নিজস্ব প্রতিবেদক: শেয়ারবাজারে মার্জিন অর্থায়ন ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। বিনিয়োগকারীর ঝুঁকি কমানো, মার্জিন অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠানের ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ এবং এ কার্যক্রমে শৃঙ্খলা বাড়াতে বিদ্যমান বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (মার্জিন) বিধিমালা, ২০২৫-এর একাধিক বিধান সংশোধন করা হয়েছে। ১৭ আগস্ট ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত বাংলাদেশ গেজেটের অতিরিক্ত সংখ্যায় এসব সংশোধনী প্রকাশ করা হয়।
সংশোধিত বিধিমালার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের মধ্যে রয়েছে—মার্জিন হিসাবে গ্রাহকের ইক্যুইটি মোট মার্জিন অর্থায়নের কমপক্ষে ৫০ শতাংশ রাখা, ইক্যুইটি ২৫ শতাংশের নিচে নেমে গেলে কোনো আগাম নোটিশ ছাড়াই প্রয়োজনীয় সিকিউরিটিজ বিক্রির সুযোগ, মার্জিন ঋণের সর্বোচ্চ অনুপাত ১:১ নির্ধারণ, একক সিকিউরিটিতে মোট বকেয়া মার্জিন অর্থায়নের সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ সীমা এবং মার্জিন অর্থায়নকারীর নিজস্ব মূলধন বা নিট সম্পদের চারগুণ পর্যন্ত অর্থায়নের সীমা।
এ ছাড়া কোন কোন শেয়ারে মার্জিন ঋণ দেওয়া যাবে, সেই যোগ্যতার ক্ষেত্রেও কঠোর শর্ত রাখা হয়েছে। সাধারণ কোম্পানির ক্ষেত্রে মূল্য-আয় অনুপাত বা পিই ৪০-এর বেশি হলে এবং শেয়ারপ্রতি আয় বা ইপিএস ঋণাত্মক হলে ওই শেয়ারে মার্জিন অর্থায়ন করা যাবে না। তালিকাভুক্ত জীবন বীমা কোম্পানির ক্ষেত্রে পিইর পরিবর্তে মূল্য-সম্পদ অনুপাত বা পিবি বিবেচনা করা হবে। পিবি ৩-এর বেশি অথবা নিট সম্পদ মূল্য ঋণাত্মক হলে সংশ্লিষ্ট শেয়ারে মার্জিন ঋণ দেওয়া যাবে না।
মার্জিন অর্থায়নে ইক্যুইটি-ঋণের অনুপাত সর্বোচ্চ ১:১
সংশোধিত বিধানে কোনো মার্জিন অর্থায়নকারী গ্রাহকের ইক্যুইটির চেয়ে বেশি মার্জিন অর্থায়ন করতে পারবে না। অর্থাৎ গ্রাহকের ইক্যুইটি ও মার্জিন অর্থায়নের অনুপাত সর্বোচ্চ ১:১ থাকবে। পাশাপাশি কোনো মার্জিন অর্থায়নকারী তার প্রকৃত মূলধন বা নিট সম্পদের চারগুণের বেশি মার্জিন অর্থায়ন করতে পারবে না।
এর ফলে একজন বিনিয়োগকারী নিজের যত টাকা ইক্যুইটি হিসেবে রাখতে পারবেন, সর্বোচ্চ তত টাকাই মার্জিন ঋণ হিসেবে নিতে পারবেন। একই সঙ্গে অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক ঝুঁকিও তার মূলধন ও নিট সম্পদের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সীমাবদ্ধ থাকবে।
৫০ শতাংশ রক্ষণাবেক্ষণ মার্জিন বাধ্যতামূলক
নতুন বিধিমালায় মার্জিন হিসাবে সার্বক্ষণিকভাবে ‘রক্ষণাবেক্ষণ মার্জিন’ হিসেবে গ্রাহকের ইক্যুইটি মোট মার্জিন অর্থায়নের ৫০ শতাংশের কম হতে পারবে না। অর্থাৎ শেয়ারদর কমে যাওয়াসহ যেকোনো কারণে ইক্যুইটি ৫০ শতাংশের নিচে নেমে গেলে সংশ্লিষ্ট গ্রাহককে মার্জিন কল দিতে হবে।
মার্জিন কল লিখিতভাবে অথবা গ্রাহকের ই-মেইল ঠিকানা ও নিবন্ধিত মোবাইল নম্বরে বার্তা পাঠিয়ে দিতে হবে। প্রয়োজনে ফোন কলের মাধ্যমেও গ্রাহককে মার্জিন কল সম্পর্কে জানাতে হবে।
মার্জিন কল দেওয়ার পর তিন ট্রেডিং দিবস পার হলেও কোনো গ্রাহক প্রয়োজনীয় মার্জিন জমা দিতে ব্যর্থ হলে বা তার ইক্যুইটি ৫০ শতাংশে উন্নীত বা সংরক্ষণ করতে ব্যর্থ হলে তাকে নতুন করে মার্জিন অর্থায়ন করা যাবে না। তবে শর্তসাপেক্ষে গ্রাহকের ইক্যুইটি ৫০ শতাংশে উন্নীত করার জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক সিকিউরিটিজ বিক্রি করতে পারবে অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠান।
২৫ শতাংশে নামলেই নোটিশ ছাড়াই শেয়ার বিক্রি
গ্রাহকের ইক্যুইটি যদি মার্জিন অর্থায়নের ২৫ শতাংশের নিচে নেমে যায়, তাহলে পরিস্থিতি সামাল দিতে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। এ অবস্থায় কোনো আগাম নোটিশ ছাড়াই মার্জিন অর্থায়নকারী সংশ্লিষ্ট হিসাবে থাকা প্রয়োজনীয় সিকিউরিটিজ বিক্রি করতে পারবে।
তবে বাধ্যতামূলক বিক্রির ক্ষেত্রে অর্থায়নকারী বিক্রির আদেশ দেওয়ার পরও যদি কোনো কারণে ওই বিক্রি তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর না হয় বা বিলম্বিত হয়, তাহলে এর ফলে সৃষ্ট ক্ষতির দায় মার্জিন অর্থায়নকারীর ওপর বর্তাবে না।
মার্জিন অর্থায়নের টাকা অন্য কাজে ব্যবহার করা যাবে না
মার্জিনযোগ্য সিকিউরিটিজ কেনা ছাড়া অন্য কোনো উদ্দেশ্যে মার্জিন অর্থায়নের অর্থ ব্যবহার করা যাবে না। তবে মার্জিন চুক্তিতে নির্ধারিত গ্রাহকের ইক্যুইটি ও মার্জিন অর্থায়নের ন্যূনতম অনুপাত বজায় থাকলে গ্রাহক তার মার্জিন হিসাব থেকে অর্থ উত্তোলন করতে পারবেন।
অর্থাৎ মার্জিন ঋণের অর্থের ব্যবহার নির্দিষ্ট বিনিয়োগের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে নির্ধারিত ইক্যুইটি অনুপাত বজায় থাকলে গ্রাহকের হিসাব থেকে অর্থ উত্তোলনের সুযোগও রাখা হয়েছে।
মার্জিন হিসাবে ন্যূনতম ৩ লাখ টাকার বিনিয়োগ
মার্জিন অর্থায়ন নেওয়ার সময় কোনো গ্রাহকের হিসাবে স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজে ন্যূনতম ৩ লাখ টাকার বিনিয়োগ না থাকলে ওই হিসাবে মার্জিন অর্থায়ন করা যাবে না।
একই সঙ্গে কোনো গ্রাহক নিজের নগদ অর্থের পরিবর্তে মার্জিন অর্থায়নের অযোগ্য কোনো সিকিউরিটি কিনলে সেই সিকিউরিটির মূল্যকে মার্জিন অর্থায়নের জন্য গ্রাহকের ইক্যুইটি হিসেবে গণনা করা যাবে না।
নির্দিষ্ট সিকিউরিটিজেই মিলবে মার্জিন ঋণ
সংশোধিত বিধিমালায় বলা হয়েছে, স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত শেয়ার ছাড়া অন্য কোনো সিকিউরিটিতে মার্জিন অর্থায়ন করা যাবে না। একই সঙ্গে ‘জি’, ‘এন’ ও ‘জেড’ ক্যাটাগরির সিকিউরিটিজেও এই সুবিধা দেওয়া যাবে না।
এ ছাড়া স্টক এক্সচেঞ্জের এসএমই, অল্টারনেটিভ ট্রেডিং বোর্ড বা এটিবি এবং ওভার দ্য কাউন্টার বা ওটিসি প্ল্যাটফর্ম বা বোর্ডে তালিকাভুক্ত কোনো সিকিউরিটিতেও মার্জিন অর্থায়ন করা যাবে না।
ফলে মূল বাজারে তালিকাভুক্ত যোগ্য সিকিউরিটিজের মধ্যেই মার্জিন সুবিধা সীমাবদ্ধ থাকছে।
পিই ৪০-এর বেশি হলে মার্জিন ঋণ নয়
মার্জিন অর্থায়নের জন্য সিকিউরিটির মূল্য-আয় অনুপাত বা পিই সর্বোচ্চ ৪০ নির্ধারণ করা হয়েছে। কোনো সিকিউরিটির পিই ৪০-এর বেশি হলে সেখানে মার্জিন অর্থায়ন করা যাবে না। একইভাবে শেয়ারপ্রতি আয় বা ইপিএস ঋণাত্মক হলেও সংশ্লিষ্ট শেয়ারে মার্জিন ঋণ দেওয়া যাবে না।
তালিকাভুক্ত জীবন বীমা কোম্পানির ক্ষেত্রে পিইর পরিবর্তে পিবি অনুপাত বিবেচনা করা হবে। কোনো জীবন বীমা কোম্পানির পিবি ৩-এর বেশি হলে অথবা নিট সম্পদ মূল্য বা এনএভি ঋণাত্মক হলে ওই শেয়ারে মার্জিন অর্থায়ন করা যাবে না।
কীভাবে নির্ধারণ হবে পিই ও পিবি
মার্জিনযোগ্য সিকিউরিটির ট্রেইলিং পিই নির্ধারণের জন্য সর্বশেষ ট্রেডিং দিনের সমাপনী মূল্যকে সর্বশেষ ধারাবাহিক চার প্রান্তিকের শেয়ারপ্রতি আয়ের যোগফল দিয়ে ভাগ করতে হবে।
অন্যদিকে, পিবি রেশিও নির্ধারণ করা হবে সর্বশেষ ট্রেডিং দিনের সমাপনী মূল্যকে সর্বশেষ নিরীক্ষিত শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য দিয়ে ভাগ করে।
অর্থাৎ ট্রেইলিং পিইয়ের ক্ষেত্রে ব্যবহার হবে সর্বশেষ চার প্রান্তিকের ইপিএস এবং পিবির ক্ষেত্রে ব্যবহার হবে সর্বশেষ নিরীক্ষিত এনএভি।
মার্জিনযোগ্য সিকিউরিটি নির্ধারণের সুবিধার্থে স্টক এক্সচেঞ্জকে নিয়মিতভাবে তাদের ওয়েবসাইটে পিই রেশিও এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে পিবি রেশিও প্রকাশ করতে হবে।
এক শেয়ারে সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ অর্থায়ন
মার্জিন অর্থায়নকারীদের একক সিকিউরিটিতে ঝুঁকি সীমিত রাখতেও নতুন সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। কোনো মার্জিন অর্থায়নকারী তার মোট বকেয়া মার্জিন অর্থায়নের ২০ শতাংশের বেশি কোনো একক সিকিউরিটিতে অর্থায়ন করতে পারবে না। সংশোধিত বিধিতে এটিকে ‘একক সিকিউরিটিতে মার্জিন অর্থায়ন সীমা’ বা একক সিকিউরিটি এক্সপোজার সীমা হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে।
এর ফলে কোনো একটি শেয়ারে অতিরিক্ত ঋণ কেন্দ্রীভূত হয়ে পড়ার ঝুঁকি কমবে।
আলাদা ব্যাংক হিসাব বাধ্যতামূলক
মার্জিন অর্থায়ন কার্যক্রমের জন্য অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠানকে নিজেদের নামে একটি পৃথক ব্যাংক হিসাব পরিচালনা করতে হবে। ওই হিসাব কেবল মার্জিন অর্থায়ন-সংক্রান্ত কার্যক্রমে ব্যবহার করা যাবে।
কোনো শাখা অফিস বা ডিজিটাল বুথের নামে এ ধরনের ব্যাংক হিসাব খোলা যাবে না। একই সঙ্গে শাখা বা ডিজিটাল বুথের নামে ইতোমধ্যে পরিচালিত ব্যাংক হিসাব ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৭-এর পর কমিশনের অনুমোদন ছাড়া পরিচালনা করা যাবে না।
একজন গ্রাহকের একটি নগদ ও একটি মার্জিন হিসাব
নতুন বিধানে একজন গ্রাহক একই মার্জিন অর্থায়নকারীর কাছে একই সময়ে একটি নগদ হিসাব এবং একটি মার্জিন হিসাব চালু রাখতে বা খুলতে পারবেন।
মার্জিন চুক্তির মেয়াদ এক বছর
সংশোধিত বিধিমালায় মার্জিন চুক্তির মেয়াদ এক বছর নির্ধারণ করা হয়েছে। কোনো পক্ষ চুক্তি বাতিল না করলে মেয়াদ শেষে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে নবায়ন হবে।
তবে চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার অন্তত ১৫ দিন আগে লিখিত নোটিশ দিয়ে মার্জিন অর্থায়নকারী অথবা সংশ্লিষ্ট গ্রাহক চুক্তি বাতিল করতে পারবেন।
গঠন করতে হবে ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কমিটি
মার্জিন অর্থায়নকারীর নিজস্ব মার্জিন অর্থায়ন নীতিমালা এবং বিএসইসির বিধিমালা যথাযথভাবে পরিচালনা, প্রয়োগ, বাস্তবায়ন ও তদারকির জন্য কমপক্ষে দুই সদস্যের একটি ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন করতে হবে।
কমিটিকে বছরে অন্তত চারটি সভা করতে হবে। এসব সভার কার্যবিবরণী পরিচালনা পর্ষদের সভায় উপস্থাপন করতে হবে।
বিএসইসির শর্ত শিথিল বা নতুন শর্ত আরোপ করা যাবে না
মার্জিন অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠান নিজেদের মার্জিন অর্থায়ন নীতিমালা প্রণয়নের সময় বিএসইসির বিধিমালায় থাকা কোনো শর্ত শিথিল করতে পারবে না। একইভাবে বিধিমালার বাইরে নতুন কোনো শর্ত আরোপের সুযোগও থাকবে না।
অর্থাৎ প্রতিটি অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব নীতিমালা থাকলেও সেটি বিএসইসির নির্ধারিত কাঠামোর মধ্যেই করতে হবে।
গবেষণা দলের বেতন ট্রেডিং কমিশনের সঙ্গে যুক্ত নয়
সংশোধিত বিধিমালায় মার্জিন অর্থায়নকারীর গবেষণা দলের সদস্যদের বেতন-ভাতা ও আনুষঙ্গিক সুবিধা সরাসরি ট্রেডিং কমিশন আয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত না করার বিধান রাখা হয়েছে।
এর মাধ্যমে গবেষণা কার্যক্রমকে সরাসরি ট্রেডিং কমিশনভিত্তিক আয়ের সঙ্গে যুক্ত করে সম্ভাব্য স্বার্থের সংঘাত তৈরির সুযোগ সীমিত করা হয়েছে।
শরিয়াহভিত্তিক মার্জিন অর্থায়নে সুপারভাইজরি বোর্ড বাধ্যতামূলক
কোনো প্রতিষ্ঠান ইসলামিক শরিয়াহভিত্তিক মার্জিন অর্থায়ন পদ্ধতি চালু করতে চাইলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে শরিয়াহ সুপারভাইজরি বোর্ড থাকতে হবে। এ ধরনের মার্জিন অর্থায়ন নীতিমালা শরিয়াহ সুপারভাইজরি বোর্ড অথবা শরিয়াহ উপদেষ্টার সুপারিশের ভিত্তিতে প্রণয়ন ও পরিচালনা করতে হবে।
আরও কিছু সংশোধন
সংশোধনীতে বিধিমালার বিভিন্ন উপবিধির ভাষাগত ও পরিভাষাগত পরিবর্তনও করা হয়েছে। এর মধ্যে ‘সিস্টেম্যাটিক’-এর পরিবর্তে ‘সিস্টেমিক’ শব্দ ব্যবহার, ‘রক্ষণশীল’ শব্দের পরিবর্তে নির্ধারিত সংশোধিত পরিভাষা ব্যবহার এবং বিধিমালার বিভিন্ন ধারার উল্লেখে প্রয়োজনীয় সংশোধন আনা হয়েছে।
সব মিলিয়ে নতুন বিধিমালায় মার্জিন ঋণের পরিমাণ, গ্রাহকের ইক্যুইটি, শেয়ার বাছাই, মূল্যায়ন পদ্ধতি, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, অর্থায়নকারীর মূলধন সক্ষমতা এবং একক সিকিউরিটিতে এক্সপোজার—প্রতিটি ক্ষেত্রেই নির্দিষ্ট সীমা আরোপ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫০ শতাংশ রক্ষণাবেক্ষণ মার্জিন এবং ইক্যুইটি ২৫ শতাংশের নিচে নেমে গেলে নোটিশ ছাড়াই সিকিউরিটিজ বিক্রির বিধানটি বিনিয়োগকারী ও মার্জিন অর্থায়নকারী উভয়ের ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনবে।
উল্লেখ্য, সংশোধিত বিধিমালাটি বাংলাদেশ গেজেটের অতিরিক্ত সংখ্যায় ১৭ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত হয়েছে এবং নথিতে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের আদেশক্রমে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার অনুমোদনের উল্লেখ রয়েছে।


