নিজস্ব প্রতিবেদক: যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল-ইরান সংঘাত শুরু হওয়ার পর বিশ্ব অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছিল। তবে সম্প্রতি সেই যুদ্ধবিরতির সিদ্ধান্তে বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে স্থিতিশীলতা ফিরেছে, যা বাংলাদেশের শেয়ারবাজারেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। এর ফলে দেশটির পুঁজিবাজারে সূচক ও লেনদেন উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। একই সঙ্গে লেনদেনে অংশ নেওয়া অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদরও বেড়েছে।
বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, যেকোনো নেতিবাচক পরিস্থিতিতে শেয়ারবাজারে পতন দেখা দেয়। তিনদেশের যুদ্ধের কারণেও এমন অবস্থা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু যুদ্ধবিরতির ঘোষণায় বাজারে ইতিবাচক ধারা ফিরেছে, যার প্রভাবে সবক্ষেত্রেই উত্থান পরিলক্ষিত হচ্ছে। তবে বিনিয়োগকারীদের উচিত পরিস্থিতি বিবেচনা করে সঠিক শেয়ারে বিনিয়োগ করা।
বাজার বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, বুধবার সপ্তাহের চতুর্থ কর্মদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ১৬১.০৮ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৩১৭.৯৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এদিন অন্য দুই সূচকের মধ্যে ডিএসইএস ৩০.১৬ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৭৫.৯৭ পয়েন্টে এবং ডিএসই-৩০ সূচক ৫৪.৬৮ পয়েন্ট বেড়ে ২ হাজার ২৬.০৬ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
ডিএসইতে মোট ৩৯৩টি প্রতিষ্ঠান লেনদেনে অংশ নিয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ৩৬৭টির, কমেছে ১৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১১টির।
এদিন ডিএসইতে প্রায় ৯৯১ কোটি ৫৯ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। আগের দিন লেনদেনের পরিমাণ ছিল প্রায় ৫৯৭ কোটি ১ লাখ টাকা। অর্থাৎ আগের দিনের তুলনায় লেনদেন বেড়েছে প্রায় ৩৯৪ কোটি ৫৮ টাকা।
অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) আজ ৩১ কোটি ২৬ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের দিন সিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ ছিল ২৬ কোটি ৬৩ লাখ টাকা।
সিএসইতে লেনদেন করা ২০২টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দর বেড়েছে ১৭৬টির, কমেছে ১৮টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৮টির।
এদিন সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৩২৮.২৯ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪ হাজার ৮১৮.০৬ পয়েন্টে। আগের দিন সূচকটি বেড়েছিল ৮.৩৯ পয়েন্ট।


