সার্কিট ব্রেকার নির্ধারণে নতুন সিদ্ধান্ত বিএসইসির

সময়: বুধবার, জুলাই ১, ২০২৬ ৫:৩৬:১৪ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দৈনিক মূল্য ওঠানামার সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন সীমা বা সার্কিট ব্রেকার নির্ধারণের ক্ষমতা এবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) হাতে তুলে দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। কমিশনের ১০১৮তম সভায় এ-সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

নতুন এ সিদ্ধান্তের ফলে এখন থেকে ডিএসই ও সিএসই নিজস্ব প্রবিধান ও নীতিমালার আওতায় সার্কিট ব্রেকার নির্ধারণের পাশাপাশি বাজার নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় অন্যান্য সূচক ও ব্যবস্থা স্বাধীনভাবে প্রণয়ন এবং বাস্তবায়নের সুযোগ পাবে।

বিএসইসির জারি করা নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, সার্কিট ব্রেকার নির্ধারণ বা পরিবর্তনের জন্য দুই স্টক এক্সচেঞ্জকে আর কমিশনের পূর্বানুমোদন নিতে হবে না। তবে এ বিষয়ে তারা যে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে, তা কমিশনকে অবহিত করতে হবে। একই সঙ্গে ২০২১ সালের ১৭ জুন জারি করা সার্কিট ব্রেকার-সংক্রান্ত আগের নির্দেশনাও বাতিল করা হয়েছে।

বিএসইসির পরিচালক ও মুখপাত্র মো. আবুল কালাম জানিয়েছেন, বর্তমানে কার্যকর সার্কিট ব্রেকার বহাল রাখা অথবা বাজার পরিস্থিতির আলোকে প্রয়োজন হলে তা পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের পূর্ণ ক্ষমতা এখন ডিএসই ও সিএসইর ওপর ন্যস্ত থাকবে। অর্থাৎ বাজারের বাস্তব অবস্থা বিবেচনা করে দুই স্টক এক্সচেঞ্জ নিজেরাই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে পারবে।

বর্তমানে কার্যকর নিয়ম অনুযায়ী, ২০০ টাকা পর্যন্ত দামের শেয়ারের মূল্য একদিনে সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে বা কমতে পারে। ২০১ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত দামের শেয়ারের ক্ষেত্রে এ সীমা ৮ দশমিক ৭৫ শতাংশ, ৫০১ থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত ৭ দশমিক ৫০ শতাংশ, ১ হাজার ১ থেকে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত ৬ দশমিক ২৫ শতাংশ, ২ হাজার ১ থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ৫ শতাংশ এবং ৫ হাজার ১ টাকার বেশি দামের শেয়ারের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত মূল্য ওঠানামার সুযোগ রয়েছে।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভবিষ্যতে বাজারের প্রয়োজন ও পরিস্থিতি বিবেচনায় এই মূল্যসীমা পরিবর্তনের ক্ষমতাও ডিএসই ও সিএসই নিজেরাই প্রয়োগ করতে পারবে।

Share
নিউজটি ৬ বার পড়া হয়েছে ।
Tagged