ লাখ টাকা।
অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সোমবার ৩৪ কোটি ১৫ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের দিন এই পরিমাণ ছিল ৪১ কোটি ৭৯ লাখ টাকা।
সিএসইতে লেনদেন হওয়া ১৯২টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শেয়ার ও ইউনিটের দর বেড়েছে ৮১টির, কমেছে ৯০টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২১টির।
সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ২৭.৭৬ পয়েন্ট কমে ১৪ হাজার ৭২৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আগের দিন সূচকটি ২.৫৩ পয়েন্ট কমেছিল।


